উত্তরণ
ব্যারিস্টার ইফফাত গিয়াস আরেফিন

আমরা দুই বোন, ভাই নেই। ছোটবেলায় বাবা মারা যান। বাবার রেখে যাওয়া দুটি ফ্ল্যাট হেবা করা হয়েছে। কিন্তু তা রেজিস্ট্রেশন হয়েছে কি না, আমরা দুই বোন জানি না। সম্প্রতি মা আবার বিয়ে করেছেন এবং মায়ের কেনা একটি জমি আছে। বর্তমান বাবা কি আমাদের ওয়ারিশ? আর কীভাবে কী করলে আমরা নিরাপদ?
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক, ঢাকা
আপনার পরিস্থিতি পারিবারিক উত্তরাধিকার ও সম্পত্তি-সম্পর্কিত আইনের মধ্যে পড়ে। প্রথমত আপনার বাবার রেখে যাওয়া সম্পত্তি (দুটি ফ্ল্যাট) সম্পর্কে বলি। সেগুলো যদি হেবা (উপহার) করা হয়ে থাকে, তবে দেখতে হবে, হেবা আইনত বৈধভাবে সম্পন্ন হয়েছে কি না। হেবা যদি শুধু মৌখিকভাবে করা হয়, তবে তা আইনি ভিত্তিতে দুর্বল হতে পারে। হেবা নিবন্ধিত (রেজিস্ট্রেশন) করা হয়েছে কি না, তা জেলা সাবরেজিস্ট্রার অফিসে খোঁজ নিয়ে নিশ্চিত হতে হবে। যদি হেবা বৈধভাবে সম্পন্ন না হয়ে থাকে, তাহলে আপনারা দুই বোন ওয়ারিশ হিসেবে বাবার সম্পত্তির উত্তরাধিকার দাবি করতে পারেন।
দ্বিতীয়ত আপনার মায়ের কেনা জমি তাঁর ব্যক্তিগত সম্পত্তি। তিনি যাকে ইচ্ছা এই জমি দিতে পারেন। আপনার মা যদি এই সম্পত্তির ব্যাপারে কোনো উইল (অছি বা অসিয়তনামা) করে না যান, তাহলে তাঁর মৃত্যুর পর তাঁর সন্তানেরা এবং বর্তমান স্বামী ওয়ারিশ হতে পারে।
অর্থাৎ, আপনার মায়ের বর্তমান স্বামী আইনি ওয়ারিশ হবেন, তবে সেটা মায়ের মৃত্যুর পর। কিন্তু মা যদি জীবদ্দশায় আপনাদের নামে হেবা করে দেন বা উইল লিখে দেন, তাহলে বর্তমান স্বামীর কোনো অধিকার থাকবে না।
এ বিষয়ে বাবার সম্পত্তির (দুটি ফ্ল্যাটের ক্ষেত্রে) জন্য আপনাদের করণীয় হবে, সাবরেজিস্ট্রার অফিস থেকে তথ্য সংগ্রহ করা। আপনার বাবার ফ্ল্যাটের হেবা রেজিস্ট্রেশন হয়েছে কি না, তা নিশ্চিত হওয়া। যদি হেবা রেজিস্ট্রেশন না হয়ে থাকে, তবে ওয়ারিশান সনদ সংগ্রহ করুন এবং আইনগতভাবে অংশীদারত্ব দাবি করুন।
মায়ের সম্পত্তির ক্ষেত্রে আপনাদের করণীয় হবে, মায়ের সঙ্গে বসে উইল বা হেবা করার ব্যাপারে আলোচনা করা, যাতে ভবিষ্যতে কোনো সমস্যা না হয়। মা যদি আপনাদের নামে জমি হেবা করতে চান, তাহলে তা সাবরেজিস্ট্রার অফিসে গিয়ে রেজিস্ট্রেশন করান।
যেহেতু বিষয়টি সম্পত্তির মালিকানা ও উত্তরাধিকারের সঙ্গে জড়িত, তাই একজন আইনজীবীর পরামর্শ নিন। তিনি আপনাদের আইনি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র তৈরি এবং পরবর্তী পদক্ষেপ নিতে সাহায্য করতে পারেন।
পরামর্শ দিয়েছেন: ব্যারিস্টার ইফফাত গিয়াস আরেফিন, অ্যাডভোকেট, বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট

আমরা দুই বোন, ভাই নেই। ছোটবেলায় বাবা মারা যান। বাবার রেখে যাওয়া দুটি ফ্ল্যাট হেবা করা হয়েছে। কিন্তু তা রেজিস্ট্রেশন হয়েছে কি না, আমরা দুই বোন জানি না। সম্প্রতি মা আবার বিয়ে করেছেন এবং মায়ের কেনা একটি জমি আছে। বর্তমান বাবা কি আমাদের ওয়ারিশ? আর কীভাবে কী করলে আমরা নিরাপদ?
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক, ঢাকা
আপনার পরিস্থিতি পারিবারিক উত্তরাধিকার ও সম্পত্তি-সম্পর্কিত আইনের মধ্যে পড়ে। প্রথমত আপনার বাবার রেখে যাওয়া সম্পত্তি (দুটি ফ্ল্যাট) সম্পর্কে বলি। সেগুলো যদি হেবা (উপহার) করা হয়ে থাকে, তবে দেখতে হবে, হেবা আইনত বৈধভাবে সম্পন্ন হয়েছে কি না। হেবা যদি শুধু মৌখিকভাবে করা হয়, তবে তা আইনি ভিত্তিতে দুর্বল হতে পারে। হেবা নিবন্ধিত (রেজিস্ট্রেশন) করা হয়েছে কি না, তা জেলা সাবরেজিস্ট্রার অফিসে খোঁজ নিয়ে নিশ্চিত হতে হবে। যদি হেবা বৈধভাবে সম্পন্ন না হয়ে থাকে, তাহলে আপনারা দুই বোন ওয়ারিশ হিসেবে বাবার সম্পত্তির উত্তরাধিকার দাবি করতে পারেন।
দ্বিতীয়ত আপনার মায়ের কেনা জমি তাঁর ব্যক্তিগত সম্পত্তি। তিনি যাকে ইচ্ছা এই জমি দিতে পারেন। আপনার মা যদি এই সম্পত্তির ব্যাপারে কোনো উইল (অছি বা অসিয়তনামা) করে না যান, তাহলে তাঁর মৃত্যুর পর তাঁর সন্তানেরা এবং বর্তমান স্বামী ওয়ারিশ হতে পারে।
অর্থাৎ, আপনার মায়ের বর্তমান স্বামী আইনি ওয়ারিশ হবেন, তবে সেটা মায়ের মৃত্যুর পর। কিন্তু মা যদি জীবদ্দশায় আপনাদের নামে হেবা করে দেন বা উইল লিখে দেন, তাহলে বর্তমান স্বামীর কোনো অধিকার থাকবে না।
এ বিষয়ে বাবার সম্পত্তির (দুটি ফ্ল্যাটের ক্ষেত্রে) জন্য আপনাদের করণীয় হবে, সাবরেজিস্ট্রার অফিস থেকে তথ্য সংগ্রহ করা। আপনার বাবার ফ্ল্যাটের হেবা রেজিস্ট্রেশন হয়েছে কি না, তা নিশ্চিত হওয়া। যদি হেবা রেজিস্ট্রেশন না হয়ে থাকে, তবে ওয়ারিশান সনদ সংগ্রহ করুন এবং আইনগতভাবে অংশীদারত্ব দাবি করুন।
মায়ের সম্পত্তির ক্ষেত্রে আপনাদের করণীয় হবে, মায়ের সঙ্গে বসে উইল বা হেবা করার ব্যাপারে আলোচনা করা, যাতে ভবিষ্যতে কোনো সমস্যা না হয়। মা যদি আপনাদের নামে জমি হেবা করতে চান, তাহলে তা সাবরেজিস্ট্রার অফিসে গিয়ে রেজিস্ট্রেশন করান।
যেহেতু বিষয়টি সম্পত্তির মালিকানা ও উত্তরাধিকারের সঙ্গে জড়িত, তাই একজন আইনজীবীর পরামর্শ নিন। তিনি আপনাদের আইনি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র তৈরি এবং পরবর্তী পদক্ষেপ নিতে সাহায্য করতে পারেন।
পরামর্শ দিয়েছেন: ব্যারিস্টার ইফফাত গিয়াস আরেফিন, অ্যাডভোকেট, বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট

লৈঙ্গিক সমতা শুধু একটি সামাজিক আদর্শ নয়, এটি একটি দেশের অর্থনৈতিক সক্ষমতা বৃদ্ধির অন্যতম প্রধান চাবিকাঠি। ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরাম ২০২৫ সালের সর্বশেষ প্রতিবেদন জানিয়েছে, বিশ্বজুড়ে লৈঙ্গিক বৈষম্য বর্তমানে ৬৮ দশমিক ৮ শতাংশ দূর হয়েছে। তবে বর্তমান অগ্রগতির গতি বজায় থাকলে পূর্ণ সমতা অর্জনে বিশ্বকে আরও ১২৩
১ দিন আগে
বাংলাদেশের সংবিধান প্রণয়নের ইতিহাসে এক অনন্য নাম ড. রাজিয়া বানু। ১৯৭২ সালে স্বাধীন বাংলাদেশের সংবিধান রচনার জন্য যে ৩৪ সদস্যের খসড়া কমিটি গঠন করা হয়েছিল, তিনি ছিলেন সেই কমিটির একমাত্র নারী সদস্য। বাংলাদেশের সর্বোচ্চ আইন প্রণয়নে অবিস্মরণীয় অবদান রেখে গেছেন তিনি।
১ দিন আগে
বাংলাদেশ হাইকোর্ট সম্প্রতি একটি গুরুত্বপূর্ণ রায় দিয়েছেন, যেটি মুসলিম পারিবারিক আইনসংক্রান্ত বহুবিবাহের প্রক্রিয়া। এই রায়ে হাইকোর্ট মুসলিম পারিবারিক আইন অধ্যাদেশ, ১৯৬১ অনুযায়ী একজন ব্যক্তির বিয়ে বহাল থাকা অবস্থায় দ্বিতীয় বিয়ে করতে হলে ‘সালিশি কাউন্সিলের লিখিত অনুমতি’ নিতে হবে, এমন বিধান
১ দিন আগে
সত্তর দশকের তেহরান ছিল আজকের চেয়ে একেবারেই ভিন্ন। সেই ভিন্ন তেহরানের এক প্রাণচঞ্চল কিশোরী ছিলেন মেরিনা। যে কিশোরী সমুদ্রসৈকতে নিজের মতো করে ঘুরে বেড়াতে, বন্ধুদের সঙ্গে গানের তালে নেচে বেড়াতে পছন্দ করতেন। কিন্তু ১৯৭৯ সালের ইসলামি বিপ্লব মেরিনার রঙিন শৈশব নিমেষে ধূসর করে দেয়। ইরানি বংশোদ্ভূত কানাডীয়
২ দিন আগে