
আমি বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি পরীক্ষার্থী। নিজের প্রস্তুতি নিয়ে একেবারে সন্তুষ্ট হতে পারছি না। আমার পরিবারও সন্তুষ্ট নয়। তারা মাঝে মাঝে এমন সব কথা বলে, যা শুনে খারাপ লাগে। কোনোভাবেই মানসিকভাবে স্থির হতে পারছি না। ফলে পরীক্ষার প্রস্তুতিতে খারাপ প্রভাব পড়ছে। তিন বছর আগে ভাইয়াকেও অনেক কথা শুনতে হয়েছিল। জানি না এমন কেন হয়। আম্মুকে বোঝালে কিছুটা বোঝে। কেউ কেউ আবার কেমন যেন অন্য রকম হয়ে যায়। মানসিক স্থিরতার জন্য কী করতে পারি?
সুপ্তি, পটুয়াখালী
ভর্তি পরীক্ষার মৌসুমে কম-বেশি সবাই এমন সমস্যার মধ্য দিয়ে যায়। আসলে এইচএসসি পরীক্ষা খুব চাপের মধ্য দিয়ে শেষ হয়। এরপর শুরু হয় ভর্তি পরীক্ষার পর্ব। এ পরীক্ষা তীব্র প্রতিযোগিতাপূর্ণ। এসব কারণে এই পরীক্ষার প্রস্তুতি গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু পরীক্ষার চেয়ে জীবন বড়। কাজেই, সুষম ও সঠিক খাদ্যাভ্যাস, পর্যাপ্ত পানি পান, নিয়মিত শরীরচর্চার পাশাপাশি পড়াশোনার জন্য নিয়মিত রুটিন মেনে চলতে হবে।
শুধু পড়াশোনা নয়, স্বাস্থ্যকর বিনোদনেরও প্রয়োজন আছে। যখন বাসায় পরীক্ষার্থী থাকে, তখন
সেই পরিবারের অন্য সদস্যদেরও কিছু দায়িত্ব থাকে। তাঁদের আচরণ যেন কখনোই পরীক্ষার্থীর ওপর চাপ বা স্ট্রেস তৈরি না করে।
পরীক্ষার মাধ্যমে একজন মানুষের যোগ্যতা, দক্ষতা ও মনোনিবেশ যাচাই করা হয়। গবেষণায় দেখা যায়, পরীক্ষা প্রস্তুতির পরিবেশ শান্তিপূর্ণ হলে পরীক্ষার ফল ভালো হয়। কাজেই পরীক্ষায় অংশগ্রহণকারীদের সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ ও সহমর্মী, সংযত আচরণ করুন।
পরামর্শ দিয়েছেন, ডা. ফারজানা রহমান, সহযোগী অধ্যাপক, মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট, ঢাকা

ইরানের ধূলিধূসরিত রাজপথ আজ শুধু প্রতিবাদের সাক্ষী নয়। বর্তমান আন্দোলনের জের ধরে একে মানুষের রক্তেভেজা ইতিহাসের দলিলও বলা চলে। ২০২৬ সালের শুরুতে ইরানের ইস্পাহান, গোরগান এবং তেহরানের রাজপথ প্রকম্পিত হয়েছে স্লোগানে। এই আন্দোলনে পুরুষের পাশাপাশি কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে লড়ে যাচ্ছেন নারীরা।
১ দিন আগে
প্রশ্ন: আমার বয়স ১৭ বছর। আমি ইন্টারমিডিয়েট সেকেন্ড ইয়ারে পড়ি। বাড়িতে থাকি। আব্বু, আম্মু অন্য জেলায় চাকরি করেন, ভাইয়া ঢাকায় পড়াশোনা করে। দাদিদের সঙ্গে আমাদের কোনো সম্পর্ক নেই। কলেজে যাই, বাসায় আসি, রান্না করি, বাসার অন্যান্য কাজ করি, ঘুমাই। সামনে আমার পরীক্ষা, পড়াশোনায় ফোকাস রাখার চেষ্টা করি।
১ দিন আগে
নারীর নিরাপত্তা ও অধিকার প্রশ্নে বর্তমানে বাংলাদেশ এক কঠিন সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়ে আছে। বিবিএস, ইউএনএফপিএ, হিউম্যান রাইটস ওয়াচ এবং বাংলাদেশ মহিলা পরিষদের সাম্প্রতিক তথ্যমতে, ঘরে-বাইরে এবং ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে নারীর প্রতি সহিংসতা আশঙ্কাজনকভাবে বেড়েছে। ঘরের ভেতরে এই নির্যাতনের মাত্রা ভয়াবহ রূপ নিয়েছে।
১ দিন আগে
দেড় শ বছর আগে একজন নারীর চিকিৎসক হওয়ার স্বপ্ন দেখা ছিল সমাজের চোখে এক বিশাল ধৃষ্টতা। সেই ধৃষ্টতা দেখিয়েছিলেন সোফিয়া জ্যাকস-ব্লেক। তিনি কঠিন সময়েও পিছু হটেননি। অপমানকে পুঁজি করে জনমত গঠন করে প্রমাণ করেছিলেন, চিকিৎসা পেশায় নারীদের প্রয়োজনীয়তা কতটা জরুরি।
১ দিন আগে