সব জল্পনা সরিয়ে গত মাসে কাগুজে বিয়ে সারেন অভিনেতা পরমব্রত চট্টোপাধ্যায় ও মানসিক স্বাস্থ্যকর্মী পিয়া চক্রবর্তী। এরপর থেকেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে হয়েছে বেশ চর্চা। হয়েছে নানা ধরনের ট্রল-মিম। এই বিয়ের ঘটনায় নেটিজেনদের তোপের মুখে পড়েন পরম-পিয়া। সবখানে প্রশ্ন, এমনটা কী করে করলেন তাঁরা? এবার সেই সব প্রশ্নের উত্তর দিলেন পরমব্রত চট্টোপাধ্যায়।
অনুপম রায় ও তাঁর স্ত্রী পিয়া চক্রবর্তী বিচ্ছেদ ঘোষণার পর থেকেই তৃতীয় ব্যক্তি হিসেবে সামনে আসে পরমব্রত চট্টোপাধ্যায়ের নাম। পিয়া ও পরমব্রতর ঘনিষ্ঠতার কারণেই নাকি বিচ্ছেদের সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন অনুপম-পিয়া—এমন কথাও ছড়িয়েছিল। তবে পিয়ার সঙ্গে সম্পর্ক নিয়ে কখনো প্রকাশ্যে কোনো কথা বলেননি তিনি। বরং সব সময় এড়িয়েই গেছেন। অনুপম-পিয়ার বিচ্ছেদের দু’বছর পর পরমব্রতর সঙ্গে পিয়ার বিয়ে যেন আলোচনার জন্ম দিয়েছে।
মধুচন্দ্রিমা চলাকালীন এ বিষয়ে একটি সাময়িক পত্রিকার সঙ্গে কথা বলেছেন পরমব্রত। সে সাক্ষাৎকার তুলে ধরেছে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এই সময়। বরাবরই অকপট পরমব্রত কোনো কিছু নিয়েই খুব একটা রাখঢাক রাখেন না কখনোই। এমনকি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে যে তিনি খুব একটা সক্রিয় নন, সে কথাও সবার জানা। তবে নিজেকে এতটুকু জাস্টিফাই করতে চাননি অভিনেতা।
বরং, একেবারে স্পষ্ট করে বলেছেন, ‘সম্পর্ক নিয়ে মানুষ সব সময় যেভাবে ভাবেন বা বিচার করেন তেমনটা নাও হতে পারে। আর কোনো সম্পর্কের মাপকাঠি সোশ্যাল মিডিয়া কখনোই হতে পারে না। তাই তাদের দৃষ্টিভঙ্গি কী এসবে আমার কিছু যায়-আসে না।’
অভিনেতা আরও জানান, এই পুরো বিষয়ে যে কটা নাম জড়িয়েছে অনুপম, ইকা বা পিয়া তাঁরা সকলেই আমার আপনজন। প্রত্যেকেই প্রাপ্তবয়স্ক। তাই সেই সম্মান বজায় রাখাটা বর্তমান এবং ভবিষ্যৎ সবকিছুর জন্যই ভীষণভাবে জরুরি। তবে সম্পর্কে সম্মান থাকা প্রয়োজন। একে অন্যকে ভালোবেসে ঘর বাঁধা নিয়ে কে কী বলল, তাতে কিছুই যায়-আসে না।
এদিকে ভারতের আরেক সংবাদমাধ্যম নিউজ ১৮ ’র সঙ্গে বিয়ের পরের অভিজ্ঞতা শেয়ার করেছেন পরম। তিনি বলেন, ‘বিয়ের পর এমন একটা অদ্ভুত সিচুয়েশনের মধ্যে আমি রয়েছি যা বলে বোঝানোর নয়। একদিকে যেমন শুভকামনা ও আমাদের বিবাহিত জীবন সুখী হওয়ার শুভেচ্ছা আসছে, অন্যদিকে ট্রলিংয়ের বন্যা বয়ে যাচ্ছে। নানা ধরনের নানা রকমের ট্রলিং।
পরমব্রত আরও বলেন, ‘কী করব, কী বলব, ঠিক বুঝে উঠতে পারছি না। কারণ আমি ট্রলিং ফলো করি না এবং সেই সময়ও আমার নেই। তবে কাছের মানুষদের কাছ থেকে, বন্ধুবান্ধবদের কাছ থেকে সেগুলো শুনতে পাচ্ছি এবং অদ্ভুত একটা অনুভূতি হচ্ছে যা বলে বোঝাতে পারব না। আবার বহু প্রিয় মানুষ, বন্ধুবান্ধব অনুরাগীরা আমার নতুন জীবনের জন্য শুভেচ্ছা জানাচ্ছেন। প্রথম একটা সপ্তাহ এই শুভেচ্ছা ও ট্রলিংয়ের ব্যালেন্সটা সামলাতেই চলে গেল। তারপর বাইরে ঘুরতে গিয়েছিলাম খুব ভালো সময় কাটিয়েছি। সবেমাত্র ফিরেছি। তবে সবকিছুকেই আমি খুব স্পোর্টিংলি নিয়ে থাকি।’

ক্রিটেক মাঠের পাশাপাশি দাদাগিরি দিয়ে উপস্থাপনাতেও নিজেকে প্রমাণ করেছেন সৌরভ গাঙ্গুলী। দাদাগিরি মানেই সৌরভ গাঙ্গুলী—দর্শকের কাছে এটাই সমার্থক হয়ে উঠেছিল। স্বাভাবিকভাবেই তাই নার্ভাস ছিলেন দেব। প্রথমত, নতুন অধ্যায়। দ্বিতীয়ত, বিগত এক দশকে সৌরভের লিগ্যাসি।
১৬ ঘণ্টা আগে
কথাসাহিত্যিক সাদাত হাসান মান্টোর ছোটগল্প ‘ঠান্ডা গোশত’ থেকে অনুপ্রাণিত হয়ে নির্মিত হচ্ছে স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র ‘ঠান্ডা গোশত ২.০’। পরিচালনা ও প্রযোজনা করছেন শাহ নেওয়াজ খান সিজু ও সুমাইয়া আরজু মুহু। সম্প্রতি রাজধানীর বিভিন্ন লোকেশনে শেষ হয়েছে চলচ্চিত্রটির শুটিং।
১৯ ঘণ্টা আগে
চার বছর আগে মুক্তির আগে গান দিয়ে ঝড় তুলেছিল হাওয়া। হাশিম মাহমুদের লেখা সাদা সাদা কালা কালা গানটি ছড়িয়ে পরেছিল দেশজুড়ে। সেই উন্মাদনা দেখা গিয়েছিল মুক্তির পর। সিনেপ্লেক্স থেকে শুরু করে সিঙ্গেলস্ক্রিন সব জায়গায় ছিল দর্শকের লম্বা ভিড়। বিদেশেও রেকর্ড ব্যবসা করে সিনেমাটি।
২১ ঘণ্টা আগে
খুন, জখম, রক্তের বন্যা, হিংসা, গদির লোভ ও ক্ষমতার লড়াইয়ের এই গল্প এবার দেখা যাবে নতুন আঙ্গিকে। গতকাল প্রকাশ পেল ‘মির্জাপুর দ্য মুভি’-এর টিজার প্রকাশ করে জানিয়ে দেওয়া হলো মুক্তির তারিখ। আগামী ৪ সেপ্টেম্বর প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পাবে মির্জাপুর দ্য মুভি।
১ দিন আগে