
গতকাল মঙ্গলবার রাতে মিয়ানমার থেকে পালিয়ে আরও ৪৬ জন জান্তা সদস্য বাংলাদেশে আশ্রয় নিয়েছেন। বর্তমানে ২৬০ জন বাংলাদেশে অবস্থান করছেন। তাঁদের কাছ থেকে অস্ত্র, গোলাবারুদ, হ্যান্ড গ্রেনেড, ম্যাগাজিন জব্দ করা হয়েছে। এই তথ্য নিশ্চিত করেছে বিজিবির জনসংযোগ বিভাগ।
প্রত্যক্ষদর্শী ও বিজিবি সূত্রগুলো জানায়, ১১ বিজিবির অধীন জামছড়ি বিওপি জোয়ানদের কাছে তাঁরা আত্মসমর্পণ করেন। একই পয়েন্ট থেকে বেলা আড়াইটায় আসেন আরও পাঁচজন। তাঁরাও একই স্থান দিয়ে এসে একই বিওপি জোয়ানদের কাছে আত্মসমর্পণ করেন।
সূত্রমতে, তাঁদের কাছ থেকে জব্দ করা অস্ত্র-গোলাবারুদ রামু বিজিবি সেক্টর দপ্তরে জমা করা হয়েছে। তাঁদের নিরস্ত্র করে নাইক্ষ্যংছড়িতে এনে বিজিবি স্কুলে রাখা হয়।
এর আগে গত রোববার ও সোমবার বাংলাদেশে আশ্রয় নেন জান্তা বাহিনীর ১৬ জন সদস্য। তাঁদের সবাইকে রাখা হয়েছে নাইক্ষ্যংছড়ি সদরের বর্ডার গার্ড সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নিচতলায়।
এরও এক মাস আগে বিভিন্ন সময়ে আত্মসমর্পণ করে আশ্রয় নেওয়া ৩৩০ জন জান্তা বাহিনীর যোদ্ধাকে মিয়ানমারে ফেরত পাঠানো হয়েছিল। এদেরও এই মাসে ফেরত পাঠানোর কথা নানাভাবে আলোচিত হচ্ছে।
এ বিষয়ে মঙ্গলবার বিকেলে বিজিবির এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা বলেন, কোনো প্রকার জটিলতা সৃষ্টি না হলে চলতি এপ্রিলেই মিয়ানমার থেকে পালিয়ে আসা জান্তা সদস্যদের তাঁদের দেশ মিয়ানমারে ফেরত পাঠানো হতে পারে।

কোনো ধরনের যাচাই-বাছাই ছাড়াই সীমান্তে কাউকে এনে পুশ-ইন করিয়ে দেওয়া আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত বা যথাযথ প্রক্রিয়া নয়। ভারতের কাছে যদি অবৈধভাবে অবস্থানকারী বাংলাদেশি নাগরিকদের তালিকা থাকে, তাহলে তা কূটনৈতিক চ্যানেলে পাঠানো যেতে পারে। বাংলাদেশ সরকার জাতীয়তা যাচাই করে আইনি প্রক্রিয়ায় তাদের দেশে ফিরিয়ে নেবে
১৯ মিনিট আগে
চার দিনের চীন সফর শেষে দেশের উদ্দেশে রওনা হয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। আজ শুক্রবার স্থানীয় সময় বিকেল ৫টা ১৫ মিনিটে তিনি বেইজিং ড্যাক্সিং আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে চায়না সাউথার্ন ফ্লাইটে রওনা হয়েছেন বলে জানান প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন।
১ ঘণ্টা আগে
চীনের ইউনান প্রদেশের সঙ্গে সংযোগকারী প্রস্তাবিত ‘চীন-মিয়ানমার-বাংলাদেশ অর্থনৈতিক করিডর’ (সিএমবিইসি) উন্নয়নে বাংলাদেশকে পূর্ণ সমর্থন দেওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করেছে বেইজিং। আজ শুক্রবার বেইজিংয়ের ঐতিহাসিক ‘গ্রেট হল অব দ্য পিপল...
১ ঘণ্টা আগে
মাদকের ভয়াবহ বিস্তারে দেশের অসংখ্য পরিবার নিঃস্ব হয়ে গেছে । মাদক কারবারীরা দেশ, জাতি ও সমাজের শত্রু। সমাজের চোখের সামনেই অনেক পরিবার ধ্বংস হয়ে যেতে দেখা গেছে, যাদের জীবন মাদকের করাল গ্রাসে বিপর্যস্ত হয়েছে।
১ ঘণ্টা আগে