নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

নারীর প্রতি সমাজের বৈষম্যমূলক দৃষ্টিভঙ্গি দীর্ঘদিনের, যা নারী-পুরুষ উভয়ের মধ্যে আছে। এ প্রতিকূলতা মোকাবিলায় নারীর নিজেকে তৈরি করতে হবে। ৯ অক্টোবর বিকেলে রাজধানীর সেগুনবাগিচায় বাংলাদেশ মহিলা পরিষদের নেতাদের সঙ্গে তরুণ প্রজন্মের মতবিনিময় সভায় বক্তারা এসব কথা বলেন।
সভায় বাংলাদেশ মহিলা পরিষদের সভাপতি ডা. ফওজিয়া মোসলেম বলেন, সমস্যার কেন্দ্রবিন্দু হলো নারীকে মানুষ ভাবতে না পারা। নারী-পুরুষের বিভেদ দূর করতে মেয়েদের নিজেকে আগে মানুষ হিসেবে ভাবতে হবে। মেয়েরা যত এগিয়ে আসছে, তাদের তত পেছনে টেনে রাখা হচ্ছে। এটা দমাতে নারী আন্দোলন সহায়ক ভূমিকা পালন করছে। পরিবর্তিত পরিস্থিতির প্রেক্ষাপটে নারীর অগ্রযাত্রাকে এগিয়ে নিতে সমাজের প্রচলিত বৈষম্যমূলক রীতিনীতি ও প্রথার বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধভাবে লড়াই করতে হবে।
সংগঠনের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সীমা মোসলেম বলেন, বিভিন্ন চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করে নারীরা আজ অনেক দূর এগিয়ে গেলেও সামনে নতুন চ্যালেঞ্জ আসছে। সব নারীর সমস্যা এক নয়। তবে সমস্যা সমাধানে সবার একযোগে কাজ করতে হবে।
মুক্ত আলোচনায় অংশ নেওয়া তরুণ প্রজন্মের প্রতিনিধিরা বলেন, বাংলাদেশের মেয়েদের অগ্রগতির অবস্থানকে টেকসই করতে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে। বক্তারা স্কুল-কলেজে গিয়ে মেয়েদের জন্য ইভ টিজিং, জেন্ডারভিত্তিক সহিংসতা প্রতিরোধে সচেতনতামূলক প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করার আহ্বান জানান। অভিন্ন পারিবারিক আইন ও সম্পদ-সম্পত্তিতে নারীর সমান অধিকারের দাবি
জানান তাঁরা।

নারীর প্রতি সমাজের বৈষম্যমূলক দৃষ্টিভঙ্গি দীর্ঘদিনের, যা নারী-পুরুষ উভয়ের মধ্যে আছে। এ প্রতিকূলতা মোকাবিলায় নারীর নিজেকে তৈরি করতে হবে। ৯ অক্টোবর বিকেলে রাজধানীর সেগুনবাগিচায় বাংলাদেশ মহিলা পরিষদের নেতাদের সঙ্গে তরুণ প্রজন্মের মতবিনিময় সভায় বক্তারা এসব কথা বলেন।
সভায় বাংলাদেশ মহিলা পরিষদের সভাপতি ডা. ফওজিয়া মোসলেম বলেন, সমস্যার কেন্দ্রবিন্দু হলো নারীকে মানুষ ভাবতে না পারা। নারী-পুরুষের বিভেদ দূর করতে মেয়েদের নিজেকে আগে মানুষ হিসেবে ভাবতে হবে। মেয়েরা যত এগিয়ে আসছে, তাদের তত পেছনে টেনে রাখা হচ্ছে। এটা দমাতে নারী আন্দোলন সহায়ক ভূমিকা পালন করছে। পরিবর্তিত পরিস্থিতির প্রেক্ষাপটে নারীর অগ্রযাত্রাকে এগিয়ে নিতে সমাজের প্রচলিত বৈষম্যমূলক রীতিনীতি ও প্রথার বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধভাবে লড়াই করতে হবে।
সংগঠনের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সীমা মোসলেম বলেন, বিভিন্ন চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করে নারীরা আজ অনেক দূর এগিয়ে গেলেও সামনে নতুন চ্যালেঞ্জ আসছে। সব নারীর সমস্যা এক নয়। তবে সমস্যা সমাধানে সবার একযোগে কাজ করতে হবে।
মুক্ত আলোচনায় অংশ নেওয়া তরুণ প্রজন্মের প্রতিনিধিরা বলেন, বাংলাদেশের মেয়েদের অগ্রগতির অবস্থানকে টেকসই করতে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে। বক্তারা স্কুল-কলেজে গিয়ে মেয়েদের জন্য ইভ টিজিং, জেন্ডারভিত্তিক সহিংসতা প্রতিরোধে সচেতনতামূলক প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করার আহ্বান জানান। অভিন্ন পারিবারিক আইন ও সম্পদ-সম্পত্তিতে নারীর সমান অধিকারের দাবি
জানান তাঁরা।

লৈঙ্গিক সমতা শুধু একটি সামাজিক আদর্শ নয়, এটি একটি দেশের অর্থনৈতিক সক্ষমতা বৃদ্ধির অন্যতম প্রধান চাবিকাঠি। ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরাম ২০২৫ সালের সর্বশেষ প্রতিবেদন জানিয়েছে, বিশ্বজুড়ে লৈঙ্গিক বৈষম্য বর্তমানে ৬৮ দশমিক ৮ শতাংশ দূর হয়েছে। তবে বর্তমান অগ্রগতির গতি বজায় থাকলে পূর্ণ সমতা অর্জনে বিশ্বকে আরও ১২৩
১১ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশের সংবিধান প্রণয়নের ইতিহাসে এক অনন্য নাম ড. রাজিয়া বানু। ১৯৭২ সালে স্বাধীন বাংলাদেশের সংবিধান রচনার জন্য যে ৩৪ সদস্যের খসড়া কমিটি গঠন করা হয়েছিল, তিনি ছিলেন সেই কমিটির একমাত্র নারী সদস্য। বাংলাদেশের সর্বোচ্চ আইন প্রণয়নে অবিস্মরণীয় অবদান রেখে গেছেন তিনি।
১২ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশ হাইকোর্ট সম্প্রতি একটি গুরুত্বপূর্ণ রায় দিয়েছেন, যেটি মুসলিম পারিবারিক আইনসংক্রান্ত বহুবিবাহের প্রক্রিয়া। এই রায়ে হাইকোর্ট মুসলিম পারিবারিক আইন অধ্যাদেশ, ১৯৬১ অনুযায়ী একজন ব্যক্তির বিয়ে বহাল থাকা অবস্থায় দ্বিতীয় বিয়ে করতে হলে ‘সালিশি কাউন্সিলের লিখিত অনুমতি’ নিতে হবে, এমন বিধান
১২ ঘণ্টা আগে
সত্তর দশকের তেহরান ছিল আজকের চেয়ে একেবারেই ভিন্ন। সেই ভিন্ন তেহরানের এক প্রাণচঞ্চল কিশোরী ছিলেন মেরিনা। যে কিশোরী সমুদ্রসৈকতে নিজের মতো করে ঘুরে বেড়াতে, বন্ধুদের সঙ্গে গানের তালে নেচে বেড়াতে পছন্দ করতেন। কিন্তু ১৯৭৯ সালের ইসলামি বিপ্লব মেরিনার রঙিন শৈশব নিমেষে ধূসর করে দেয়। ইরানি বংশোদ্ভূত কানাডীয়
১৩ ঘণ্টা আগে