বঙ্গোপসাগরে একটি লঘুচাপ সৃষ্টি হতে পারে আগামীকাল রোববার। এটি শেষ পর্যন্ত ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নিলে নাম হবে ‘মোখা’। আবহাওয়া অধিদপ্তর বলছে, এখনো লঘুচাপ তৈরি হয়নি। তবে এক দিনের মধ্যে এটি ভালোভাবে বোঝা যাবে।
সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টার পূর্বাভাসে আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, খুলনা, বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের দু-এক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা ও ঝোড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি বা বজ্রসহবৃষ্টি হতে পারে। সেই সঙ্গে কোথাও কোথাও বিক্ষিপ্তভাবে শিলাবৃষ্টি হতে পারে।
আবহাওয়া অধিদপ্তর জানায়, পশ্চিমা লঘুচাপের বর্ধিতাংশ পশ্চিমবঙ্গ ও তৎসংলগ্ন এলাকায় অবস্থান করছে। আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে দক্ষিণ-পূর্ব বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন এলাকায় একটি লঘুচাপ সৃষ্টি হতে পারে।
ঢাকা ও পার্শ্ববর্তী এলাকার জন্য দুপুর ১টা থেকে পরবর্তী ছয় ঘণ্টার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, আকাশ আংশিক মেঘলা থাকতে পারে। বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেই সঙ্গে দমকা হাওয়া বয়ে যেতে পারে।
গতকাল শুক্রবার দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল কক্সবাজারে ৩৬ দশমিক ৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস এবং সর্বনিম্ন তেঁতুলিয়ায় ১৯ দশমিক ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস। বিক্ষিপ্তভাবে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বৃষ্টি হয়েছে। সর্বোচ্চ বৃষ্টি হয়েছে ময়মনসিংহে, ৬৮৮ মিলিমিটার।
আরও পড়ুন:

মৌসুমি বায়ুর বিস্তারের সঙ্গে দেশের বেশির ভাগ অঞ্চলে কম-বেশি বৃষ্টি হচ্ছে। তাপমাত্রা কিছুটা কমলেও ভ্যাপসা গরম রয়ে গেছে। গতকাল মঙ্গলবার সবচেয়ে বেশি বৃষ্টি হয়েছে সিলেট জেলায় ৬৭ মিলিমিটার, আর সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল যশোরে ৩৬ দশমিক ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
৩ ঘণ্টা আগে
দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমি বায়ু (বর্ষা) বাংলাদেশের একাংশে প্রবেশ করেছে এবং আগামী তিন থেকে চার দিনের মধ্যে তা সারা দেশে বিস্তার লাভ করতে পারে। আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, মৌসুমি বায়ু বর্তমানে বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগ পর্যন্ত অগ্রসর হয়েছে।
১ দিন আগে
আর কয়েক দিন পর আসবে আষাঢ় মাস। শুরু হবে বর্ষাকাল। মৌসুমি বায়ুর বিস্তার ঘটছে। বাড়ছে বৃষ্টির মাত্রা। তাই প্রকৃতিতে এখনই মিলছে বর্ষার আগমনী বার্তা। গতকাল ঢাকাসহ সিলেট, চট্টগ্রাম, খুলনা ও বরিশাল অঞ্চলে মাঝারি থেকে ভারী বৃষ্টি হয়েছে।
২ দিন আগে
রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে। আজ রোববার রাত ১১টা ৩৬ মিনিটে এই ভূমিকম্প হয়। তাৎক্ষণিকভাবে কোনো ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি।
২ দিন আগে