
পিছিয়ে থেকে ৩-২ গোলের জয়—আটলান্টায় গত রাতে শেষ ষোলোর ম্যাচে অবিশ্বাস্য জয়ের পর স্বাভাবিকভাবে উচ্ছ্বসিত আর্জেন্টিনা ফুটবল দল। লিওনেল মেসিকে কাঁধে তুলে উদ্যাপন করেছেন সতীর্থরা। কিন্তু ৩-২ গোলের ফল যে সবকিছু নয়, সেটা গত রাতে যাঁরা ম্যাচ দেখেছেন, নিশ্চয় বুঝতে পেরেছেন। ম্যাচের একেবারে শেষ ভাগে এসে রেফারির সঙ্গে কথা-কাটাকাটি হয় মিসরের কোচিং স্টাফদের।
মিসরের দুই কোচ হোসাম হাসান ও ইব্রাহিম হাসানের সঙ্গে রেফারি ফ্রাঁসোয়া লেতেক্সিয়ের বাগ্বিতণ্ডা শুধু এখানেই থেমে থাকেনি, সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিওতে দেখা যায়, ম্যাচ শেষে লিওনেল স্কালোনি দ্রুতগতিতে একাই ড্রেসিংরুমের দিকে যাচ্ছিলেন। ভিড়ের মধ্য দিয়ে যাওয়ার পর স্কালোনি পাশ কাটিয়ে যান সহকারী কোচ ইবরাহিমকে। তখনই তাঁকে (স্কালোনি) খুব কাছ থেকে দেখতে পান হোসাম। হোসাম, ইবরাহিম—দুজনই ক্ষুব্ধ অবস্থায় থাকায় স্কালোনি তাঁদের পাশ কাটিয়ে চলে যান।
স্কালোনি চলে গেলেও থেমে থাকেননি হোসাম। আর্জেন্টিনার কোচের পিছু নিতে থাকেন তিনি। স্কালোনির দিকে তাকিয়ে উচ্চস্বরে কিছু বলতে থাকেন হোসাম। মিসরের কোচ অপেক্ষায় ছিলেন স্কালোনি কোনো প্রতিক্রিয়া দেখান কি না, তা দেখার জন্য। আর্জেন্টাইন কোচ তাতে বিচলিত না হয়ে নিজের মতো এগোতে থাকেন। এতে ক্ষুব্ধ হয়ে হোসামের মিসরীয় সহকর্মী পেছন থেকে উল্টাপাল্টা বলতে থাকেন স্কালোনির উদ্দেশে। পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠার আশঙ্কায় উপস্থিত ব্যক্তিরা চিন্তিত হয়ে পড়েন এবং একজন দ্রুত ছুটে এসে দুজনের (স্কালোনি-হোসাম) মাঝখানে দাঁড়ানোর চেষ্টা করেন।
যে ব্যক্তি ভিডিও করছিলেন, তাঁর মোবাইল ফোনের ক্যামেরা জুম করা হলে হোসানের উদ্ধত আচরণ আরও স্পষ্টভাবে দেখা যায়। তবে স্কালোনির প্রতিক্রিয়া পুরোপুরি দেখা যায়নি। কারণ, ভিডিও শেষ হয়ে গিয়েছিল। আর্জেন্টিনা ও মিসরের কোচদের বাগ্বিতণ্ডা নিয়ে আর্জেন্টিনার সংবাদমাধ্যম টিওয়াইসি স্পোর্টস প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, স্কালোনি সম্ভবত উল্টো দিকে ফিরে যাচ্ছিলেন।
হারের পর মিসরের কোচ হোসাম ও ফরোয়ার্ড জিকো ক্ষোভ ঝেড়েছেন। হোসাম বলেন, ‘আমার একটি গোল বাতিল করা হয়েছে। আমি জানি না কেন। এটা ন্যায্য নয়। মনে হচ্ছে, মেসিকে টুর্নামেন্টে এগিয়ে রাখার একটা ইচ্ছা আছে; এখানে বিপণনের বিষয়ও রয়েছে। হয়তো তারা বর্তমান বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন। রেফারি মিসর জাতীয় দলের প্রতি অবিচার করেছেন। তবে ফুটবলের বাইরেও অন্য কিছু বিষয় ছিল, যেগুলো এই হারের কারণ হয়েছে।’
এমনকি ম্যাচের আগে আর্জেন্টিনা ফরাসি রেফারি লেতেক্সিয়ের ওপর চাপ সৃষ্টি করেছিলেন বলে অভিযোগ করেন মিসরের কোচ। ফরোয়ার্ড জিকো বলেন, ‘রেফারি (ন্যায্য নন) একটি পুরো দেশের পরিশ্রম নষ্ট করে দিচ্ছেন। তিনি আমাদের লক্ষ্য করছেন; কারণ, আমরা যাতে আর্জেন্টিনাকে হারাতে না পারি! একটি সাজানো টুর্নামেন্ট। এই কাপটা আর্জেন্টিনার জন্যই নির্ধারিত।’
কোয়ার্টার ফাইনালে আর্জেন্টিনা খেলবে সুইজারল্যান্ডের বিপক্ষে। ভ্যাঙ্কুভারে গত রাতে কলম্বিয়াকে টাইব্রেকারে ৪-৩ গোলে হারিয়েছে সুইসরা। ১২ জুলাই কানসাসে বাংলাদেশ সময় সকাল ৭টায় শুরু হবে আর্জেন্টিনা-সুইজারল্যান্ড কোয়ার্টার ফাইনালের ম্যাচ।

বিশ্বকাপের ফাইনালে আগামী ১৯ জুলাই নিউইয়র্ক নিউজার্সিতে আর্জেন্টিনার বিপক্ষে খেলতে নামবে স্পেন। ইংল্যান্ডকে হারিয়ে ফাইনালে ওঠা আলবিসেলেস্তেদের সামনে এবার ইউরোপিয়ান চ্যাম্পিয়নদের চ্যালেঞ্জ। শিরোপা নির্ধারণী এই লড়াইয়ের আগে দুই দলের মুখোমুখি পরিসংখ্যান বলছে, কেউই কারও চেয়ে এগিয়ে নেই।
৩ ঘণ্টা আগে
বিশ্বকাপের ফাইনালের অপেক্ষায় আর্জেন্টিনা। স্পেনের বিপক্ষে ম্যাচটা জিততে পারলেই টানা দ্বিতীয়বারের মতো বিশ্বকাপ শিরোপা ঘরে তুলবে আলবিসেলেস্তেরা। ইংল্যান্ডকে ২-১ গোলে হারিয়ে ফাইনালে ওঠার উচ্ছ্বাসে যখন ভাসছে পুরো দল, তখন লিওনেল মেসিকে ঘিরে আবেগঘন এক মুহূর্ত ধরা পড়েছে উদযাপনের মাঝেই।
৪ ঘণ্টা আগে
ইংল্যান্ডকে ২-১ গোলে হারিয়ে বিশ্বকাপের ফাইনালে উঠেছে আর্জেন্টিনা। ৪০ বছর আগের স্মৃতি যেন আবারও ফিরে এল আর্জেন্টাইন ফুটবলে। সেই আবেগঘন মুহূর্তের সাক্ষী ছিলেন ১৯৮৬ বিশ্বকাপজয়ী দলের গোলরক্ষক নেরি পুম্পিদো। আটলান্টার স্টেডিয়ামে বসে দলের জয় দেখার পর আবেগ ধরে রাখতে পারেননি তিনি। বিশ্বকাপ জয়ী ফুটবলারের বিশ
৪ ঘণ্টা আগে
ইংল্যান্ডের বিপক্ষে বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে একটি মুহূর্তকেই মোড় ঘুরিয়ে দেওয়ার ঘটনা হিসেবে দেখছেন লিওনেল মেসি। ১-১ গোলে সমতা ফেরার পর আর্জেন্টিনা বুঝতে পেরেছিল, প্রতিপক্ষের খেলোয়াড়রা আর আগের মতো লড়াইয়ের অবস্থায় নেই। সেই আত্মবিশ্বাস থেকেই শেষ পর্যন্ত জয় তুলে নেওয়ার বিশ্বাস তৈরি হয়েছিল বলে জানিয়েছেন মেস
৫ ঘণ্টা আগে