জিন মারিয়ান ওপেনহাইমার ছিলেন একজন ভ্রূণবিজ্ঞানী এবং বিজ্ঞান ইতিহাসবিদ। ভ্রূণবিজ্ঞানে তাঁর অন্যতম অবদান ছিল একধরনের মাছের ভ্রূণের ওপর পরীক্ষা। বিস্তারিত তথ্যের প্রতি নির্ভুল মনোযোগ এবং প্রজ্ঞার জন্য বিজ্ঞান মহলে তিনি আজও স্মরণীয়।
জিন মারিয়ান দেখান যে ফান্ডুলাস হেটেরোক্লিটাস নামের সেই মাছের ভ্রূণের ডরসাল লিপ উভচর প্রাণীর মতোই অর্গানাইজার হিসেবে কাজ করে। এ ছাড়া তিনি গ্যাস্ট্রুলেশন কোষের গতিবিধি বর্ণনা এবং ফেট ম্যাপিং করেন। ১৯৩৫ সালে ইয়েল বিশ্ববিদ্যালয় থেকে প্রাণিবিজ্ঞানে পিএইচডি অর্জনের পর ১৯৩৮ সালে তিনি ব্রিন মাওর কলেজে শিক্ষক হিসেবে যোগ দেন। ১৯৮০ সালে অবসর নেন। তাঁর তৈরি বিশেষ ভ্রূণ ১৯৭৫ সালের ঐতিহাসিক অ্যাপোলো-সোয়ুজ যৌথ মহাকাশ মিশনে পাঠানো হয়েছিল মহাকর্ষহীনতার প্রভাব গবেষণার জন্য।
বিজ্ঞান ইতিহাসবিদ হিসেবে তিনি ভ্রূণবিদ্যার উৎপত্তি, বিবর্তনবাদ এবং কার্ল ই ভন বায়ার ও রস হ্যারিসনের মতো বিজ্ঞানীদের জীবনী নিয়ে অজস্র নিবন্ধ লিখেছেন। এ ছাড়া ৪০০টির বেশি বই পর্যালোচনা করেছেন। শিক্ষাদান ও গবেষণার স্বীকৃতি হিসেবে তিনি আমেরিকান ফিলোসফিক্যাল সোসাইটির সম্পাদক নির্বাচিত হন। এ ছাড়া তিনি কাইনথ এরনেস্ট ভন বায়ার মেডেলসহ বহু মর্যাদাপূর্ণ পুরস্কারে ভূষিত হন। জিন মারিয়ান ওপেনহাইমারের জন্ম ১৯১১ সালের ১৯ সেপ্টেম্বর। ৮৪ বছর বয়সে ১৯৯৬ সালের ১৯ মার্চ তিনি মারা যান।

এমন যদি হয়—ফেসবুক স্ক্রল করতে করতে একটি পেজ চলে এল আপনার সামনে। নাম ‘নিশু পিশু’। সেখানে একজন বইয়ের গল্প বলছেন। আপনি কিছুটা থমকে গেলেন। গল্পটা মন দিয়ে শুনলেন। তারপর বইটি কিনে পড়লেন। বইটি পড়ে মুগ্ধও হলেন। যাঁর গল্প শুনে বইটি কিনতে আগ্রহী হলেন, তিনি নিশাত সিকদার।
৩ ঘণ্টা আগে
বিশ্ব ইতিহাসে সর্বাধিক বিক্রি হওয়া বইয়ের লেখকদের তালিকায় অন্যতম নাম উইলিয়াম শেক্সপিয়ার কিংবা আগাথা ক্রিস্টি। একনামে সাহিত্যপ্রেমীরা সবাই তাঁদের চেনে। কিন্তু ডেম বারবারা কার্টল্যান্ডকে চিনতে পারবেন কি? বেশির ভাগ মানুষের উত্তর হবে—না।
৩ ঘণ্টা আগে
আধুনিক ইতিহাস ও নারী অধিকার আন্দোলনের পাতায় ১৬ সেপ্টেম্বর তারিখটি রক্তক্ষয়ী এক সংগ্রামের প্রতীক হয়ে থাকা কালো দিন। আজ থেকে ঠিক চার বছর আগে, ২০২২ সালের এই দিনে তেহরানের একটি হাসপাতালে মাত্র ২২ বছর বয়সী এক কুর্দি তরুণী শেষনিশ্বাস ত্যাগ করেন। সেই তরুণীর নাম মাহসা জিনা আমিনি।
৪ ঘণ্টা আগে
সিরিয়ার উত্তর-পূর্বাঞ্চলের হাসাকা প্রদেশ। সূর্য ডোবার সময় পাহাড়ের ওপর দুর্গের মতো তৈরি সামরিক স্থাপনার পাশ দিয়ে ছুটছেন কয়েকজন তরুণী। কারও হাতে কালাশনিকভ অর্থাৎ একে-৪৭ রাইফেল। তবে শত্রুর দিকে অস্ত্র তাক করতে নয়, সূর্যাস্তের হালকা নীল ও সবুজ আলোয় ছবি তুলতেই তাঁদের এই ব্যস্ততা।
৭ দিন আগে