সিফাত রাব্বানী, ঢাকা

ফ্যাশনের জন্য হান্না দেশাই তথা কোকোবিউটিয়া আর সময় ব্যবস্থাপনায় ইলন মাস্ক তাঁর পছন্দের মানুষ। শুধু সাফল্য নয়, নাফিজা ভালোবাসেন সফল মানুষের পেছনের গল্প। তাঁকে আকৃষ্ট করে সফল মানুষের গুণের কথা। মনে করেন, সবকিছুর চেয়ে কঠিন আত্মবিশ্বাস ধরে রাখা। সেই আত্মবিশ্বাসের কারণেই তিনি জার্মানির বিখ্যাত গাড়ি নির্মাতা প্রতিষ্ঠান অডিতে স্ট্র্যাটেজিক ও রেপুটেশন ম্যানেজমেন্ট সহকারী হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন। নাফিজা আনজুম বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব প্রফেশনালস থেকে ব্যবস্থাপনা বিষয়ে স্নাতক শেষ করে পেয়েছেন সেই সাফল্যের দেখা।
২০১৯ সালে অনেক প্রতিকূলতা ও চ্যালেঞ্জের সম্মুখীন হতে হয় নাফিজা আনজুমকে। অসুস্থ বাবাকে হারানোর ভয় এবং অর্থনৈতিক জটিলতার মধ্যে পড়তে হয় তাঁকে ও তাঁর পরিবারকে। সেই কঠিন সময়ে কোথাও তেমন কোনো সহযোগিতা না পাওয়া তাঁকে ‘ব্রেকিং পয়েন্টে’র দিকে ঠেলে দেয়।
সেই কঠিন পরিস্থিতির মুখোমুখি হয়ে নাফিজা আনজুম বাধ্য হন স্বাভাবিক সব চিন্তা বাদ দিতে। ছোট ভাইবোনদের ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করার জন্য তিনি ব্যস্ত হয়ে ওঠেন। ছয় মাস প্রচুর পরিশ্রম করে তিনি এইচটিডব্লিউ-বার্লিনে ভর্তি হয়ে মহামারির জন্য এক বছর অনলাইনে ক্লাস চালিয়ে যান। ২০২২ সালের এপ্রিলে বার্লিন চলে যান। সেখানে বড় প্রতিষ্ঠানগুলোর ইন্টার্নশিপ নিয়ে গবেষণা শুরু করার কথা ভাবতে থাকেন। সে সময় তিনি পরিচিত হন ‘বিগ থ্রি’ নামে পরিচিত বিএমডব্লিউ, মার্সিডিজ বেঞ্জ ও অডির সঙ্গে। নাফিজা মার্সিডিজ বেঞ্জ ও অডি থেকে গবেষণার প্রস্তাব পান। শেষ পর্যন্ত অডিতে যোগ দেন।
অডির মতো বড় প্রতিষ্ঠানে কাজ করার সুযোগ পাওয়া বেশ কঠিন। সে জন্য নিজেকে বিভিন্নভাবে প্রস্তুত করে তোলেন নাফিজা। পেশাদার প্ল্যাটফর্ম লিংকড-ইনে নিজের নেটওয়ার্কিং বাড়ান। অডির প্রায় ১০০ জন কর্মীর সঙ্গে যোগাযোগ করে একপর্যায়ে সেখানকার ম্যানেজারের সঙ্গেও যোগাযোগে সক্ষম হন তিনি। ম্যানেজারকে অডির প্রতি তাঁর আগ্রহের কথা বোঝাতে সক্ষম হন নাফিজা। তারপর প্রাতিষ্ঠানিক বিভিন্ন পর্ব পেরিয়ে দীর্ঘ মেয়াদে কাজ করার প্রস্তাব আসে তাঁর কাছে।
অডিতে নিজের বিভাগে একমাত্র বাংলাদেশি হিসেবে কাজ করছেন নাফিজা আনজুম।

ফ্যাশনের জন্য হান্না দেশাই তথা কোকোবিউটিয়া আর সময় ব্যবস্থাপনায় ইলন মাস্ক তাঁর পছন্দের মানুষ। শুধু সাফল্য নয়, নাফিজা ভালোবাসেন সফল মানুষের পেছনের গল্প। তাঁকে আকৃষ্ট করে সফল মানুষের গুণের কথা। মনে করেন, সবকিছুর চেয়ে কঠিন আত্মবিশ্বাস ধরে রাখা। সেই আত্মবিশ্বাসের কারণেই তিনি জার্মানির বিখ্যাত গাড়ি নির্মাতা প্রতিষ্ঠান অডিতে স্ট্র্যাটেজিক ও রেপুটেশন ম্যানেজমেন্ট সহকারী হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন। নাফিজা আনজুম বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব প্রফেশনালস থেকে ব্যবস্থাপনা বিষয়ে স্নাতক শেষ করে পেয়েছেন সেই সাফল্যের দেখা।
২০১৯ সালে অনেক প্রতিকূলতা ও চ্যালেঞ্জের সম্মুখীন হতে হয় নাফিজা আনজুমকে। অসুস্থ বাবাকে হারানোর ভয় এবং অর্থনৈতিক জটিলতার মধ্যে পড়তে হয় তাঁকে ও তাঁর পরিবারকে। সেই কঠিন সময়ে কোথাও তেমন কোনো সহযোগিতা না পাওয়া তাঁকে ‘ব্রেকিং পয়েন্টে’র দিকে ঠেলে দেয়।
সেই কঠিন পরিস্থিতির মুখোমুখি হয়ে নাফিজা আনজুম বাধ্য হন স্বাভাবিক সব চিন্তা বাদ দিতে। ছোট ভাইবোনদের ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করার জন্য তিনি ব্যস্ত হয়ে ওঠেন। ছয় মাস প্রচুর পরিশ্রম করে তিনি এইচটিডব্লিউ-বার্লিনে ভর্তি হয়ে মহামারির জন্য এক বছর অনলাইনে ক্লাস চালিয়ে যান। ২০২২ সালের এপ্রিলে বার্লিন চলে যান। সেখানে বড় প্রতিষ্ঠানগুলোর ইন্টার্নশিপ নিয়ে গবেষণা শুরু করার কথা ভাবতে থাকেন। সে সময় তিনি পরিচিত হন ‘বিগ থ্রি’ নামে পরিচিত বিএমডব্লিউ, মার্সিডিজ বেঞ্জ ও অডির সঙ্গে। নাফিজা মার্সিডিজ বেঞ্জ ও অডি থেকে গবেষণার প্রস্তাব পান। শেষ পর্যন্ত অডিতে যোগ দেন।
অডির মতো বড় প্রতিষ্ঠানে কাজ করার সুযোগ পাওয়া বেশ কঠিন। সে জন্য নিজেকে বিভিন্নভাবে প্রস্তুত করে তোলেন নাফিজা। পেশাদার প্ল্যাটফর্ম লিংকড-ইনে নিজের নেটওয়ার্কিং বাড়ান। অডির প্রায় ১০০ জন কর্মীর সঙ্গে যোগাযোগ করে একপর্যায়ে সেখানকার ম্যানেজারের সঙ্গেও যোগাযোগে সক্ষম হন তিনি। ম্যানেজারকে অডির প্রতি তাঁর আগ্রহের কথা বোঝাতে সক্ষম হন নাফিজা। তারপর প্রাতিষ্ঠানিক বিভিন্ন পর্ব পেরিয়ে দীর্ঘ মেয়াদে কাজ করার প্রস্তাব আসে তাঁর কাছে।
অডিতে নিজের বিভাগে একমাত্র বাংলাদেশি হিসেবে কাজ করছেন নাফিজা আনজুম।

সামাজিক প্ল্যাটফর্ম ‘মন জানালা’। ৪০ পেরোনো নারীর মন, শরীর আর ভবিষ্যৎ নিয়ে নতুন করে ভাবার আকাঙ্ক্ষাকে কেন্দ্র ‘থেমে যাওয়া নয়, সময় এখন এগিয়ে যাবার’ শিরোনামে বিশেষ সেশনের আয়োজন করে। ১৬ জানুয়ারি রাজধানীর বাংলামোটরে বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রে এই আয়োজন অনুষ্ঠিত হয়।
৩ দিন আগে
বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের শীর্ষ নেতাদের ইচ্ছা থাকলেও আর্থসামাজিক বাধা ও প্রেক্ষাপটের কারণে নির্বাচনে বেশিসংখ্যক নারী প্রার্থীকে মনোনয়ন দেওয়া যাচ্ছে না। রাজনীতির মাঠে, বিশেষ করে নির্বাচনে পেশিশক্তি ও অর্থনৈতিক সক্ষমতা—বড় নিয়ামক হয়ে দাঁড়ায়। নারীরা এ ক্ষেত্রে পিছিয়ে থাকেন।
৫ দিন আগে
লৈঙ্গিক সমতা শুধু একটি সামাজিক আদর্শ নয়, এটি একটি দেশের অর্থনৈতিক সক্ষমতা বৃদ্ধির অন্যতম প্রধান চাবিকাঠি। ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরাম ২০২৫ সালের সর্বশেষ প্রতিবেদন জানিয়েছে, বিশ্বজুড়ে লৈঙ্গিক বৈষম্য বর্তমানে ৬৮ দশমিক ৮ শতাংশ দূর হয়েছে। তবে বর্তমান অগ্রগতির গতি বজায় থাকলে পূর্ণ সমতা অর্জনে বিশ্বকে আরও ১২৩
৬ দিন আগে
বাংলাদেশের সংবিধান প্রণয়নের ইতিহাসে এক অনন্য নাম ড. রাজিয়া বানু। ১৯৭২ সালে স্বাধীন বাংলাদেশের সংবিধান রচনার জন্য যে ৩৪ সদস্যের খসড়া কমিটি গঠন করা হয়েছিল, তিনি ছিলেন সেই কমিটির একমাত্র নারী সদস্য। বাংলাদেশের সর্বোচ্চ আইন প্রণয়নে অবিস্মরণীয় অবদান রেখে গেছেন তিনি।
৭ দিন আগে