ব্যারিস্টার ইফফাত গিয়াস আরেফিন

আমার ছবি ও নাম ব্যবহার করে ফেসবুকে কেউ একজন ভুয়া অ্যাকাউন্ট খুলেছে। আমার পরিচিত সবাইকে ফ্রেন্ডস রিকোয়েস্ট পাঠাচ্ছে। সবাই আমাকে ভেবে অ্যাকসেপ্ট করছে। সবার কাছে আমার নামে খারাপ খারাপ কথা বলছে এবং টাকা ধার চাচ্ছে। আমার কয়েক বন্ধু অ্যাকাউন্টে যোগাযোগের চেষ্টা করলে তাদেরও অনেক বাজে কথা বলছে। আমার কাছের মানুষদের টেক্সট করে খারাপ কথা বলছে।
এখন আমার কী করা উচিত? এই নিয়ে তৃতীয়বারের মতো এমন হলো। আমি প্রতিবার কিছু না কিছু করে আইডিটা বন্ধ করাই, আবার খুলে ফেলে। আমি এবার আইনের আশ্রয় নিতে চাচ্ছি। কীভাবে কী করব?
মিতুল, খুলনা
উত্তর: আপনার মতো অনেকে এই সমস্যায় পড়ে। এ থেকে মুক্তির জন্য আপনাকে দ্রুত পদক্ষেপ নিতে হবে।
প্রথমেই প্রমাণ সংরক্ষণ করুন। ওই ভুয়া প্রোফাইলের পুরো URL/প্রোফাইলের স্ক্রিনশট (প্রোফাইল পেজ, মেসেজ, মন্তব্য, সময়/তারিখসহ), আপনার নাম/ছবি, ব্যবহারের প্রমাণ, আপনার বন্ধুদের কাছ থেকে পাওয়া ত্রুটিপূর্ণ চ্যাট/স্ক্রিনশট—সবই আলাদা ফোল্ডারে রেখে দিন। এগুলো আইনি কাজে দরকার হবে। বন্ধু-পরিজনকে বলুন প্রতিক্রিয়া না দিতে। আপনার পরিচিতরা যদি ওই অ্যাকাউন্টের মালিককে সত্যই ধরেন, প্রতিক্রিয়া/টাকার বিষয়ে যোগাযোগ করেন, তাঁদের জানান যেন কোনো ব্যক্তিগত তথ্য না দেন এবং চিঠি/টাকার অনুরোধ ব্লক ও রিপোর্ট করেন। ফেসবুক ও ইনস্টাগ্রামের মতো প্ল্যাটফর্মে ‘impersonation/pretending to be someone.’ রিপোর্ট করুন, প্ল্যাটফর্মের রিপোর্ট সিস্টেম ব্যবহার করলে তারা দ্রুত অ্যাকশন নেয়।
অ্যাকাউন্ট ব্লক/রিপোর্ট করার প্রমাণ রাখুন: আপনি রিপোর্ট দিয়েছেন, তার কনফারমেশন পেজ বা মেসেজের স্ক্রিনশট রাখুন। এটা আইনি কাগজে কাজে লাগবে।
এ ছাড়া সাইবার পুলিশের কাছে আপনি অভিযোগ করতে পারেন। সাইবার সেল বা সিআইডি (সাইবার পুলিশ সেন্টার)-এর হটলাইন ও ই-মেইল: 01320010148, cyber@police. gov. bd বা সংশ্লিষ্ট সাইবার সেন্টার। আপনার সব প্রমাণসহ অভিযোগ পাঠান এবং লিখিতভাবে এফআইআর নেওয়ার অনুরোধ করুন।
স্থানীয় থানা বা জেলা পুলিশের কাছে লিখিত অভিযোগ দিতে পারেন। আপনার কাছে থাকা স্ক্রিনশট, সময় ও তারিখ, প্রোফাইল ইউআরএল, এমনকি যাঁরা আপনার বন্ধু হয়ে এগুলো গ্রহণ করেছেন, তাঁদের নাম ও মোবাইল ফোন নম্বর সংযুক্ত করে লিখিত অভিযোগ দিন। পুলিশকে বলুন আপনি, ডিজিটাল সিকিউরিটি অ্যাক্ট, ২০১৮ অনুযায়ী ও সাধারণ দণ্ডবিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা চান।
অ্যান্টি টেরর ইউনিট/ডিএমপি সাইবার ইউনিটেও জানাতে পারেন। ঢাকা বা বড় শহরে আলাদা সাইবার ইউনিট আছে। প্রয়োজনে আপনি সেগুলোতেও যোগাযোগ করতে পারেন।
পরামর্শ দিয়েছেন, ব্যারিস্টার ইফফাত গিয়াস আরেফিন, অ্যাডভোকেট, বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট

আমার ছবি ও নাম ব্যবহার করে ফেসবুকে কেউ একজন ভুয়া অ্যাকাউন্ট খুলেছে। আমার পরিচিত সবাইকে ফ্রেন্ডস রিকোয়েস্ট পাঠাচ্ছে। সবাই আমাকে ভেবে অ্যাকসেপ্ট করছে। সবার কাছে আমার নামে খারাপ খারাপ কথা বলছে এবং টাকা ধার চাচ্ছে। আমার কয়েক বন্ধু অ্যাকাউন্টে যোগাযোগের চেষ্টা করলে তাদেরও অনেক বাজে কথা বলছে। আমার কাছের মানুষদের টেক্সট করে খারাপ কথা বলছে।
এখন আমার কী করা উচিত? এই নিয়ে তৃতীয়বারের মতো এমন হলো। আমি প্রতিবার কিছু না কিছু করে আইডিটা বন্ধ করাই, আবার খুলে ফেলে। আমি এবার আইনের আশ্রয় নিতে চাচ্ছি। কীভাবে কী করব?
মিতুল, খুলনা
উত্তর: আপনার মতো অনেকে এই সমস্যায় পড়ে। এ থেকে মুক্তির জন্য আপনাকে দ্রুত পদক্ষেপ নিতে হবে।
প্রথমেই প্রমাণ সংরক্ষণ করুন। ওই ভুয়া প্রোফাইলের পুরো URL/প্রোফাইলের স্ক্রিনশট (প্রোফাইল পেজ, মেসেজ, মন্তব্য, সময়/তারিখসহ), আপনার নাম/ছবি, ব্যবহারের প্রমাণ, আপনার বন্ধুদের কাছ থেকে পাওয়া ত্রুটিপূর্ণ চ্যাট/স্ক্রিনশট—সবই আলাদা ফোল্ডারে রেখে দিন। এগুলো আইনি কাজে দরকার হবে। বন্ধু-পরিজনকে বলুন প্রতিক্রিয়া না দিতে। আপনার পরিচিতরা যদি ওই অ্যাকাউন্টের মালিককে সত্যই ধরেন, প্রতিক্রিয়া/টাকার বিষয়ে যোগাযোগ করেন, তাঁদের জানান যেন কোনো ব্যক্তিগত তথ্য না দেন এবং চিঠি/টাকার অনুরোধ ব্লক ও রিপোর্ট করেন। ফেসবুক ও ইনস্টাগ্রামের মতো প্ল্যাটফর্মে ‘impersonation/pretending to be someone.’ রিপোর্ট করুন, প্ল্যাটফর্মের রিপোর্ট সিস্টেম ব্যবহার করলে তারা দ্রুত অ্যাকশন নেয়।
অ্যাকাউন্ট ব্লক/রিপোর্ট করার প্রমাণ রাখুন: আপনি রিপোর্ট দিয়েছেন, তার কনফারমেশন পেজ বা মেসেজের স্ক্রিনশট রাখুন। এটা আইনি কাগজে কাজে লাগবে।
এ ছাড়া সাইবার পুলিশের কাছে আপনি অভিযোগ করতে পারেন। সাইবার সেল বা সিআইডি (সাইবার পুলিশ সেন্টার)-এর হটলাইন ও ই-মেইল: 01320010148, cyber@police. gov. bd বা সংশ্লিষ্ট সাইবার সেন্টার। আপনার সব প্রমাণসহ অভিযোগ পাঠান এবং লিখিতভাবে এফআইআর নেওয়ার অনুরোধ করুন।
স্থানীয় থানা বা জেলা পুলিশের কাছে লিখিত অভিযোগ দিতে পারেন। আপনার কাছে থাকা স্ক্রিনশট, সময় ও তারিখ, প্রোফাইল ইউআরএল, এমনকি যাঁরা আপনার বন্ধু হয়ে এগুলো গ্রহণ করেছেন, তাঁদের নাম ও মোবাইল ফোন নম্বর সংযুক্ত করে লিখিত অভিযোগ দিন। পুলিশকে বলুন আপনি, ডিজিটাল সিকিউরিটি অ্যাক্ট, ২০১৮ অনুযায়ী ও সাধারণ দণ্ডবিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা চান।
অ্যান্টি টেরর ইউনিট/ডিএমপি সাইবার ইউনিটেও জানাতে পারেন। ঢাকা বা বড় শহরে আলাদা সাইবার ইউনিট আছে। প্রয়োজনে আপনি সেগুলোতেও যোগাযোগ করতে পারেন।
পরামর্শ দিয়েছেন, ব্যারিস্টার ইফফাত গিয়াস আরেফিন, অ্যাডভোকেট, বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট

সামাজিক প্ল্যাটফর্ম ‘মন জানালা’। ৪০ পেরোনো নারীর মন, শরীর আর ভবিষ্যৎ নিয়ে নতুন করে ভাবার আকাঙ্ক্ষাকে কেন্দ্র ‘থেমে যাওয়া নয়, সময় এখন এগিয়ে যাবার’ শিরোনামে বিশেষ সেশনের আয়োজন করে। ১৬ জানুয়ারি রাজধানীর বাংলামোটরে বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রে এই আয়োজন অনুষ্ঠিত হয়।
৮ ঘণ্টা আগে
বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের শীর্ষ নেতাদের ইচ্ছা থাকলেও আর্থসামাজিক বাধা ও প্রেক্ষাপটের কারণে নির্বাচনে বেশিসংখ্যক নারী প্রার্থীকে মনোনয়ন দেওয়া যাচ্ছে না। রাজনীতির মাঠে, বিশেষ করে নির্বাচনে পেশিশক্তি ও অর্থনৈতিক সক্ষমতা—বড় নিয়ামক হয়ে দাঁড়ায়। নারীরা এ ক্ষেত্রে পিছিয়ে থাকেন।
২ দিন আগে
লৈঙ্গিক সমতা শুধু একটি সামাজিক আদর্শ নয়, এটি একটি দেশের অর্থনৈতিক সক্ষমতা বৃদ্ধির অন্যতম প্রধান চাবিকাঠি। ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরাম ২০২৫ সালের সর্বশেষ প্রতিবেদন জানিয়েছে, বিশ্বজুড়ে লৈঙ্গিক বৈষম্য বর্তমানে ৬৮ দশমিক ৮ শতাংশ দূর হয়েছে। তবে বর্তমান অগ্রগতির গতি বজায় থাকলে পূর্ণ সমতা অর্জনে বিশ্বকে আরও ১২৩
৪ দিন আগে
বাংলাদেশের সংবিধান প্রণয়নের ইতিহাসে এক অনন্য নাম ড. রাজিয়া বানু। ১৯৭২ সালে স্বাধীন বাংলাদেশের সংবিধান রচনার জন্য যে ৩৪ সদস্যের খসড়া কমিটি গঠন করা হয়েছিল, তিনি ছিলেন সেই কমিটির একমাত্র নারী সদস্য। বাংলাদেশের সর্বোচ্চ আইন প্রণয়নে অবিস্মরণীয় অবদান রেখে গেছেন তিনি।
৪ দিন আগে