পুরো দেশ উত্তপ্ত। প্রচণ্ড গরমে জনজীবন অতিষ্ঠ। এর মধ্যে গ্রামাঞ্চলগুলোতে দফায় দফায় লোডশেডিং। সব মিলিয়ে শুধু মানুষ নয়, পশুপাখিদের অবস্থাও সঙ্গিন। এ বছর দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড হয়েছে চুয়াডাঙ্গায়—৪২ দশমিক ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস। গতকাল শনিবার এ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়। তবে আজ রোববার দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা কিছুটা কম। চুয়াডাঙ্গা ও যশোরে দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে। এই দুই জেলায় তাপমাত্রা উঠেছিল ৪১ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
টানা ১৫ দিনের মতো চুয়াডাঙ্গা জেলায় দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হচ্ছে। আর আজ ঢাকায় সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৪০ দশমিক ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
আমাদের দেশের মানুষের এমন তাপমাত্রার সঙ্গে খাপ খাওয়ার অভিজ্ঞতা খুব কম। কিন্তু বিশ্বের অনেক দেশ রয়েছে তীব্র তাপপ্রবাহ যাদের নিত্যসঙ্গী। তীব্র তাপ তাদের আবহাওয়ার সাধারণ বৈশিষ্ট্য।
চলুন জেনে নেওয়া যাক আজকে (১৬ এপ্রিল) বিশ্বের সর্বোচ্চ তাপমাত্রার শহরগুলো:
সেনেগালের মাতাম শহর: সেনেগাল বিশ্বের সবচেয়ে উত্তপ্ত দেশের তালিকার প্রথম দিকেই রয়েছে। আজ দেশটির বেশ কয়েকটি শহরে তাপমাত্রা ছিল ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের ওপরে। এর মধ্যে মাতাম শহরে তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে সর্বোচ্চ ৪৫ দশমিক ৭ ডিগ্রি। শুধু এই শহরে নয়, দেশটির দুরবেল শহরে তাপমাত্রা ছিল ৪৫ ডিগ্রি, লিংগুরি শহরে ৪৪ দশমিক ৫ এবং তামবাকুন্ডায় সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৪৩ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
মালির কায়েস শহর: পরিবেশ ও আবহাওয়া-বিষয়ক বৈশ্বিক সংস্থা ওয়ার্ল্ড অ্যাটলাসের তথ্য অনুযায়ী, ২০২০ সাল পর্যন্ত বিশ্বের সবচেয়ে উত্তপ্ত দেশের তকমা ধরে রেখেছে মালি। উত্তর পশ্চিম আফ্রিকার এই দেশটিতে প্রায়ই তাপমাত্রা ৪৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত উঠে যায়। আজ এই দেশের কায়েস শহরে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৪৪ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। দেশটির কেনিবা শহরে তাপমাত্রা ছিল ৪২ দশমিক ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস, স্যান শহরে ছিল ৪৩ দশমিক ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
ভারতের গৌরপুর, হামিরপুর ও ঝাঁসি: পার্শ্ববর্তী দেশ ভারতের কয়েকটি শহরের তাপমাত্রা আজকের দিনে সর্বোচ্চের তালিকায় জায়গা করে নিয়েছে। এলাহাবাদ-গৌরপুর অঞ্চলে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৪৪ দশমিক ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস। হামিরপুর এবং ঝাঁসিতে তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৪৩ দশমিক ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা।
আরও খবর পড়ুন:

বঙ্গোপসাগরে তৈরি হওয়া নিম্নচাপটি গভীর নিম্নচাপে পরিণত হয়েছে। এর প্রভাবে কক্সবাজারে উপকূলীয় এলাকা এবং সমুদ্র বন্দরগুলোয় ঝোড়ো হাওয়া বয়ে যাওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। এই অবস্থায় চট্টগ্রাম, মোংলা ও পায়রা সমুদ্রবন্দর এবং কক্সবাজারে ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্ক সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।
২ ঘণ্টা আগে
বঙ্গোপসাগরে গভীর নিম্নচাপের প্রভাবে সাগর উত্তাল রয়েছে। এ অবস্থায় চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মোংলা ও পায়রা সমুদ্র বন্দরকে তিন নম্বর স্থানীয় সতর্ক সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে। আজ বুধবার এক সতর্ক বার্তায় এ তথ্য জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।
১৩ ঘণ্টা আগে
অল্প কিছুক্ষণ জোরে বৃষ্টি হলেই হাঁটুপানি। কোথাও ঘণ্টার পর ঘণ্টা, কোথাও আবার দিনের পর দিন জমে থাকে সেই পানি। তবে পূর্ব রামপুরার জামতলার কমিশনার রোডের বাসিন্দাদের দুর্ভোগ শুধু বৃষ্টির পানিতে সীমাবদ্ধ নয়। আকাশে মেঘ না থাকলেও অনেক সময় ড্রেনের ময়লা পানি উপচে উঠে ডুবে যায় সড়ক।
১ দিন আগে
আবহাওয়া অধিদপ্তরের আবহাওয়াবিদ তরিফুল নেওয়াজ কবির আজকের পত্রিকাকে বলেন, নিম্নচাপটি বর্তমানে পশ্চিম মধ্য বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন উত্তর পশ্চিম বঙ্গোপসাগর এলাকায় অবস্থান করছে। এটি আরও কিছুটা শক্তিশালী হতে পারে।
২ দিন আগে