পাকিস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান দাবি করেছেন, আজাদি লংমার্চকে কেন্দ্র করে পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষে তাঁর পাঁচ কর্মী নিহত হয়েছেন। এ ছাড়া করাচি থেকে আরও তিনজন নিহতের খবর এসেছে বলে দাবি করেছেন তিনি। আজ বৃহস্পতিবার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে ডন।
ইমরান খান দাবি করেন, কাঁদানে গ্যাসে আহত একজন অ্যাটোক ব্রিজ থেকে নিচে পড়ে যান এবং একজনকে রাভি নদীতে ফেলে দেওয়া হয়।
গতকাল বুধবার থেকে পাকিস্তানের রাজধানী ইসলামাবাদের ডি-চকে তেহরিক-ই ইনসাফের (পিটিআই) সমর্থকেরা সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের অপেক্ষায় ছিলেন। আজ বৃহস্পতিবার সকালে ইমরান খান ইসলামাবাদে পৌঁছালে পিটিআইয়ের সমর্থকেরা গুরুত্বপূর্ণ এলাকা রেড জোনে প্রবেশ করেন।
ইমরান খান বলেন, ‘আমি সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম দাবি না মানা পর্যন্ত রেড জোনে অবস্থান করব। কিন্তু গত ২৪ ঘণ্টায় যা দেখলাম, তাতে মনে হচ্ছে সরকার দেশকে নৈরাজ্যের দিকে নিয়ে যেতে চাইছে। পুলিশ ও জনগণকে মুখোমুখি দাঁড় করাচ্ছে সরকার। ইসলামাবাদে সমর্থকদের নিয়ে অবস্থান করলে সরকার খুশিই হবে। কারণ এতে পুলিশ, সেনাবাহিনী এবং সাধারণ মানুষের মধ্যে বিভেদ বাড়বে এবং সংঘাত হবে।’
উল্লেখ্য, ইসলামাবাদ অভিমুখী লংমার্চ ঠেকাতে ইসলামাবাদসহ সারা দেশে সেনা মোতায়েন করেছিল পাকিস্তানের সরকার। গত বুধবার সকাল থেকে ‘আজাদি লংমার্চ’ শুরু হয়। দেশটির পেশোয়ার, লারকানা, লাহোর, খাইবার পাখতুনখাওয়াসহ বড়বড় সব শহর থেকেই বিপুল পরিমাণ ইমরান সমর্থক লংমার্চে যোগ দেন।
এই সম্পর্কিত পড়ুন:

আফ্রিকার সাহেল অঞ্চলে রাশিয়ার ক্রমবর্ধমান প্রভাব এখন এক বড়সড় হোঁচটের মুখে পড়েছে। গত মাসে উত্তর মালির কৌশলগতভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ শহর কিদাল থেকে রুশ বাহিনীর নাটকীয় প্রত্যাহার মস্কোর জন্য এক অপমানজনক পরাজয় হিসেবে দেখা হচ্ছে।
৪ ঘণ্টা আগে
গত ফেব্রুয়ারির শেষের দিকে শুরু হওয়া ইরান যুদ্ধের প্রভাবে বিশ্বজুড়ে বিমান চলাচলের জ্বালানি বা ‘জেট ফুয়েল’-এর দাম আকাশচুম্বী হয়েছে। বর্তমানে এর দাম যুদ্ধপূর্ব সময়ের তুলনায় প্রায় দ্বিগুণ বেড়ে প্রতি ব্যারেল ১৮১ ডলারে পৌঁছেছে।
৫ ঘণ্টা আগে
পাকিস্তানের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলীয় খাইবার পাখতুনখোয়া প্রদেশের বান্নু জেলায় ভয়াবহ গাড়িবোমা ও সশস্ত্র হামলায় অন্তত ১৫ জন পুলিশ সদস্য নিহত হয়েছেন। শনিবার গভীর রাতে একটি পুলিশ চেকপোস্টকে লক্ষ্য করে এই হামলা চালানো হয় বলে জানিয়েছে স্থানীয় পুলিশ কর্তৃপক্ষ।
৬ ঘণ্টা আগে
এএনআইকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ঋজু দত্ত বলেন, শুভেন্দু অধিকারী তৃণমূল কংগ্রেসের অন্তত ৫ হাজার কর্মীর জীবন বাঁচিয়েছেন। ৬ মে তাঁর পিএকে গুলি করে হত্যা করা হয়েছিল। তিনি যদি ওই রাতে বাংলায় প্রতিশোধ নেওয়ার ডাক দিতেন, তবে পাঁচ হাজার তৃণমূল কর্মী মারা পড়তেন...
৬ ঘণ্টা আগে