লিওনেল মেসি বার্সেলোনা ছেড়ে পিএসজিতে (প্যারিস সেন্ট জার্মেই) গিয়ে এর মধ্যে এক মৌসুম কাটিয়ে দিয়েছেন। কিন্তু তাঁর ক্লাব ছাড়ার ফলটা বার্সায় এখনো টাটকা। মেসির শূন্যতা যে এখনো পূর্ণতা পায়নি তা অকপটে স্বীকার করেছেন ক্লাব সভাপতি হুয়ান লাপোর্তা।
মেসির অবদানকে স্মরণীয় করে রাখতে বার্সেলোনা উদ্যোগ নিয়েছে। এ বিষয়ে ক্লাব সমাবেশে লাপোর্তা বলেছেন, ‘মেসির বিদায় আমাকে কষ্ট দিয়েছে। সে ২০ বছরে আমাদের অনেক গৌরবময় অর্জন এনে দিয়েছে। এজন্য আমরা তাকে সম্মান জানাতে চাই। আর এটা খুব শিগগির হতে পারে। তাকে ছাড়া ক্লাবের এত বছরের অর্জন চিন্তা করা যায় না। সে আমাদের সবকিছু দিয়েছে। তাই আমার কাছে মেসি সব সময় বার্সেলোনার।’
মেসির বিদায়ের পর বার্সেলোনা যে তাঁর শূন্যতা পূরণ করতে পারেনি, সে কথা স্বীকার করে ক্লাব সভাপতি লাপোর্তা বলেছেন, ‘সে ছিল এই দলের মূল ভিত্তি। যতক্ষণ না আমরা এর সমাধান করতে পারছি, এটা আমাকে কষ্ট দিচ্ছে। আশা করি আপনারা সমাধানের বিষয়ে পরামর্শ দেবেন। আর যা-ই ঘটুক না কেন, সে যা করেছে তা চিরন্তন।’
গত আগস্টে মেসি পিএসজিতে নাম লেখালে ২০ বছরের সম্পর্ক ছিন্ন হয় বার্সেলোনার সঙ্গে। একটা পর্যায়ে দুই পক্ষ চুক্তির সমঝোতায় এলেও শেষ পর্যন্ত তা ব্যর্থ হয়েছে লা লিগার আর্থিক নিয়মকাঠামোর কারণে। মেসিও পিএসজিতে গিয়ে নিজেকে এখনো সেভাবে মেলে ধরতে পারেননি। অন্যদিকে এই মৌসুমটা বার্সার ভালো যায়নি।

রেকর্ড বইয়ের পাতাগুলো যেন নিজের মনের মতো নতুন করে লিখলেন লিওনেল মেসি। অস্ট্রিয়ার বিপক্ষে ২-০ গোলের জয়ে আর্জেন্টিনা যখন এক ম্যাচ হাতে রেখেই বিশ্বকাপের নকআউট পর্ব নিশ্চিত করল, ডালাস তখন রূপ নিলো শুধুই ইতিহাস গড়ার মঞ্চে। জোড়া গোলে জার্মানির মিরোস্লাভ ক্লোসাকে টপকে বিশ্বকাপের সর্বোচ্চ গোলদাতার সিংহাসনে
২৬ মিনিট আগে
তবে সব বাধা পেরিয়ে পূর্ণ পয়েন্ট পাওয়ায় স্বস্তি প্রকাশ করে অধিনায়ক যোগ করেন, ‘সব কিছুর ঊর্ধ্বে এই জয়টাই আমাকে সবচেয়ে বেশি আনন্দ দিচ্ছে। ম্যাচটি আমাদের জন্য ভীষণ গুরুত্বপূর্ণ ছিল, একই সঙ্গে ছিল বেশ কঠিন ও তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ। সামনের পথচলার জন্য এই জয় আমাদের মনে বড় একটা স্বস্তি দেবে। সবচেয়ে গু
১ ঘণ্টা আগে
আর্জেন্টিনাকে নকআউটে পৌঁছে দিতে পেরে মেসিও বেশ খুশি, ‘সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো পরের রাউন্ড নিশ্চিত করা, আর প্রতিটি ম্যাচ জেতা তো সবসময়ই আমাদের পরিকল্পনায় থাকে। আমাদের পুরো দলটাই ভীষণ আনন্দের সঙ্গে এই মুহূর্তগুলো উপভোগ করছে। আমরা যখনই একত্রিত হই—মাঠে লড়াই করা, অনুশীলন করা, আমাদের প্রাত্যহিক জীবন
১ ঘণ্টা আগে
দিয়েগো ম্যারাডোনার সেই অবিস্মরণীয় ‘হ্যান্ড অব গডের’ ৪০ বছর পূর্তির দিনে ফুটবল বিধাতা ডালাসে আরও একটি মহাকাব্য লেখার প্রস্তুতি রেখেছিলেন। গ্যালারিজুড়ে তখন আর্জেন্টিনার বিখ্যাত ‘মুচাচোস’ গানের সুর, আর হাজারো ভক্তের চোখে ইতিহাস ছোঁয়ার রোমাঞ্চ। সেই রোমাঞ্চ আর নাটকীয়তার ভেলায় চড়ে শেষ পর্যন্ত হাসল আলবিসেল
২ ঘণ্টা আগে