নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

সমাজকল্যাণ এবং মহিলা ও শিশুবিষয়ক উপদেষ্টা শারমীন এস মুরশিদ বলেছেন, ‘আমরা যেসব মেয়েদের ট্রেইন-আপ করব, সেখানে তাদের জেন্ডার রিলেটেড অ্যাওয়ারনেস থেকে শুরু করে, ফিজিক্যাল ট্রেনিং, সেলফ ডিফেন্স ট্রেনিং, প্যারামিলিটারি ট্রেনিং সবটুকুই ভাবা হয়েছে। যেটা আমরা শুরু করতে যাচ্ছি। এটা নারীদের জন্য একটা ক্ষেত্র হবে, যেটাতে তারা মাথা উঁচু করে তাদের সমস্যাগুলো মোকাবিলা করতে পারে।’
আজ সোমবার জাতীয় প্রেসক্লাবের আবদুস সালাম হলে ‘কথা বলো নারী’র উদ্যোগে আয়োজিত ‘নারীর চোখে আগামীর বাংলাদেশ’ শীর্ষক মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
উপদেষ্টা বলেন, ‘আমরা যদি নিরাপত্তাটা দিতে না পারি, তাহলে নারীর বিকাশ ঘটবে না। মেয়েরা যদি স্কুলে নিরাপদ না হয়, রাস্তায় নিরাপদ না হয়, বাসে নিরাপদ না হয়, তাহলে সে মেয়েটি কীভাবে একটি সুন্দর পরিবেশে নিজেকে গড়ে তুলবে। আমার মনে হয় এদিকে আমাদের খেয়াল রাখা দরকার।’
উপদেষ্টা আরও বলেন, ‘চব্বিশে যারা যুদ্ধ করেছে, তাদের আমরা কাজে লাগাতে চাই। সোশ্যাল ফোর্স হিসেবে দেখতে চাই। সাইবার সেফটি তৈরি করার ক্ষেত্রে তাদেরকে দেখতে চাই।’
উপদেষ্টা তরুণদের উদ্দেশে বলেন, ‘তোমরা কি ভাবছো, তোমরা কি চাইছো? তোমাদের সেই বুঝ আমাদের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। তো সেটাকে কেন্দ্র করেই আমরা আমাদের কৌশলটা সাজাতে চাই। আমরা একটা সোশ্যাল ফোর্স তৈরি করতে যাচ্ছি। এর বড় দায়িত্ব হচ্ছে মন্ত্রণালয়কে তোমাদের ঘর পর্যন্ত পৌঁছানো। আর এই জায়গায় আমরা যে মেয়েদের ট্রেইন-আপ করব, সেখানে তাদের জেন্ডার রিলেটেড অ্যাওয়ারনেস থেকে শুরু করে, ফিজিক্যাল ট্রেনিং, সেলফ ডিফেন্স ট্রেনিং, প্যারামিলিটারি ট্রেনিং—সবটুকুই ভাবা হয়েছে। যেটা আমরা শুরু করতে যাচ্ছি। এটা নারীদের জন্য একটা ক্ষেত্র হবে, যেটাতে তারা মাথা উঁচু করে তাদের সমস্যাগুলো মোকাবিলা করতে পারে।’
সাইবার বুলিংয়ের জন্য আলাদা ইউনিট করতে হবে মন্তব্য করে উপদেষ্টা বলেন, সাইবার বুলিং ব্যাপক আকার ধারণ করেছে। এটার জন্য আলাদা ইউনিট করতে হবে।
আলোচনা সভায় আরও বক্তব্য দেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের অধ্যাপক গীতি আরা নাসরীন, লেখক ও গবেষক মাহা মির্জা, ড. রেজওয়ানা কবীর স্নিগ্ধা, উমামা ফাতেমা প্রমুখ।

সমাজকল্যাণ এবং মহিলা ও শিশুবিষয়ক উপদেষ্টা শারমীন এস মুরশিদ বলেছেন, ‘আমরা যেসব মেয়েদের ট্রেইন-আপ করব, সেখানে তাদের জেন্ডার রিলেটেড অ্যাওয়ারনেস থেকে শুরু করে, ফিজিক্যাল ট্রেনিং, সেলফ ডিফেন্স ট্রেনিং, প্যারামিলিটারি ট্রেনিং সবটুকুই ভাবা হয়েছে। যেটা আমরা শুরু করতে যাচ্ছি। এটা নারীদের জন্য একটা ক্ষেত্র হবে, যেটাতে তারা মাথা উঁচু করে তাদের সমস্যাগুলো মোকাবিলা করতে পারে।’
আজ সোমবার জাতীয় প্রেসক্লাবের আবদুস সালাম হলে ‘কথা বলো নারী’র উদ্যোগে আয়োজিত ‘নারীর চোখে আগামীর বাংলাদেশ’ শীর্ষক মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
উপদেষ্টা বলেন, ‘আমরা যদি নিরাপত্তাটা দিতে না পারি, তাহলে নারীর বিকাশ ঘটবে না। মেয়েরা যদি স্কুলে নিরাপদ না হয়, রাস্তায় নিরাপদ না হয়, বাসে নিরাপদ না হয়, তাহলে সে মেয়েটি কীভাবে একটি সুন্দর পরিবেশে নিজেকে গড়ে তুলবে। আমার মনে হয় এদিকে আমাদের খেয়াল রাখা দরকার।’
উপদেষ্টা আরও বলেন, ‘চব্বিশে যারা যুদ্ধ করেছে, তাদের আমরা কাজে লাগাতে চাই। সোশ্যাল ফোর্স হিসেবে দেখতে চাই। সাইবার সেফটি তৈরি করার ক্ষেত্রে তাদেরকে দেখতে চাই।’
উপদেষ্টা তরুণদের উদ্দেশে বলেন, ‘তোমরা কি ভাবছো, তোমরা কি চাইছো? তোমাদের সেই বুঝ আমাদের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। তো সেটাকে কেন্দ্র করেই আমরা আমাদের কৌশলটা সাজাতে চাই। আমরা একটা সোশ্যাল ফোর্স তৈরি করতে যাচ্ছি। এর বড় দায়িত্ব হচ্ছে মন্ত্রণালয়কে তোমাদের ঘর পর্যন্ত পৌঁছানো। আর এই জায়গায় আমরা যে মেয়েদের ট্রেইন-আপ করব, সেখানে তাদের জেন্ডার রিলেটেড অ্যাওয়ারনেস থেকে শুরু করে, ফিজিক্যাল ট্রেনিং, সেলফ ডিফেন্স ট্রেনিং, প্যারামিলিটারি ট্রেনিং—সবটুকুই ভাবা হয়েছে। যেটা আমরা শুরু করতে যাচ্ছি। এটা নারীদের জন্য একটা ক্ষেত্র হবে, যেটাতে তারা মাথা উঁচু করে তাদের সমস্যাগুলো মোকাবিলা করতে পারে।’
সাইবার বুলিংয়ের জন্য আলাদা ইউনিট করতে হবে মন্তব্য করে উপদেষ্টা বলেন, সাইবার বুলিং ব্যাপক আকার ধারণ করেছে। এটার জন্য আলাদা ইউনিট করতে হবে।
আলোচনা সভায় আরও বক্তব্য দেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের অধ্যাপক গীতি আরা নাসরীন, লেখক ও গবেষক মাহা মির্জা, ড. রেজওয়ানা কবীর স্নিগ্ধা, উমামা ফাতেমা প্রমুখ।

সামাজিক প্ল্যাটফর্ম ‘মন জানালা’। ৪০ পেরোনো নারীর মন, শরীর আর ভবিষ্যৎ নিয়ে নতুন করে ভাবার আকাঙ্ক্ষাকে কেন্দ্র ‘থেমে যাওয়া নয়, সময় এখন এগিয়ে যাবার’ শিরোনামে বিশেষ সেশনের আয়োজন করে। ১৬ জানুয়ারি রাজধানীর বাংলামোটরে বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রে এই আয়োজন অনুষ্ঠিত হয়।
১৬ ঘণ্টা আগে
বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের শীর্ষ নেতাদের ইচ্ছা থাকলেও আর্থসামাজিক বাধা ও প্রেক্ষাপটের কারণে নির্বাচনে বেশিসংখ্যক নারী প্রার্থীকে মনোনয়ন দেওয়া যাচ্ছে না। রাজনীতির মাঠে, বিশেষ করে নির্বাচনে পেশিশক্তি ও অর্থনৈতিক সক্ষমতা—বড় নিয়ামক হয়ে দাঁড়ায়। নারীরা এ ক্ষেত্রে পিছিয়ে থাকেন।
২ দিন আগে
লৈঙ্গিক সমতা শুধু একটি সামাজিক আদর্শ নয়, এটি একটি দেশের অর্থনৈতিক সক্ষমতা বৃদ্ধির অন্যতম প্রধান চাবিকাঠি। ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরাম ২০২৫ সালের সর্বশেষ প্রতিবেদন জানিয়েছে, বিশ্বজুড়ে লৈঙ্গিক বৈষম্য বর্তমানে ৬৮ দশমিক ৮ শতাংশ দূর হয়েছে। তবে বর্তমান অগ্রগতির গতি বজায় থাকলে পূর্ণ সমতা অর্জনে বিশ্বকে আরও ১২৩
৪ দিন আগে
বাংলাদেশের সংবিধান প্রণয়নের ইতিহাসে এক অনন্য নাম ড. রাজিয়া বানু। ১৯৭২ সালে স্বাধীন বাংলাদেশের সংবিধান রচনার জন্য যে ৩৪ সদস্যের খসড়া কমিটি গঠন করা হয়েছিল, তিনি ছিলেন সেই কমিটির একমাত্র নারী সদস্য। বাংলাদেশের সর্বোচ্চ আইন প্রণয়নে অবিস্মরণীয় অবদান রেখে গেছেন তিনি।
৪ দিন আগে