২০২৩ আইপিএলে ৫ ছক্কা মেরে কলকাতা নাইট রাইডার্সকে জিতিয়ে রীতিমতো সাড়া ফেলে দিয়েছিলেন রিংকু সিং। আহমেদাবাদের নরেন্দ্র মোদি স্টেডিয়ামে এপ্রিলে গুজরাট টাইটান্সের বিপক্ষে কলকাতা পেয়েছিল রুদ্ধশ্বাস এক জয়। সাত মাস পর এবার আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে ভারতকে তেমনই এক রোমাঞ্চকর জয় এনে দিয়েছেন রিংকু।
বিশাখাপত্তনমে গতকাল সিরিজের প্রথম টি-টোয়েন্টিতে মুখোমুখি হয় ভারত-অস্ট্রেলিয়া। অস্ট্রেলিয়ার দেওয়া ২০৯ রানের লক্ষ্যে ভারতের শেষ বলে দরকার ছিল ১ রান, হাতে ছিল ২ উইকেট। শন অ্যাবটের ওভারপিচড বলকে লং অনের ওপর দিয়ে বিশাল ছক্কা মেরেছেন রিংকু। কিন্তু এই ছক্কা ভারতের স্কোর বোর্ডে যোগ হয়নি। কারণ অ্যাবট নো বল করে ফেলেছেন। এই নো বলেই ভারত পেয়ে যায় জয়সূচক রান। আইসিসির ছেলেদের আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টি খেলার নীতির ১৬.৫. ১ অনুযায়ী, ‘যতক্ষণে ম্যাচের ফল এসেছে, ম্যাচটা সেখানেই শেষ। ১৬.১, ১৬.২ ও ১৬.৩. ১ অনুচ্ছেদে তা বলা হয়েছে। এরপর আর কিছু হতে পারে না।’ এ কারণেই রিংকুর ছক্কা যোগ করা হয়নি।
তবে নো বলেও রিংকুর ছক্কা যোগ হতে পারত তাঁর ক্যারিয়ার ও দলের স্কোরবোর্ডে। যদি তখন ভারতের জিততে ১ রানের বেশি দরকার হতো। আইসিসির খেলার নীতি অনুযায়ী, ‘ম্যাচ জয়ের জন্য পর্যাপ্ত রান ব্যাটাররা নেওয়ার আগে যদি বাউন্ডারি হয়, তাহলে পুরোটাই দলের স্কোরবোর্ডে যোগ হবে। যদি ব্যাটারের ব্যাট থেকে বাউন্ডারি আসে, তাহলে তাঁর স্কোর বোর্ডেও যোগ হবে।’
আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে এখন পর্যন্ত ৬ ম্যাচ খেলেছেন রিংকু। ৯৭ গড় ও ১৯৪ স্ট্রাইক রেটে ৩ ইনিংসে ব্যাটিং করে ৯৭ রান করেছেন। সর্বোচ্চ ৩৮ রান করেছেন এ বছরের আগস্টে আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে। আর ২০২৩ আইপিএলে কলকাতার জার্সিতে ১৪ ম্যাচে ৫৯.২৫ গড় ও ১৪৯.৫২ স্ট্রাইক রেটে করেছেন ৪৭৪ রান। ৪ ফিফটি করেছেন টুর্নামেন্টে।

কথায় আছে, চ্যাম্পিয়নরা পথ খুঁজে নেয়। আর্জেন্টিনা যেন আবারও সেটিই প্রমাণ করল। নির্ধারিত ৯০ মিনিটে জয়ের দরজা খুলেও বন্ধ হয়ে গিয়েছিল। অতিরিক্ত সময়েও একের পর এক আক্রমণ ব্যর্থ হচ্ছিল। সুইজারল্যান্ড ১০ জন নিয়েও বুক চিতিয়ে লড়ছিল। ঠিক তখনই আবির্ভাব হুলিয়ান আলভারেসের। ১১২ মিনিটে তাঁর অসাধারণ এক বা
২০ মিনিট আগে
লিওনেল মেসিকে আপনি হাসতে দেখেছেন। আবার কাঁদতেও দেখেছেন। কিন্তু রেফারির দিকে আঙুল উঁচিয়ে মেসির কথা বলার দৃশ্য অপরিচিতই বটে। কানসাসে আজ সুইজারল্যান্ডের বিপক্ষে কোয়ার্টার ফাইনালে আর্জেন্টাইন ফরোয়ার্ডকে দেখা গেছে ক্রুদ্ধ অবস্থায়।
৪০ মিনিট আগে
কোয়ার্টার ফাইনালে আর্জেন্টিনার জন্য মাঠের লড়াইটা কঠিনই চলছে। সেই লড়াইয়ের মাঝেই আরেকটি অস্বস্তিকর মুহূর্তের মুখোমুখি হন লিওনেল মেসি। দ্বিতীয়ার্ধে তাঁর ডান চোখের পাশে কেটে রক্ত পড়তে দেখা যায়, যদিও ঘটনাটি রেফারি জোয়াও পেদ্রো সিলভা পিনেইরোর নজর এড়িয়ে যায়।
৪৪ মিনিট আগে
মাত্র ১০ মিনিটেই এগিয়ে গিয়েছিল আর্জেন্টিনা। এরপর আরও ৮০ মিনিটের বেশি সময় ছিল সেমিফাইনালের টিকিট নিশ্চিত করার। কিন্তু সেই সময়টুকু যত গড়িয়েছে, ম্যাচ ততই আর্জেন্টিনার হাতছাড়া হয়েছে। সুইজারল্যান্ড ধৈর্য হারায়নি, বরং চাপ বাড়িয়েছে।শেষ পর্যন্ত ৬৭ মিনিটে দান এনদোয়ের গোলে সমতাও ফিরিয়েছে। ৭২ মিনি
১ ঘণ্টা আগে