মঙ্গলবার, ২৫ জুন ২০২৪

সেকশন

 

শ্রম আপিল ট্রাইব্যুনাল

চেয়ারম্যানের নিয়োগ বাতিল করতে চিঠি

আপডেট : ২৯ মার্চ ২০২৩, ১২:১২

ছবি: সংগৃহীত বিচারকাজে ব্যাপক অনিয়ম, মামলার নথি খুঁজে না পাওয়া, আইনজীবীদের সঙ্গে অসৌজন্যমূলক আচরণসহ নানা অভিযোগে নিয়োগ বাতিল হচ্ছে শ্রম আপিল ট্রাইব্যুনালের চেয়ারম্যান মো. ফারুকের। তাঁর নিয়োগ বাতিল করতে এরই মধ্যে শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সচিব বরাবর চিঠি দেওয়া হয়েছে আইন মন্ত্রণালয় থেকে। ৯ মার্চ এই চিঠি দেওয়া হয়। এর অনুলিপি দেওয়া হয়েছে সুপ্রিম কোর্টের রেজিস্ট্রার জেনারেলকেও।

জানতে চাইলে শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী বেগম মন্নুজান সুফিয়ান আজকের পত্রিকাকে টেলিফোনে বলেন, ‘চিঠির বিষয়ে আমার জানা নেই। আগে দেখতে হবে। অভিযোগ সঠিক হলে তো ব্যবস্থা নিতেই হবে।’

শ্রম আপিল ট্রাইব্যুনাল শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন। বাংলাদেশ শ্রম আইন, ২০০৬-এর ২১৮(৩) ধারা অনুযায়ী ট্রাইব্যুনালের চেয়ারম্যান পদে নিয়োগ পান সুপ্রিম কোর্টে কর্মরত অথবা অবসরপ্রাপ্ত বিচারক অথবা অতিরিক্ত বিচারক। দেশের বিদ্যমান ১৩টি শ্রম আদালতের আদেশ, রায়, দণ্ড ও রোয়েদাদের বিরুদ্ধে আপিল করার সুযোগ আছে শ্রম আপিল ট্রাইব্যুনালে। বর্তমানে চেয়ারম্যান হিসেবে আছেন হাইকোর্ট বিভাগের অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি মো. ফারুক (এম ফারুক নামে পরিচিত)। তিনি ২০২১ সালের ২১ জুন দুই বছরের জন্য শ্রম আপিল ট্রাইব্যুনালের চেয়ারম্যান হিসেবে নিয়োগ পান।

শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ে পাঠানো আইন মন্ত্রণালয়ের চিঠির একটি কপি হাতে এসেছে। ওই চিঠিতে বলা হয়েছে, ‘বয়স ও বার্ধক্য বিবেচনায় তাঁর পক্ষে শ্রম আপিল ট্রাইব্যুনালের কার্যক্রম যথাযথভাবে পরিচালনা করা সম্ভব হচ্ছে না মর্মে প্রতীয়মান হয়। এ ছাড়া লেবার কোর্ট বার অ্যাসোসিয়েশনের পত্র হতে দেখা যায়, গুরুত্বপূর্ণ এই শ্রম আপিল ট্রাইব্যুনালের নিয়মিত বিচার কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে। জনস্বার্থে শ্রম আপিল ট্রাইব্যুনালের বিচারিক কার্যক্রমে গতিশীলতা আনার লক্ষ্যে বর্তমান চেয়ারম্যান মো. ফারুকের নিয়োগ বাতিল করে 
একজন দক্ষ, কর্মঠ ও কর্মতৎপর চেয়ারম্যান নিয়োগ করা অত্যন্ত জরুরি।’ তাই শ্রম আপিল ট্রাইব্যুনালের চেয়ারম্যান অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি এম ফারুকের নিয়োগ বাতিল করতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য অনুরোধ করা হয় চিঠিতে।

যত অভিযোগ
শ্রম আপিল ট্রাইব্যুনালের চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে আইন মন্ত্রণালয়ের চিঠিতে নানা অভিযোগ তুলে ধরা হয়েছে। এতে বলা হয়, প্রায় দেড় বছর ধরে আপিল ট্রাইব্যুনালে সঠিক সময়ে ও নিয়মিত বিচারকার্য পরিচালনা করা হচ্ছে না। মামলার দৈনিক কার্যতালিকা হালনাগাদ না করার কারণে বিচারকাজে দীর্ঘসূত্রতা সৃষ্টি হওয়া, মামলার নথি খুঁজে না পাওয়া, আইনজীবীদের সঙ্গে অসৌজন্যমূলক আচরণসহ শ্রম আপিল ট্রাইব্যুনালের বিচারকার্যে ব্যাপক অনিয়ম পরিলক্ষিত হচ্ছে।

চিঠিতে আরও বলা হয়, লেবার কোর্ট বার অ্যাসোসিয়েশনের পক্ষে কার্যনির্বাহী কমিটি বিভিন্ন সময়ে অনিয়ম দূর করতে শ্রম আপিল ট্রাইব্যুনালের চেয়ারম্যানের সঙ্গে একাধিকবার আলোচনা করেছেন। শ্রম আপিল ট্রাইব্যুনালের চেয়ারম্যান সমস্যা সমাধানের কোনো উদ্যোগ না নেওয়ায় গত বছরের ১৪ নভেম্বর বারের সব সদস্য সাক্ষাৎ করলে চেয়ারম্যান তাঁদের সঙ্গে অসৌজন্যমূলক আচরণ করেন। বারের নেতাদের তিনি বলেন, তিনি যেমন আছেন সেভাবেই বিচারকার্য পরিচালনা করবেন। তাই শ্রম আপিল ট্রাইব্যুনালের বিচারকার্য দ্রুত নিষ্পত্তি, মামলাজট নিরসনসহ বর্তমান চেয়ারম্যানের অসহযোগিতা, অসৌজন্যমূলক আচরণ ও কার্যকলাপ থেকে পরিত্রাণের জন্য লেবার কোর্ট বার অ্যাসোসিয়েশন অনুরোধ করেছে।

মন্তব্য

আপনার পরিচয় গোপন রাখতে
আমি নীতিমালা মেনে মন্তব্য করছি।
Show
 
    সব মন্তব্য

    ইহাতে মন্তব্য প্রদান বন্ধ রয়েছে

    এলাকার খবর

     

    খাগড়াছড়ি পাহাড়ে রঙিন আম, বেশি দাম

    আশ্রয়ণের ঘর বরাদ্দ আছে, পরিবার নেই

    ধীরগতিতে নামছে পানি থামছে না নদীভাঙন

    ধানের দামে হতাশ দিনাজপুরের কৃষকেরা

    সাক্ষাৎকার

    চরিত্রের ব্যাপ্তি নিয়ে দর্শকের মতো আমিও হতাশ

    সাগর জাহানের নাটকে জোভান ও সাদিয়া

    আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন পেলেন পরীমণি 

    উত্তরা ব্যাংকে চাকরির সুযোগ

    যে শঙ্কায় বিয়ে করছেন না সালমান, জানালেন বাবা সেলিম খান

    বাগেরহাটে প্রতিপক্ষের হামলায় মাছ ব্যবসায়ী নিহত

    আজকের পত্রিকায় চাকরির সুযোগ

    সেমিফাইনাল করতে করতে ম্যাচই হারল বাংলাদেশ, আফগানরা গড়ল ইতিহাস