ব্যারিস্টার ইফফাত গিয়াস আরেফিন

প্রশ্ন: আমার বয়স ২৭ বছর। অবিবাহিত। একটি অনলাইন ব্যবসা আছে। টিন সার্টিফিকেটও করিয়েছি। একটি বুটিকের দোকান দিতে চাইছি। এ জন্য ব্যাংক থেকে কিছু টাকা ঋণ নিতে চাই। আমার কোনো ভাই নেই, একজন বড় বোন আছেন। বাবা মারা গেছেন সাত বছর আগে। ঋণটা নিজ নামেই নিতে চাই। আমার বোন ঋণের জামানতকারী হতে সম্মতি দিয়েছেন। জানতাম নারীরা ঋণের জামানতকারী হতে পারেন না। কিন্তু আমার বোন বলছেন, বর্তমানে নারীরাও জামানতকারী হতে পারেন। এই কথাটা কি ঠিক? আমার বোন কি ঋণের জামানতকারী হতে পারবেন? যদি না পারেন সে ক্ষেত্রে কি দুলাভাই কিংবা অন্য কোনো অনাত্মীয় পুরুষ আমার ঋণের জামানতকারী হতে পারবেন?
তাবাসসুম হাসিন, ঢাকা
কেন পারবেন না? আমাদের দেশে এমন কোনো নিষেধাজ্ঞা নেই। ব্যাংক থেকে ঋণ নেওয়ার ক্ষেত্রে কেবল পুরুষ নন, নারীকেও জামানতকারী দেখিয়ে ঋণ নিতে পারবেন আপনার মতো নারী উদ্যোক্তারা। দেশের ক্ষুদ্র ও মাঝারি নারী উদ্যোক্তাদের জন্য সহজ শর্তে ঋণপ্রাপ্তি নিশ্চিত করতে এমন পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক।
দেশের অর্থনীতিকে বেগবান করতে ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তারা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে চলেছেন। এ ক্ষেত্রে পুরুষদের পাশাপাশি বলিষ্ঠ ভূমিকা রেখে চলেছেন আপনাদের মতো নারী উদ্যোক্তারাও। কিন্তু ব্যবসা পরিচালনা ও সম্প্রসারণের জন্য নারী উদ্যোক্তাদের ঋণপ্রাপ্তি এখনো ততটা সহজ হয়নি। নারী উদ্যোক্তাদের ঋণ দেওয়ার ক্ষেত্রে ব্যাংকগুলোরও উৎসাহ কম দেখা যায় বিভিন্ন ক্ষেত্রে।
ব্যবসা, বাণিজ্য এবং শিল্প খাতে নারীরা যেন আরও এগিয়ে আসতে পারেন, সে লক্ষ্যে নারী উদ্যোক্তাদের জন্য ঋণপ্রাপ্তি ধাপে ধাপে আরও সহজ করার চেষ্টা করছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। ইতিমধ্যে যার সুফল ভোগ করছেন অসংখ্য নারী উদ্যোক্তা। আপনিও এর সুবিধা নিন। শুভকামনা রইল আপনার বুটিকের জন্য।
পরামর্শ দিয়েছেন, ব্যারিস্টার ইফফাত গিয়াস আরেফিন,অ্যাডভোকেট, বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট

প্রশ্ন: আমার বয়স ২৭ বছর। অবিবাহিত। একটি অনলাইন ব্যবসা আছে। টিন সার্টিফিকেটও করিয়েছি। একটি বুটিকের দোকান দিতে চাইছি। এ জন্য ব্যাংক থেকে কিছু টাকা ঋণ নিতে চাই। আমার কোনো ভাই নেই, একজন বড় বোন আছেন। বাবা মারা গেছেন সাত বছর আগে। ঋণটা নিজ নামেই নিতে চাই। আমার বোন ঋণের জামানতকারী হতে সম্মতি দিয়েছেন। জানতাম নারীরা ঋণের জামানতকারী হতে পারেন না। কিন্তু আমার বোন বলছেন, বর্তমানে নারীরাও জামানতকারী হতে পারেন। এই কথাটা কি ঠিক? আমার বোন কি ঋণের জামানতকারী হতে পারবেন? যদি না পারেন সে ক্ষেত্রে কি দুলাভাই কিংবা অন্য কোনো অনাত্মীয় পুরুষ আমার ঋণের জামানতকারী হতে পারবেন?
তাবাসসুম হাসিন, ঢাকা
কেন পারবেন না? আমাদের দেশে এমন কোনো নিষেধাজ্ঞা নেই। ব্যাংক থেকে ঋণ নেওয়ার ক্ষেত্রে কেবল পুরুষ নন, নারীকেও জামানতকারী দেখিয়ে ঋণ নিতে পারবেন আপনার মতো নারী উদ্যোক্তারা। দেশের ক্ষুদ্র ও মাঝারি নারী উদ্যোক্তাদের জন্য সহজ শর্তে ঋণপ্রাপ্তি নিশ্চিত করতে এমন পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক।
দেশের অর্থনীতিকে বেগবান করতে ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তারা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে চলেছেন। এ ক্ষেত্রে পুরুষদের পাশাপাশি বলিষ্ঠ ভূমিকা রেখে চলেছেন আপনাদের মতো নারী উদ্যোক্তারাও। কিন্তু ব্যবসা পরিচালনা ও সম্প্রসারণের জন্য নারী উদ্যোক্তাদের ঋণপ্রাপ্তি এখনো ততটা সহজ হয়নি। নারী উদ্যোক্তাদের ঋণ দেওয়ার ক্ষেত্রে ব্যাংকগুলোরও উৎসাহ কম দেখা যায় বিভিন্ন ক্ষেত্রে।
ব্যবসা, বাণিজ্য এবং শিল্প খাতে নারীরা যেন আরও এগিয়ে আসতে পারেন, সে লক্ষ্যে নারী উদ্যোক্তাদের জন্য ঋণপ্রাপ্তি ধাপে ধাপে আরও সহজ করার চেষ্টা করছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। ইতিমধ্যে যার সুফল ভোগ করছেন অসংখ্য নারী উদ্যোক্তা। আপনিও এর সুবিধা নিন। শুভকামনা রইল আপনার বুটিকের জন্য।
পরামর্শ দিয়েছেন, ব্যারিস্টার ইফফাত গিয়াস আরেফিন,অ্যাডভোকেট, বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট

সামাজিক প্ল্যাটফর্ম ‘মন জানালা’। ৪০ পেরোনো নারীর মন, শরীর আর ভবিষ্যৎ নিয়ে নতুন করে ভাবার আকাঙ্ক্ষাকে কেন্দ্র ‘থেমে যাওয়া নয়, সময় এখন এগিয়ে যাবার’ শিরোনামে বিশেষ সেশনের আয়োজন করে। ১৬ জানুয়ারি রাজধানীর বাংলামোটরে বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রে এই আয়োজন অনুষ্ঠিত হয়।
৩ দিন আগে
বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের শীর্ষ নেতাদের ইচ্ছা থাকলেও আর্থসামাজিক বাধা ও প্রেক্ষাপটের কারণে নির্বাচনে বেশিসংখ্যক নারী প্রার্থীকে মনোনয়ন দেওয়া যাচ্ছে না। রাজনীতির মাঠে, বিশেষ করে নির্বাচনে পেশিশক্তি ও অর্থনৈতিক সক্ষমতা—বড় নিয়ামক হয়ে দাঁড়ায়। নারীরা এ ক্ষেত্রে পিছিয়ে থাকেন।
৪ দিন আগে
লৈঙ্গিক সমতা শুধু একটি সামাজিক আদর্শ নয়, এটি একটি দেশের অর্থনৈতিক সক্ষমতা বৃদ্ধির অন্যতম প্রধান চাবিকাঠি। ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরাম ২০২৫ সালের সর্বশেষ প্রতিবেদন জানিয়েছে, বিশ্বজুড়ে লৈঙ্গিক বৈষম্য বর্তমানে ৬৮ দশমিক ৮ শতাংশ দূর হয়েছে। তবে বর্তমান অগ্রগতির গতি বজায় থাকলে পূর্ণ সমতা অর্জনে বিশ্বকে আরও ১২৩
৬ দিন আগে
বাংলাদেশের সংবিধান প্রণয়নের ইতিহাসে এক অনন্য নাম ড. রাজিয়া বানু। ১৯৭২ সালে স্বাধীন বাংলাদেশের সংবিধান রচনার জন্য যে ৩৪ সদস্যের খসড়া কমিটি গঠন করা হয়েছিল, তিনি ছিলেন সেই কমিটির একমাত্র নারী সদস্য। বাংলাদেশের সর্বোচ্চ আইন প্রণয়নে অবিস্মরণীয় অবদান রেখে গেছেন তিনি।
৬ দিন আগে