বেন স্টোকস হঠাৎ ওয়ানডেকে বিদায় জানানোর পর থেকেই এই সংস্করণের ভবিষ্যৎ নিয়ে আলোচনা চলছে। সাবেক ও বর্তমান অনেক ক্রিকেটার বলেছেন, সীমিত ওভারের সংস্করণটির ভবিষ্যৎ অন্ধকার। অন্যদিকে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি) এমনটা মানতে নারাজ। আইসিসির প্রধান নির্বাহী জিওফ অ্যালারডাইস জানিয়েছেন, ওয়ানডে ক্রিকেট নিয়ে কোনো শঙ্কা নেই। তবে আইসিসির মতামতের পরও ৫০ ওভারের ক্রিকেট নিয়ে আলোচনা বন্ধ হচ্ছে না। এবার মঈন আলী জানালেন, আগামী দুই-তিন বছরের মধ্যে ওয়ানডে ক্রিকেট হারিয়ে যাবে।
২০১৯ সালের বিশ্বকাপ জিতেছেন মঈন ওয়ানডেতেই। তিনি নিজেও খেলতে আগ্রহী তিন সংস্করণে। ওয়ানডে ক্রিকেটের জনপ্রিয়তা কমার পেছনে সীমিত ওভারের ক্রিকেটের একগুঁয়েমি ও দীর্ঘ সময়কে দায়ী করেছেন ইংলিশ অলরাউন্ডার। তাঁর মতে, খেলাটাতে নতুনত্বের অভাব ক্রিকেটারদের আগ্রহ কমিয়ে দিচ্ছে। তাই বাস্তবতা মেনে নিয়ে এই অলরাউন্ডার বলেছেন, ‘তিন সংস্করণে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট খেলাটা অবশ্যই ভালো। এতে কোনো দ্বিমত নেই। তবে এখন অনেক টুর্নামেন্ট হচ্ছে, যার কারণে অনেকে অবসর নিচ্ছে। ভবিষ্যতে এর মাত্রা বেড়ে যাবে। এই মুহূর্তে সংস্করণটির অবস্থা ভালো নয়। নতুন কিছু করা উচিত। আমার ভয় হচ্ছে, কয়েক বছরের মধ্যে না ওয়ানডে ক্রিকেট হারিয়ে যায়।’
মঈনের মতে, টেস্টের প্রতিও তরুণদের আগ্রহ কমেছে। টি-টোয়েন্টির শুরু থেকেই অন্য দুই সংস্করণের জনপ্রিয়তা কমে গেছে। ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগগুলোর জনপ্রিয়তা এতটাই বেড়েছে যে, ক্রিকেটাররা এখন দেশের হয়েও খেলতে চান না। কারণ এখন ক্রিকেটারেরা কম সময়েই বিশাল অর্থ আয় করতে পারেন সংক্ষিপ্ত সংস্করণের লিগগুলোতে। ৩৫ বছর বয়সী ক্রিকেটার বলেছেন, ‘তরুণ খেলোয়াড়েরা এখন আন্তর্জাতিক ক্রিকেট না খেলেও বিশাল অর্থ উপার্জন করতে পারেন। ফলে ওয়ানডে নিয়ে তাঁদের উদ্বেগ নেই। অথচ তারা টেস্ট ক্রিকেটের স্বাদ পাচ্ছে না, যা সবার কাছে সেরা। আবার অনেক ভালো খেলোয়াড়ও টেস্ট খেলতে পারছে না বলে হতাশ হচ্ছে না। কিন্তু ১০-১৫ বছর আগেও টেস্ট ক্রিকেট উত্তম ছিল।’

শেষ ষোলোর পর কোয়ার্টার ফাইনালের পালা। বোস্টনে আগামীকাল বাংলাদেশ সময় রাত ২টায় শুরু হবে ফ্রান্স-মরক্কো। এই ম্যাচ মাঠে গড়ানোর আগেই আলোচনায় আর্জেন্টিনা। অনেকেই হয়তো মনে করতে পারেন তুমুল আলোচিত-সমালোচিত আর্জেন্টিনা-মিসর ম্যাচের প্রভাব কি পড়ছে শেষ আটের প্রথম ম্যাচের ওপর? আসলে এখানে ব্যাপারটা অন্য কিছু।
১৩ মিনিট আগে
আর্জেন্টিনা-মিসর শ্বাসরুদ্ধকর শেষ ষোলোর ম্যাচের ৩-২ স্কোরকার্ড ছাপিয়ে আলোচনায় রেফারি ফ্রাঁসোয়া লেতেক্সিয়ে। জয়ের পরও তাই আর্জেন্টাইন ভক্ত-সমর্থকেরা অস্বস্তিতে পড়েছেন। লেতেক্সিয়ে আর্জেন্টাইনদের সুবিধা দিয়েছেন বলে সামাজিক মাধ্যমে এমন চর্চা চলছে। ফুটবল বিশ্লেষকদের মতে অনেকেই দ্বিধাদ্বন্দ্বে পড়েছেন। ক
১ ঘণ্টা আগে
পিছিয়ে থেকে ৩-২ গোলের জয়—আটলান্টায় গত রাতে শেষ ষোলোর ম্যাচে অবিশ্বাস্য জয়ের পর স্বাভাবিকভাবে উচ্ছ্বসিত আর্জেন্টিনা ফুটবল দল। মেসিকে কাঁধে তুলে উদ্যাপন করেছেন সতীর্থরা। কিন্তু ৩-২ গোলের ফল যে সবকিছু নয়, সেটা গত রাতে যাঁরা ম্যাচ দেখেছেন, নিশ্চয় বুঝতে পেরেছেন। ম্যাচের একেবারে শেষভাগে এসে রেফার
২ ঘণ্টা আগে
কিছু দল আছে, যারা প্রতিপক্ষকে উড়িয়ে দিয়ে নয়, বরং সুযোগের অপেক্ষা করে ঠিক সময়ে আঘাত হানার। ২০১০ বিশ্বকাপজয়ী স্পেনও এমনই ছিল। ১৬ বছর পর সেই পুরোনো চেহারার আরেকটি ঝলক দেখা গেল ডালাসে। পর্তুগাল শেষ পর্যন্ত লড়াই করেছে, ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোও সুযোগের অপেক্ষায় ছিলেন। কিন্তু বিশ্বাসে ভর করে শেষ হাসি
৩ ঘণ্টা আগে