
ওয়ানডে দলের অধিনায়ক তামিম ইকবালের চাচা ও বিসিবির পরিচালক আকরাম খানের ছোট ভাই আকবর খান আর নেই (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।
বুধবার দিবাগত রাত ৩টা ৪০ মিনিটে আকবর মারা যান। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৪৫ বছর। তিনি দীর্ঘদিন ধরে অসুস্থ ছিলেন।
আকবরের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন তামিম ইকবাল। ফেসবুকে এক শোকবার্তায় তামিম লিখেছেন, ‘আমার ছোট চাচা আকবর খান আজ ভোরে আমাদের সবাইকে ছেড়ে চলে গেছেন। তিনি নিজেও একসময় ক্রিকেটার ছিলেন। অনেকেই হয়তো জানেন না, আমার প্রথম ক্রিকেট কোচ ছিলেন তিনিই। ক্রিকেটের মৌলিক শিক্ষার অনেকটুকুই আমি পেয়েছিলাম তাঁর কাছ থেকে। ক্রিকেট বলে আমার প্রথম ম্যাচটিও খেলেছিলাম তাঁর তত্ত্বাবধানে। ক্রিকেটের পথে আজ যত দূর আসতে পেরেছি, উনি যত্ন করে ভিত গড়ে দিয়েছিলেন বলেই।’
চাচার জন্য সবার কাছে দোয়া চেয়েছেন তামিম। তিনি লিখেছেন, ‘মহান আল্লাহ তায়ালা তাঁকে জান্নাতবাসী করুন। আমার চাচা ও তার পরিবারের জন্য সবার কাছে দোয়া প্রার্থনা করছি।’
এদিকে ভাইয়ের মৃত্যুর খবর জানিয়ে আকরাম খান বলেন, ‘রাত ৩টার দিকে তার মৃত্যু হয়। অনেক দিন ধরেই কিডনিজনিত সমস্যায় ভুগছিল। রাতে হার্টঅ্যাটাকে মৃত্যু হয়। বাদ আসর জানাজার পর আমাদের পারিবারিক কবর স্থানে দাফন হবে।’
২০০০ সালে বাবা ইকবাল খানকে হারান তামিম ইকবাল। এবার হারালেন তাঁকে ক্রিকেটের সরণিতে পৌঁছে দেওয়ার অন্যতম কারিগর ছোট চাচাকে।

নরসিংদীর রায়পুরায় সড়ক ও জনপথ (সওজ) বিভাগের এক উপসহকারী প্রকৌশলী ও তাঁর সঙ্গে থাকা কর্মীদের ওপর হামলার ঘটনায় থানায় মামলা হয়েছে। পরে একজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় প্রকৌশলীসহ অন্তত তিনজন আহত হয়েছেন।
১১ মিনিট আগে
খুলনা শহীদ সোহরাওয়ার্দী কলেজ ছাত্রদলের সভাপতি সাব্বির (২২) দুর্বৃত্তের ছুরিকাঘাতে গুরুতর জখম হয়েছেন। আজ সোমবার রাত পৌনে ১০টার দিকে নগরীর টুটপাড়া দরবেশ মোল্লা গলির সামনে অ্যাড. আইয়ুব আলীর বাড়ির সামনে এ ঘটনা ঘটে। আহত সাব্বির টুটপাড়া মুজাহিদ সড়কের বাসিন্দা শাহ আলমের ছেলে।
১৬ মিনিট আগে
সংসদ সদস্য ড. রেজা কিবরিয়ার স্ত্রী সিমি কিবরিয়াকে উপজেলা কর্মকর্তাদের মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথি করা নিয়ে চলছে আলোচনা-সমালোচনা। বিতর্কের মধ্যে বাহুবল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) লিটন চন্দ্র দে ও উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মাহবুবুল ইসলামকে বদলি করা হয়েছে।
২৭ মিনিট আগে
পানিসম্পদমন্ত্রী শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি বলেছেন, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান নিজে এসেছিলেন এই চৌক্কার খালে। তিনি স্বেচ্ছাশ্রমের মাধ্যমে সবাইকে একত্র করে নিজে কোদাল হাতে খাল খনন শুরু করেন। মাটি কেটেছেন। তাঁর তখন চিন্তা-ধারণার মধ্যে ছিল যে—এই খাল যখন খনন হবে, খালের দুই পাড়ে গাছ থাকবে।
৪০ মিনিট আগে