
রাজধানীর যাত্রাবাড়ী থানা এলাকায় বলাকা পরিবহনের একটি বাস পোড়ানোর মামলায় ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক মোহাম্মদ নবী উল্লাহ নবীকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে। আজ সোমবার ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট শাকিল আহম্মেদ তাঁকে গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন মঞ্জুর করেন।
বিএনপি ও সমমনাদের ডাকা হরতাল চলাকালে গত বছরের ১৩ নভেম্বর রাজধানীর যাত্রাবাড়ী থানা এলাকায় বলাকা পরিবহনে অগ্নিসংযোগের ঘটনায় বিশেষ ক্ষমতা আইনের মামলায় এ মামলাটি দায়ের করা হয়। মামলায় নবী উল্লাহ নবী এজাহারনামীয় এক নম্বর আসামি। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা নবী উল্লাহ নবীকে গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন করেন। ওই আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে নবীকে আদালতে হাজির করা হয়। শুনানি শেষে আদালত গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন মঞ্জুর করেন।
আদালতের প্রসিকিউশন দপ্তর থেকে গ্রেপ্তারের বিষয়টি আজকের পত্রিকাকে নিশ্চিত করা হয়েছে।
বিএনপি ও সমমনাদের ডাকা ৪৮ ঘণ্টার হরতাল শুরুর আগের রাতে ৫ জানুয়ারি দিবাগত রাত ৯টার দিকে রাজধানীর গোপীবাগে যশোরের বেনাপোল থেকে ছেড়ে আসা ঢাকাগামী বেনাপোল এক্সপ্রেস ট্রেনটিতে চলন্ত অবস্থায় আগুন দেওয়া হয়। আগুনে দুই নারী, এক শিশুসহ অন্তত চারজনের মৃত্যু হয়।
অগ্নিকাণ্ডের ঘটনার পরপরই ৫ জানুয়ারি রাতে রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে নবী উল্লাহ নবীসহ পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ। ওই মামলায় কারাগারে থাকা অবস্থায় নবীকে বাস পোরানোর মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হলো।

হাসনাত আবদুল্লাহ শুরুতেই লিখেছেন, ‘মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বিরোধী দলকে বিদ্যুৎ সমস্যা সমাধানের পরিকল্পনা প্রদানের জন্য ছয় মাসের আলটিমেটাম দিয়ে চ্যালেঞ্জ দিয়েছেন। আমরা চ্যালেঞ্জ গ্রহণ করলাম এবং সমাধান-পরিকল্পনা প্রস্তাব করছি...
৭ ঘণ্টা আগে
আজ আমাদের জন্য একটা আনন্দের দিন যে, এই দিনে সেই নেত্রী (খালেদা জিয়া) জন্ম নিয়েছিলেন। যিনি বাংলাদেশের ভাগ্যের সঙ্গে জড়িয়ে গিয়েছিলেন এবং বাংলাদেশে বারবার তিনি নেতৃত্ব-সংগ্রামের মধ্য দিয়ে গণতন্ত্র ফিরিয়ে নিয়ে এসেছেন। তিনি বাংলাদেশকে সমৃদ্ধ করবার সংগ্রামে নেতৃত্ব দিয়েছেন...
৯ ঘণ্টা আগে
মুক্তিযুদ্ধের পর যে গণতান্ত্রিক ও প্রগতিশীল রাষ্ট্রব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার আকাঙ্ক্ষা জনগণের মধ্যে তৈরি হয়েছিল, তা বাস্তবায়িত হয়নি। সেই রাজনৈতিক ও সামাজিক পরিস্থিতির মধ্যেই একটি প্রতিক্রিয়াশীল পটপরিবর্তনের লক্ষ্যে ১৫ আগস্টের হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও তাঁর পরিবারের সদস্যদের হত্যা
১০ ঘণ্টা আগে
২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ৩২ নম্বরে বঙ্গবন্ধু ভবন গুঁড়িয়ে দেওয়া, বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্য ম্যুরাল গুঁড়িয়ে দেওয়ার ঘটনাই প্রমাণ করে ১৫ আগস্ট ও ৫ আগস্ট সেই একই রাজনৈতিক শক্তি বাংলাদেশের জন্মশত্রু-চিরশত্রুদের কাজ। তারা বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে পরাজয়ের প্রতিশোধ নিচ্ছে, প্রতিহিংসা চরিতার্থ করছে...
১০ ঘণ্টা আগে