
রাওয়ালপিন্ডিতে পাকিস্তানের বিপক্ষে টেস্ট সিরিজ খেলার সময় সাকিব আল হাসানের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা দায়ের করা হয়। মুমিনুল হক, মুশফিকুর রহিম, রুবেল হোসেন, এনামুল হকসহ দেশের অনেক ক্রিকেটারই সামাজিক মাধ্যমে বার্তা দিয়েছিলেন যে তাঁরা সাকিবের পাশে আছেন। বাংলাদেশ ক্রিকেটের অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্তর কথাতেও সেটা বেশি করে স্পষ্ট হয়েছে।
পাকিস্তানের মাঠে পাকিস্তানকে টেস্টে ধবলধোলাই করে বীরের বেশে গত রাতে ঢাকায় ফিরলেন শান্ত–মুমিনুলরা। দলের সঙ্গে প্রথম ফ্লাইটে ঢাকায় ফিরেছেন প্রধান কোচ চন্ডিকা হাথুরুসিংহেও। তবে আসেননি দলের সিনিয়র ক্রিকেটার অলরাউন্ডার সাকিব। এমন জয়ের পর দেশের এই তারকা ক্রিকেটারকে নিয়ে ঢাকায় ফিরতে না পারার আক্ষেপ কিছুটা হলেও শান্তর কাজ করেছে। শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে সাংবাদিকদের শান্ত বলেন, ‘প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে কথা হয়েছে। উনি দেখা করতে চেয়েছেন। যদি কথা ওঠে, সাকিব ভাইয়ের বিষয়টা একটা ভিন্ন বিষয়। প্রত্যেকটা ক্রিকেটার সবাই সাকিব ভাইয়ের সঙ্গে আছেন। আমরা বিষয়টা জানি সাকিব ভাই দলের জন্য কতটা ত্যাগী। খেলার জন্য কতটা পাগল। সব সময় দলের জন্য খেলার জন্য চিন্তা ভাবনা করেন। যদি এটা নিয়ে কথা ওঠে, হ্যাঁ অবশ্যই প্রত্যেকটা ক্রিকেটার সাকিব ভাইয়ের পাশে আছে।’
রাতে শান্তদের ঢাকায় ফেরা নিয়ে দারুণ উন্মাদনা দেখা যায় বিসিবি সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের চোখে মুখে। বিসিবির ক্রিকেট অপারেশন্স ম্যানেজার শাহরিয়ার নাফিস তো বোর্ডিং ব্রিজের সামনে বিশেষ পাস নিয়ে দাঁড়িয়ে পড়লেন ক্রিকেটারদের স্বাগত জানাতে। শেষ অব্দি শান্ত, শরীফুল ইসলাম, লিটন দাসদের সঙ্গে আলিঙ্গন করলেন নাফিস। বাংলাদেশের ক্রিকেটারদের এমন ঐতিহাসিক কৃর্তিতে বিসিবির বেশ কয়েকজন পরিচালকও রাতে বিমানবন্দরে গিয়েছিলেন ক্রিকেটাদের স্বাগত জানাতে। ফুল দিয়ে বরণ করে নেন অধিনায়ক, প্রধান কোচ চন্ডিকা হাথুরুসিংহসহ বাকি ক্রিকেটারদের। তবে হত্যা মামলায় নাম থাকায় সাকিব ঢাকায় না ফিরে ইংল্যান্ডে কাউন্টি খেলতে যাচ্ছেন। পরে সেখান থেকে ভারত সিরিজের দলে যোগ দেবেন সাকিব।
ইমিগ্রেশন শেষ করে ভিআইপি টার্মিনালের পকেট গেট দিয়ে বের হয়ে সাংবাদিকদের সামনে হাস্যোজ্জ্বল শান্ত ট্রফি হাতে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেন। হবে না-ই বা কেন! পাকিস্তানের বিপক্ষে পাকিস্তানের মাঠে এই প্রথম কোনো সিরিজে বাংলাদেশ ধবলধোলাই করল। ঐতিহাসিক টেস্ট সিরিজ জয়ের পর শান্ত বলেন, ‘আমার কাছে বাংলাদেশ ক্রিকেটের সবচেয়ে বড় অর্জন বলেই মনে হয়। সেরা (হাসি) ! সেরা (হাসি) ! এটা শুধু আমার ব্যক্তিগত কথা না। আমার দলের যারা আছে সবাই এটা বিশ্বাস করে। এমন জয়ের উদযাপন অবশ্যই বিশেষ থাকে। জেতার পর ড্রেসিং রমে সবাই দারুণ উদ্যাপন করেছে। সবাই অনেক হাসিখুশি ছিল। পুরো ভ্রমণটা আমরা দারুণ উদযাপন করেছি।’

টাইব্রেকারের ভাগ্যপরীক্ষায় যাওয়ার ঠিক আগমুহূর্তে জয় তুলে নেওয়া আর্জেন্টিনা এখন শেষ ষোলোর মঞ্চে মঙ্গলবার মিসরের মুখোমুখি হওয়ার প্রস্তুতি শুরু করবে। তবে কেপ ভার্দের বিপক্ষে এই রুদ্ধশ্বাস পরীক্ষা যে স্কালোনির দলকে পরবর্তী ম্যাচগুলোর জন্য আরও সতর্ক করে দিল।
৯ মিনিট আগে
যখন মনে হচ্ছিল ম্যাচটি টাইব্রেকারের দিকে যাচ্ছে, ঠিক তখনই ১১১ মিনিটে আসে আর্জেন্টিনার সেই কাঙ্ক্ষিত জয়সূচক গোল। লিওনেল মেসির নিখুঁত কর্নার কিক থেকে বক্সে শূন্যে ভেসে দুর্দান্ত হেডে বল জালে জড়ান ক্রিস্টিয়ান রোমেরো। এই গোলের জোগান দিয়ে কিংবদন্তি দিয়েগো ম্যারাডোনার রেকর্ড ভেঙে বিশ্বকাপের ইতিহাসে সর্বো
১৮ মিনিট আগে
টানটান উত্তেজনা, একের পর এক আক্রমণ আর অতিরিক্ত সময়ের শ্বাসরুদ্ধকর নাটকীয়তা—সব মিলিয়ে মায়ামির মাঠ রূপ নিয়েছিল এক চরম স্নায়ুযুদ্ধে।বিশ্বকাপের শেষ বত্রিশের নকআউট পর্বে বিশ্বচ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনাকে রীতিমতো কাঁপিয়ে দিয়েছে টুর্নামেন্টের সবচেয়ে বড় চমক কেপ ভার্দে। গ্রুপ পর্বে কোনো ম্যাচ না হেরে, ৩টি ড্রয়ে
৩৬ মিনিট আগে
কেপ ভার্দের গল্প শেষ হওয়ার নয়। পিছিয়ে পড়লেও কীভাবে ঘুরে দাঁড়াতে হয়, তা শেখাচ্ছে তারা। তাও বিশ্বচ্যাম্পিয়নদের বিপক্ষে। মায়ামিতে শেষ বত্রিশের লড়াই তাই অতিরিক্ত সময়েও রূপ নিয়েছে সমতায়। ম্যাচের ১০৩ মিনিটে দুর্দান্ত এক গোলেে ব্যবধান ২–২ করেছেন সিডনি লোপেস।
১ ঘণ্টা আগে