সিলেটের জৈন্তাপুরে টিলা ধসে একই পরিবারের চারজন নিহত হয়েছেন। এ ছাড়া আহত হয়েছেন আরও আটজন। আজ সোমবার ভোর ৫টার দিকে উপজেলার চিকনাগুল ইউনিয়নের পূর্ব সাতজনি গ্রামে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহতরা হলেন—পূর্ব সাতজনি গ্রামের আব্দুল করিমের ছেলে জুবায়ের আহমদ (৩৫), তাঁর স্ত্রী মোছা. সুমি বেগম (৩০), জুবায়ের আহমদের ছেলে সাফি আহমদ (৫), এবং জুবায়ের আহমদের ভাই মাওলানা রফিক আহমদের স্ত্রী মোছা. শামীমা বেগম (৪৮) ৷ আহতরা হলেন—আব্দুল করিম (৮০), খয়রুন নেছা (৭৫), মাওলানা রফিক আহমদ (৬০), ফাইজা বেগম (২০), লুৎফা বেগম (২০), রাফিউল ইসলাম (১০), মেহেরুন নেছা (৪০) এবং হাম্মাদ (৩)।
বিষয়টি আজকের পত্রিকাকে নিশ্চিত করেছেন জৈন্তাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) গোলাম দস্তগীর আহমদ।
স্থানীয়রা জানান, সোমবার ভোর ৫টায় জৈন্তাপুর উপজেলার চিকনাগুল ইউপির ৮ নম্বর ওয়ার্ডের পূর্ব সাতজনি গ্রামে টিলা ধসের ঘটনাটি ঘটে ৷ এই ঘটনায় মাটিচাপা পড়ে একই পরিবারের ৪ জন নিহত হয়েছেন এবং ৮ জন গুরুতর আহত হয়েছেন। ঘটনার পরপরই এলাকাবাসী মসজিদের মাইকে ঘোষণা দিয়ে দ্রুত ছুটে এসে তাঁদের উদ্ধারকাজ শুরু করেন।
খবর পেয়ে সিলেট ফায়ার সার্ভিসের উপপরিচালক মনিরুজ্জামানের নেতৃত্বে জালালাবাদ ফায়ার সার্ভিস ইউনিটের সদস্য ও জৈন্তাপুর থানা-পুলিশের টিম ঘটনাস্থলে গিয়ে উদ্ধারকাজ শুরু করে। এ সময় তারা নিহতদের মরদেহ এবং আহতদের উদ্ধার করে। আহতদের সিলেট শহরের হাসপাতালে পাঠানো হয়।
সিলেট ফায়ার সার্ভিসের উপপরিচালক মনিরুজ্জামান আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘সংবাদ পেয়ে দ্রুত দুটি ইউনিট নিয়ে উদ্ধারকাজ করি ৷ এ ঘটনায় একই পরিবারের ৪ জন নিহত হয়েছেন এবং ৮ জন আহত হয়েছেন।’
জৈন্তাপুর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) গোলাম দস্তগীর আহমদ আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে এলাকাবাসী ও ফায়ার সার্ভিসের সহায়তায় ৫ জনকে আহতাবস্থায় এবং ৪ জনকে মৃত উদ্ধার করা হয়েছে ৷ মৃতদের সুরতহাল তৈরি করে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের অনুমতিক্রমে দাফনের ব্যবস্থা করা হচ্ছে ৷ এ ছাড়া আহতদের সুচিকিৎসা নিশ্চিত করা হচ্ছে।’
স্থানীয়রা বলছেন, পূর্ব সাতজনি গ্রামে আরও ১০-১২টি পরিবার ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় বসবাস করছে। যেকোনো সময় তারা দুর্ঘটনার শিকার হতে পারেন। গত দুই দিনে একই এলাকায় দুটি স্থানে পাহাড় ধসের ঘটনা ঘটেছে। তবে সেসব ঘটনায় কোনো হতাহত হয়নি।

চন্দনাইশের ধোপাছড়ি ইউনিয়নের চিরিংঘাটা পয়েন্টে কয়েক দিন ধরে প্রকাশ্যে খননযন্ত্র (ড্রেজার) মেশিন বসিয়ে ব্যাপকভাবে বালু উত্তোলন করছে অসাধু ব্যক্তিরা। স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, কোনো প্রকার সরকারি অনুমোদন ছাড়াই প্রতিদিন হাজার হাজার ঘনফুট বালু তুলে বিভিন্ন স্থানে সরবরাহ করা হচ্ছে।
১ ঘণ্টা আগে
ঈদুল ফিতর সমাগত হলেও উত্তরাঞ্চলের কৃষকদের মনে নেই উৎসবের আনন্দ। আছে শুধু লোকসানের হিসাব আর অনিশ্চয়তার দীর্ঘশ্বাস। মাঠজুড়ে কষ্টে ফলানো আলুর ন্যায্য দাম না পেয়ে দিশেহারা হয়ে পড়েছেন হাজারো কৃষক। উৎপাদন খরচ যেখানে কেজিতে ১৫-১৬ টাকা, সেখানে বাজারদর নেমে এসেছে ৯-১০ টাকায়; তা-ও মিলছে না ক্রেতা।
২ ঘণ্টা আগে
সমাজকল্যাণ এবং মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রী এ জে এম জাহিদ হোসেন বলেছেন, টাকার অভাবে শিক্ষা ও চিকিৎসাসেবা ব্যাহত হবে না। কেউ সংকটে পড়লে তা প্রশমনে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। আজ বুধবার (১৮ মার্চ) বিকেলে বিরামপুরে এক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
৩ ঘণ্টা আগে
জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী বলেছেন, ‘নদীর কোল ঘেঁষে চাঁদপুর জেলা গড়ে উঠেছে। তাই খাল খননের পাশাপাশি নদীগুলো রক্ষা করতে হবে। নদী রক্ষা না হলে নদীর পাশের জেলাগুলো বিপদে পড়বে। আর এসব নদী থেকে পরিকল্পিতভাবে বালু উত্তোলন না করলে বসতি ভেঙে নদীতে যাবে।
৪ ঘণ্টা আগে