
যুক্তরাষ্ট্রে নারীরা এখনো পদ্ধতিগত পক্ষপাত থেকে সম্পূর্ণ মুক্ত হতে পারেনি। এখনো কর্মক্ষেত্রে তাঁরা পুরুষ সহকর্মীর তুলনায় কম বেতন পান এবং আর্থিকভাবে কম সচ্ছল থাকেন। তবে, যুক্তরাষ্ট্রের আদমশুমারি অধিদপ্তর থেকে পাওয়া তথ্য বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, বাড়ির মালিকানার ক্ষেত্রে পুরুষের তুলনায় নারীরাই এগিয়ে।
যুক্তরাষ্ট্রের অনলাইন ঋণদাতা প্রতিষ্ঠান লেন্ডিংট্রিয়ের গত জানুয়ারির প্রতিবেদন অনুসারে, ৫০টি অঙ্গরাজ্যের ৪৭টিতেই অবিবাহিত বা সিঙ্গেল পুরুষের তুলনায় অধিকসংখ্যক অবিবাহিত বা সিঙ্গেল নারীর নিজের বাড়ি রয়েছে। সিঙ্গেল পুরুষদের তুলনায় সিঙ্গেল নারীদের ২৭ লাখ ১০ হাজার বাড়ি বেশি রয়েছে। অর্থাৎ যুক্তরাষ্ট্রে ৫০টি অঙ্গরাজ্যে ব্যক্তিমালিকানায় থাকা গড় বাড়ির ১২ দশমিক ৯৩ শতাংশ সিঙ্গেল নারীদের মালিকানায়, আর ১০ দশমিক ২২ শতাংশ বাড়ির মালিক সিঙ্গেল পুরুষ।
কোন অঙ্গরাজ্যে সিঙ্গেল নারী-পুরুষদের বাড়ির মালিকানা বেশি তা বের করতে লেন্ডিংট্রি ২০২২ সালের মার্কিন আদমশুমারি অধিদপ্তরের আমেরিকান কমিউনিটি সার্ভের মাইক্রো ডেটা বিশ্লেষণ করে। ডেটা বিশ্লেষণের ক্ষেত্রে যেসব বাড়ির মালিকেরা একা থাকেন, সেসব বাড়ির ওপর বেশি গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্রের ডেলাওয়ার অঙ্গরাজ্যে সবচেয়ে বেশিসংখ্যক বাড়ির মালিক সিঙ্গেল নারী। এ অঙ্গরাজ্যেই সিঙ্গেল নারী ও সিঙ্গেল পুরুষের বাড়ির মালিকানায় তফাত সবচেয়ে বেশি বলে জানিয়েছে লেন্ডিংট্রি।
অঙ্গরাজ্যটির ব্যক্তিমালিকানায় থাকা বাড়ির ১৫ শতাংশেরই মালিক সিঙ্গেল নারী। আর সিঙ্গেল পুরুষের মালিকানায় আছে ৯ দশমিক ৪৫ শতাংশ বাড়ি। এতে বাড়ির মালিকানায় লিঙ্গভেদে পার্থক্য দাঁড়ায় ৫ দশমিক ৮৯ শতাংশ।
রিয়েল এস্টেট কোম্পানি জিলোয় বলছে, ডেলাওয়ারে প্রত্যেক বাড়ির গড় মূল্য ৩ লাখ ৭১ হাজার ৮১১ ডলার; যা গত বছরের তুলনায় ৪ দশমিক ৭ শতাংশ বেশি। যুক্তরাষ্ট্রের দ্বিতীয় ক্ষুদ্রতম অঙ্গরাজ্য ডেলাওয়ার বিশ্বের রাসায়নিক রাজধানী হিসেবে খ্যাত।
এই অঙ্গরাজ্যটির আইন বিভিন্ন করপোরেশনের অনুকূলে থাকায় এবং নিম্ন করের মতো প্রণোদনার ব্যবস্থা থাকায় অনেক শীর্ষ প্রতিষ্ঠানই এখানে সম্পত্তি কেনে।
সিঙ্গেল নারীদের সর্বোচ্চসংখ্যক বাড়ি রয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের যে ১০ অঙ্গরাজ্যে (ক্রম অনুসারে)—
*ডেলাওয়ার
*লুইজিয়ানা
*মিসিসিপি
*অ্যালাবামা
*ফ্লোরিডা
*নিউ মেক্সিকো
*সাউথ ক্যারোলাইনা
*ওয়েস্ট ভার্জিনিয়া
*ম্যারিল্যান্ড
*ইলিনয়
সিঙ্গেল নারীদের বাড়ির মালিকানার দিক দিয়ে লুইজিয়ানা দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে। লেন্ডিংট্রি বলছে, অঙ্গরাজ্যের ১৫ দশমিক ১৯ শতাংশ বাড়ি সিঙ্গেল নারীদের মালিকানায় রয়েছেন এবং তাঁরাই সে বাড়িতে থাকেন। আর ১০ দশমিক ৭১ শতাংশ বাড়ি সিঙ্গেল পুরুষদের মালিকানায় রয়েছে এবং তাঁরা সে বাড়ি পরিচালনা করেন।
জিলো বলছে, লুইজিয়ানায় বাড়ির গড় মূল্য ১ লাখ ৯৪ হাজার ৪৫৩ ডলার; যা গত বছরের তুলনায় ২ দশমিক ৯ শতাংশ কম।
বিচিত্র ফরাসি ঐতিহ্য ও বহুমাত্রিক সাংস্কৃতিক মিলনের জন্য লুইজিয়ানার বেশ খ্যাতি রয়েছে। তা সত্ত্বেও এ অঙ্গরাজ্যটিকে যুক্তরাষ্ট্রের অন্যতম নিকৃষ্ট বলে অভিহিত করা হয়। ইউএস নিউজ এবং ওয়ার্ল্ড রিপোর্টের তথ্য অনুযায়ী, লুইজিয়ানা অঙ্গরাজ্যের ক্রমবর্ধমান সহিংসতা, জনসংখ্যা এবং ভয়াবহ শিল্পদূষণ বেশি।
নিউ মেক্সিকো অঙ্গরাজ্যে সিঙ্গেল পুরুষদের বাড়ির মালিকানা বেশি। এই অঙ্গরাজ্যে আবাসন ইউনিটের ১২ দশমিক ৮৫ শতাংশের মালিক সিঙ্গেল পুরুষেরা।
জিলোর তথ্য অনুযায়ী, নিউ মেক্সিকোতে বাড়ির গড় মূল্য ২ লাখ ৮৮ হাজার ৮৫৫ ডলার; যা গত বছরের তুলনায় ৪ দশমিক ৮ শতাংশ বেশি।
সিঙ্গেল পুরুষদের মালিকানায় বেশি বাড়ি থাকা ১০টি মার্কিন অঙ্গরাজ্য (ক্রম অনুসারে)—
*নিউ মেক্সিকো
*নর্থ ডাকোটা
*আলাস্কা
*সাউথ ডাকোটা
*ওয়াইমিং
*ওয়েস্ট ভার্জিনিয়া
*মন্টানা
*মিশিগান
*আইওয়া
*ওহাইও

‘চলো এগিয়ে যাই’ নারীদের গল্প। নির্দিষ্ট করে বললে, ৯৯ জন উদ্যোক্তা নারীর গল্প। ২৫ সেপ্টেম্বর বনানীর নটর ডেম ক্লাব অডিটরিয়ামে অনুষ্ঠিত হলো বইটির মোড়ক উন্মোচন অনুষ্ঠান। সৌন্দর্যবিশেষজ্ঞ এবং উজ্জ্বলার ম্যানেজিং ডিরেক্টর ও কো-ফাউন্ডার আফরোজা পারভীনের পরিকল্পনা ও সম্পাদনায় প্রকাশিত হয়েছে সৌন্দর্যশিল্প...
১ দিন আগে
সমাজ এখনো নারীকে স্বাধীনভাবে বসবাসের সুযোগ দেওয়ার জন্য পুরোপুরি প্রস্তুত নয় বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ মহিলা পরিষদের কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক মালেকা বানু। তিনি বলেন, রাজনৈতিক সংকট অনেক ক্ষেত্রে সামাজিক সংকটে রূপ নিয়েছে। এ পরিস্থিতি মোকাবিলায় সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।
১ দিন আগে
একজন সিইও বা শীর্ষ নির্বাহী প্রতিষ্ঠানের নীতি নির্ধারণ, বাজার বিশ্লেষণ এবং বাজেট তৈরিতে বছরের পর বছর সময় ব্যয় করতে পারেন। কিন্তু নতুন এক গবেষণায় দেখা গেছে, পুরুষ সিইও বা ব্যবস্থাপকদের করপোরেট সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষেত্রে কেবল বোর্ডরুমের অভিজ্ঞতাই নয়, ঘরের খাবার টেবিলে থাকা নিজের কন্যাসন্তানও...
৪ দিন আগে
আমি এ বছর মেডিকেলে ভর্তির জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছি। কিন্তু কিছুতেই মানসিকভাবে স্থির হতে পারছি না। কোচিংয়ের পরীক্ষাগুলোতে আশানুরূপ নম্বর পাওয়ার জন্য যথেষ্ট চেষ্টা করছি, কিন্তু সম্ভব হচ্ছে না। বাসার পরিবেশটাও কিছুটা ভিন্ন। বড় ভাই সব সময় বেশি প্রায়োরিটি পেয়ে এসেছে। ভালো কোথাও ভর্তি হতে না পারলে বাসার লোকজ
৫ দিন আগে