রাশিয়া ‘যেকোনো সময়’ বিমান হামলার মাধ্যমে ইউক্রেন আক্রমণের সূচনা করতে পারে বলে সতর্ক করেছে যুক্তরাষ্ট্র। এবং দেশটি মার্কিনিদের অবিলম্বে ইউক্রেন ত্যাগের পরামর্শ দিয়েছে। স্থানীয় সময় শুক্রবার হোয়াইট হাউস থেকে এই সতর্ক বার্তা দেওয়া হয়েছে। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি এ তথ্য জানিয়েছে।
হোয়াইট হাউস কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, বিমান হামলার মাধ্যমে রাশিয়া ইউক্রেনে হামলা চালাতে পারে শুরু হতে। এই হামলা দেশটি থেকে মার্কিনিদের প্রস্থানকে কঠিন এবং বেসামরিকদের জীবন বিপন্ন করে তুলতে পারে।
তবে ইউক্রেন সীমান্তের কাছে এক লাখেরও বেশি সেনা মোতায়েন সত্বেও মস্কো বারবার ইউক্রেন আক্রমণের পরিকল্পনা অস্বীকার করেছে।
এর আগে মার্কিন স্টেট ডিপার্টমেন্টের জারি করা এক বিজ্ঞপ্তিতে ইউক্রেনের মার্কিন দূতাবাসের অপ্রয়োজনীয় কর্মীদের দ্রুত কিয়েভ ছাড়ার নির্দেশ দেওয়া হয়। ওই বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, রবিবার থেকে দূতাবাসে দেওয়া সেবসমূহ স্থগিত থাকবে। তবে প্রয়োজনীয় কাজ এবং জরুরী অবস্থা মোকাবিলায় দেশটির পশ্চিমাঞ্চলীয় শহর লভিভ একটি ছোট কনস্যুলেটে মার্কিন দূতাবাসের সীমিত কিছু সেবা প্রদান করা হবে।
এদিক, ইউক্রেনকে ঘিরে ক্রমর্ধমান উত্তেজনার মধ্যেই দেশটি থেকে নিজ দেশের নাগরিকদের ফিরিয়ে নিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র, রাশিয়, ব্রিটেন এবং জার্মানির মতো দেশগুলো।

ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু দাবি করেছেন, তাঁর দেশ ‘আগের চেয়ে আরও শক্তিশালী হয়ে উঠছে।’ ইরানের সঙ্গে চলমান যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে তিনি এ মন্তব্য করেন। তাঁর দাবি, গত প্রায় দুই সপ্তাহের হামলায় ইরান মারাত্মক ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছে। তিনি বলেন, ‘ইরান আর আগের ইরান নেই।’
২ মিনিট আগে
হরমুজ প্রণালি দিয়ে জ্বালানি পরিবহন বন্ধ, উপসাগরীয় দেশগুলোয় সতর্কতার অংশ হিসেবে তেল ও গ্যাস উৎপাদন বন্ধের প্রভাব পড়তে শুরু করেছে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশগুলোয়। জ্বালানি সংকটের জেরে ফিলিপাইন সরকার দেশটিতে কর্মদিবস সপ্তাহে ৪ দিনে নামিয়ে এনেছে।
৬ ঘণ্টা আগে
ইরানের সঙ্গে মার্কিন-ইসরায়েলি জোটের যুদ্ধ এক গুরুত্বপূর্ণ সন্ধিক্ষণে এসে দাঁড়িয়েছে। ১৩ দিনের এই সংঘাতের প্রকৃতি পুরো বিশ্বব্যবস্থাকেই প্রশ্নের মুখে ফেলেছে। বিশেষজ্ঞরা বলেছেন, বৈশ্বিক নিরাপত্তাব্যবস্থা ও অর্থনীতিতে এই যুদ্ধের প্রভাব মধ্যপ্রাচ্যের সাম্প্রতিক অন্যান্য সংঘাতের তুলনায় অনেক বেশি বিস্তৃত।
৭ ঘণ্টা আগে
রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের ‘গোপন হাত’ ইরানকে সহায়তা করছে বলে মন্তব্য করেছেন যুক্তরাজ্যের প্রতিরক্ষামন্ত্রী জন হিলি। লন্ডনে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে হিলি জানান, মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন লক্ষ্যবস্তুতে ইরানি বাহিনীর হামলার ধরনে এমন কিছু বৈশিষ্ট্য রয়েছে, যা ইউক্রেন যুদ্ধে রুশ বাহিনীর কৌশলের
৯ ঘণ্টা আগে