মুহাম্মদ শফিকুর রহমান

‘২০২৪ সালের মর্যাদাপূর্ণ এশিয়ান এক্সিলেন্স অ্যাচিভার্স অ্যাওয়ার্ড অর্জন করায় অ্যাকসেস এক্সচেঞ্জ প্রোগ্রামের সাবেক শিক্ষার্থী নুজহাত তাবাসসুম জাফরিনকে শুভেচ্ছা!’ এভাবেই ঢাকার যুক্তরাষ্ট্রের দূতাবাস অভিনন্দন জানিয়েছিল তাঁকে।
নুজহাত তাবাসসুম জাফরিন ২০১৬ সাল থেকে অনলাইনে শিশুখাদ্য পণ্য বিক্রি করেন। বর্তমানে মাসে তাঁর আয় পাঁচ থেকে ছয় লাখ টাকা। এখন তাঁর সঙ্গে কাজ করছেন ৩০ জন।
শুরুর গল্প
নিজের সন্তানের খাদ্য ও পুষ্টি নিয়ে খোঁজখবর করতে গিয়ে নুজহাত দেখলেন, দেশের শিশুরা ভয়াবহভাবে অপুষ্টির শিকার। শিশুর পুষ্টির বিষয়ে বাবা-মায়েরা সচেতন নন। আবার বাজারে যেসব শিশুখাদ্য আছে, সেগুলোর দাম বেশ চড়া। এই অবস্থায় তিনি নিজেই শিশুখাদ্যের ব্যবসায় নেমে পড়েন। শিশুখাদ্য ও পুষ্টি নিয়ে তাঁর পড়াশোনা ছিল আগে থেকে।
নুজহাত তাবাসসুম জাফরিন দুই সন্তানের মা। যিনি শুধু নিজের সন্তানের পুষ্টিসমৃদ্ধ খাদ্য নিশ্চিত করেই থেমে থাকেননি। বছরে ৩০ হাজারের বেশি পরিবারের শিশু তাঁর তৈরি খাদ্য নিয়ে পুষ্টি নিশ্চিত করছে। স্বামী, সন্তান নিয়ে নুজহাতের পরিবার। বেড়ে উঠেছেন পুরান ঢাকায়। চার বোনের মধ্যে নুজহাতই বড়। ছোট দুই বোনও ব্যবসার সঙ্গে জড়িত ছিলেন অনেক দিন। একেবারে ছোট বোন আন্তর্জাতিক পুরস্কারপ্রাপ্ত ক্যালিগ্রাফার।
আগে পড়াশোনা, পরে ব্যবসা
শিশুখাদ্য বিষয়ের উদ্যোক্তা; তাই আগে পড়তে হবে। এই ভাবনা থেকে শুরুতে শিশুর পুষ্টি ও স্বাস্থ্য নিয়ে পড়াশোনায় মন দেন নুজহাত জাফরিন। টেক ইউনিভার্সিটি থেকে ‘ক্লিনিক্যাল নিউট্রিশন ইন পেডিয়াট্রিকস’ বিষয়ে অনলাইনে স্নাতক শেষ করেন। একই মাধ্যমে করেছেন শিশুস্বাস্থ্য, খাদ্য ও পুষ্টি বিষয়ে সাতটি ডিপ্লোমা ও শর্ট কোর্স। এর আগে
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ইসলামিক স্টাডিজে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর সম্পন্ন করেন তিনি। শিক্ষাজীবনে ইউএস ডিপার্টমেন্ট অব স্টেটের ইংলিশ অ্যাকসেস মাইক্রো স্কলারশিপ প্রোগ্রামের স্কলারশিপ পেয়েছিলেন নুজহাত।
ফেসবুক পোস্টে ব্যাপক সাড়া
সন্তানের জন্য খাবার তৈরি করে ফেসবুকে একটি পোস্ট দিয়েছিলেন নুজহাত। সেই পোস্টে শিশুদের ঘরে তৈরি পুষ্টিকর খাবার খাওয়ানোর আহ্বান জানান তিনি। সেই পোস্টে ব্যাপক সাড়া পড়ে। অনেকে জাফরিনকে অনুরোধ করেন, তিনি যেন তাঁদের সন্তানদের জন্যও খাবার তৈরি করে দেন। তখন জাফরিনের হাতে মাত্র ২ হাজার টাকা। সেটিই হলো তাঁর ব্যবসার মূলধন। প্রথম দিন ছিল ৭টি অর্ডার। ৭ থেকে কবে অর্ডার ৭০০-তে পৌঁছে যায়, টের পাননি তিনি।
যা বিক্রি করেন
প্রায় সব বয়সী শিশুদের জন্য পুষ্টিকর খাবার তৈরি এবং সরবরাহ করেন নুজহাত। তাঁর খাবারগুলোর মধ্যে আছে বিভিন্ন আয়রন, ক্যালসিয়ামসমৃদ্ধ উপাদান বা গ্রেন দিয়ে তৈরি সিরিয়াল, রেডি খিচুড়ি মিক্স, ওটমিল, ভেজিটেবল নুডলস, গ্লুটেন ফ্রি রাইস নুডলস, গ্লুটেন ফ্রি ফ্লাওয়ার, পিনাট বাটার, ডার্ক চকলেট পিনাট বাটার, স্যুপ মিক্স, বার্লি সিরিয়াল, প্রোটিন পাউডার, খেজুরের পিউরি, খেজুরের গুড়, ফিরনি মিক্সড, মায়েদের সুস্বাস্থ্যের জন্য মাদার মিক্স ইত্যাদি।
ভালো খাবার তৈরির জন্য গুরুত্বপূর্ণ হলো কাঁচামালের মান। নুজহাত বিভিন্ন অঞ্চল ঘুরে নিজেই কাঁচামাল সংগ্রহ করেন। পাহাড়ি এলাকা থেকে আনেন বিভিন্ন ধরনের চাল। আবার কৃষকদের কাছ থেকে তিনি সংগ্রহ করেন ঢেঁকিছাঁটা চালসহ বিভিন্ন দেশীয় শস্য।
অভিভাবক, পুষ্টিবিদদের আস্থা
নুজহাত জাফরিনের তৈরি শিশুখাদ্য বাংলাদেশ শিল্প ও বিজ্ঞান গবেষণা পরিষদ থেকে পরীক্ষা করানো। এসব খাবার এক্সেপ্টেড ইন কোয়ালিটি সার্টিফায়েড এবং আইএসও ৯০০১ সনদপ্রাপ্ত। নুজহাত জানান, দেশে পাঁচ শতাধিক পুষ্টিবিদ ও চিকিৎসক নিজের সন্তানদের তাঁর তৈরি খাবার খাওয়ান। তাঁরা সন্তুষ্ট হয়ে সম্পূর্ণ স্বেচ্ছায় জাফরিনের পেজে সন্তুষ্টিমূলক মত দেন।
আয়ের খোঁজখবর
নুজহাত জাফরিনের ব্যবসা সম্পূর্ণ অনলাইনভিত্তিক। ফেসবুকে তাঁর পেজের নাম ‘হোম মেড ফুড ফর বেবিজ বাই জাফরিন’। ২০১৬ সালে শুরু হওয়া পেজটির অনুসারী ৮ লাখ ৫৫ হাজারের বেশি। তাঁর আরেকটি পেজের নাম ‘জাফরিন’স হোম মেড বেবি ফুড’। এটিতে অনুসারীর সংখ্যা প্রায় ৯৭ হাজার। নুজহাতের সঙ্গে এখন কাজ করেন ৩০ জন।
এই দুই পেজ থেকে বছরে প্রায় ৩ কোটি টাকার পণ্য বিক্রি হয় বলে জানিয়েছেন নুজহাত। সব ব্যয় বাদ দিয়ে বর্তমানে মাসে তাঁর আয় পাঁচ থেকে ছয় লাখে ওঠানামা করে। তবে এক মাসে সর্বোচ্চ ৭ লাখ টাকা আয় করেছেন তিনি।
আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি
নিরাপদ শিশুখাদ্য সরবরাহের জন্য ২০২৪ সালে এশিয়ান এক্সিলেন্স অ্যাচিভার্স অ্যাওয়ার্ড পেয়েছেন নুজহাত। এটি সাধারণত বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থা
ও নেটওয়ার্কের উদ্যোগে দেওয়া হয়। দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর ৩০ জন সফল ব্যক্তিত্ব সমাজে তাঁদের উল্লেখযোগ্য অবদানের কারণে এই অ্যাওয়ার্ড পান। নুজহাত আরও জানান, এ পর্যন্ত নিরাপদ শিশুখাদ্য সরবরাহে বাংলাদেশ থেকে তাঁর আগে এই অ্যাওয়ার্ড কেউ পায়নি।
এটি ছাড়াও বেস্ট চাইল্ড নিউট্রিশনিস্ট হিসেবে ২০২৩ সালে কলকাতা থেকে আইকনিক স্টার ফ্যাশন ও বিজনেস অ্যাওয়ার্ড, বাইফা অ্যাওয়ার্ড এবং এই বছর ট্র্যাব অ্যাওয়ার্ড পেয়েছেন নুজহাত।
ভ্রমণপ্রেমী নুজহাত
ব্যবসার পাশাপাশি ভ্রমণ নুজহাতের অন্যতম প্রিয় শখ। এখন পর্যন্ত তিনি সৌদি আরব, ভারত, দুবাই, মালদ্বীপ, নেপাল, শ্রীলঙ্কা, মালয়েশিয়া, সিঙ্গাপুর, মিসর, জর্ডান ও ভুটান ভ্রমণ করেছেন। শুধু ঘোরাঘুরিই নয়, তাঁর রয়েছে হাইকিং ও স্কুবা ডাইভিংয়ের প্রতি গভীর আগ্রহ। তিনি হাইকিং করেছেন শ্রীলঙ্কার সিগিরিয়ায় রাবনের লঙ্কা হিসেবে পরিচিত লায়ন রক, জর্ডানের মাউন্ট হারুন এবং ভুটানের বিখ্যাত টাইগার্স নেস্টে। আর মালদ্বীপে সাগরের গভীরে স্কুবা ডাইভিং ছিল তাঁর জীবনের অন্যতম স্মরণীয় অভিজ্ঞতা।

‘২০২৪ সালের মর্যাদাপূর্ণ এশিয়ান এক্সিলেন্স অ্যাচিভার্স অ্যাওয়ার্ড অর্জন করায় অ্যাকসেস এক্সচেঞ্জ প্রোগ্রামের সাবেক শিক্ষার্থী নুজহাত তাবাসসুম জাফরিনকে শুভেচ্ছা!’ এভাবেই ঢাকার যুক্তরাষ্ট্রের দূতাবাস অভিনন্দন জানিয়েছিল তাঁকে।
নুজহাত তাবাসসুম জাফরিন ২০১৬ সাল থেকে অনলাইনে শিশুখাদ্য পণ্য বিক্রি করেন। বর্তমানে মাসে তাঁর আয় পাঁচ থেকে ছয় লাখ টাকা। এখন তাঁর সঙ্গে কাজ করছেন ৩০ জন।
শুরুর গল্প
নিজের সন্তানের খাদ্য ও পুষ্টি নিয়ে খোঁজখবর করতে গিয়ে নুজহাত দেখলেন, দেশের শিশুরা ভয়াবহভাবে অপুষ্টির শিকার। শিশুর পুষ্টির বিষয়ে বাবা-মায়েরা সচেতন নন। আবার বাজারে যেসব শিশুখাদ্য আছে, সেগুলোর দাম বেশ চড়া। এই অবস্থায় তিনি নিজেই শিশুখাদ্যের ব্যবসায় নেমে পড়েন। শিশুখাদ্য ও পুষ্টি নিয়ে তাঁর পড়াশোনা ছিল আগে থেকে।
নুজহাত তাবাসসুম জাফরিন দুই সন্তানের মা। যিনি শুধু নিজের সন্তানের পুষ্টিসমৃদ্ধ খাদ্য নিশ্চিত করেই থেমে থাকেননি। বছরে ৩০ হাজারের বেশি পরিবারের শিশু তাঁর তৈরি খাদ্য নিয়ে পুষ্টি নিশ্চিত করছে। স্বামী, সন্তান নিয়ে নুজহাতের পরিবার। বেড়ে উঠেছেন পুরান ঢাকায়। চার বোনের মধ্যে নুজহাতই বড়। ছোট দুই বোনও ব্যবসার সঙ্গে জড়িত ছিলেন অনেক দিন। একেবারে ছোট বোন আন্তর্জাতিক পুরস্কারপ্রাপ্ত ক্যালিগ্রাফার।
আগে পড়াশোনা, পরে ব্যবসা
শিশুখাদ্য বিষয়ের উদ্যোক্তা; তাই আগে পড়তে হবে। এই ভাবনা থেকে শুরুতে শিশুর পুষ্টি ও স্বাস্থ্য নিয়ে পড়াশোনায় মন দেন নুজহাত জাফরিন। টেক ইউনিভার্সিটি থেকে ‘ক্লিনিক্যাল নিউট্রিশন ইন পেডিয়াট্রিকস’ বিষয়ে অনলাইনে স্নাতক শেষ করেন। একই মাধ্যমে করেছেন শিশুস্বাস্থ্য, খাদ্য ও পুষ্টি বিষয়ে সাতটি ডিপ্লোমা ও শর্ট কোর্স। এর আগে
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ইসলামিক স্টাডিজে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর সম্পন্ন করেন তিনি। শিক্ষাজীবনে ইউএস ডিপার্টমেন্ট অব স্টেটের ইংলিশ অ্যাকসেস মাইক্রো স্কলারশিপ প্রোগ্রামের স্কলারশিপ পেয়েছিলেন নুজহাত।
ফেসবুক পোস্টে ব্যাপক সাড়া
সন্তানের জন্য খাবার তৈরি করে ফেসবুকে একটি পোস্ট দিয়েছিলেন নুজহাত। সেই পোস্টে শিশুদের ঘরে তৈরি পুষ্টিকর খাবার খাওয়ানোর আহ্বান জানান তিনি। সেই পোস্টে ব্যাপক সাড়া পড়ে। অনেকে জাফরিনকে অনুরোধ করেন, তিনি যেন তাঁদের সন্তানদের জন্যও খাবার তৈরি করে দেন। তখন জাফরিনের হাতে মাত্র ২ হাজার টাকা। সেটিই হলো তাঁর ব্যবসার মূলধন। প্রথম দিন ছিল ৭টি অর্ডার। ৭ থেকে কবে অর্ডার ৭০০-তে পৌঁছে যায়, টের পাননি তিনি।
যা বিক্রি করেন
প্রায় সব বয়সী শিশুদের জন্য পুষ্টিকর খাবার তৈরি এবং সরবরাহ করেন নুজহাত। তাঁর খাবারগুলোর মধ্যে আছে বিভিন্ন আয়রন, ক্যালসিয়ামসমৃদ্ধ উপাদান বা গ্রেন দিয়ে তৈরি সিরিয়াল, রেডি খিচুড়ি মিক্স, ওটমিল, ভেজিটেবল নুডলস, গ্লুটেন ফ্রি রাইস নুডলস, গ্লুটেন ফ্রি ফ্লাওয়ার, পিনাট বাটার, ডার্ক চকলেট পিনাট বাটার, স্যুপ মিক্স, বার্লি সিরিয়াল, প্রোটিন পাউডার, খেজুরের পিউরি, খেজুরের গুড়, ফিরনি মিক্সড, মায়েদের সুস্বাস্থ্যের জন্য মাদার মিক্স ইত্যাদি।
ভালো খাবার তৈরির জন্য গুরুত্বপূর্ণ হলো কাঁচামালের মান। নুজহাত বিভিন্ন অঞ্চল ঘুরে নিজেই কাঁচামাল সংগ্রহ করেন। পাহাড়ি এলাকা থেকে আনেন বিভিন্ন ধরনের চাল। আবার কৃষকদের কাছ থেকে তিনি সংগ্রহ করেন ঢেঁকিছাঁটা চালসহ বিভিন্ন দেশীয় শস্য।
অভিভাবক, পুষ্টিবিদদের আস্থা
নুজহাত জাফরিনের তৈরি শিশুখাদ্য বাংলাদেশ শিল্প ও বিজ্ঞান গবেষণা পরিষদ থেকে পরীক্ষা করানো। এসব খাবার এক্সেপ্টেড ইন কোয়ালিটি সার্টিফায়েড এবং আইএসও ৯০০১ সনদপ্রাপ্ত। নুজহাত জানান, দেশে পাঁচ শতাধিক পুষ্টিবিদ ও চিকিৎসক নিজের সন্তানদের তাঁর তৈরি খাবার খাওয়ান। তাঁরা সন্তুষ্ট হয়ে সম্পূর্ণ স্বেচ্ছায় জাফরিনের পেজে সন্তুষ্টিমূলক মত দেন।
আয়ের খোঁজখবর
নুজহাত জাফরিনের ব্যবসা সম্পূর্ণ অনলাইনভিত্তিক। ফেসবুকে তাঁর পেজের নাম ‘হোম মেড ফুড ফর বেবিজ বাই জাফরিন’। ২০১৬ সালে শুরু হওয়া পেজটির অনুসারী ৮ লাখ ৫৫ হাজারের বেশি। তাঁর আরেকটি পেজের নাম ‘জাফরিন’স হোম মেড বেবি ফুড’। এটিতে অনুসারীর সংখ্যা প্রায় ৯৭ হাজার। নুজহাতের সঙ্গে এখন কাজ করেন ৩০ জন।
এই দুই পেজ থেকে বছরে প্রায় ৩ কোটি টাকার পণ্য বিক্রি হয় বলে জানিয়েছেন নুজহাত। সব ব্যয় বাদ দিয়ে বর্তমানে মাসে তাঁর আয় পাঁচ থেকে ছয় লাখে ওঠানামা করে। তবে এক মাসে সর্বোচ্চ ৭ লাখ টাকা আয় করেছেন তিনি।
আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি
নিরাপদ শিশুখাদ্য সরবরাহের জন্য ২০২৪ সালে এশিয়ান এক্সিলেন্স অ্যাচিভার্স অ্যাওয়ার্ড পেয়েছেন নুজহাত। এটি সাধারণত বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থা
ও নেটওয়ার্কের উদ্যোগে দেওয়া হয়। দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর ৩০ জন সফল ব্যক্তিত্ব সমাজে তাঁদের উল্লেখযোগ্য অবদানের কারণে এই অ্যাওয়ার্ড পান। নুজহাত আরও জানান, এ পর্যন্ত নিরাপদ শিশুখাদ্য সরবরাহে বাংলাদেশ থেকে তাঁর আগে এই অ্যাওয়ার্ড কেউ পায়নি।
এটি ছাড়াও বেস্ট চাইল্ড নিউট্রিশনিস্ট হিসেবে ২০২৩ সালে কলকাতা থেকে আইকনিক স্টার ফ্যাশন ও বিজনেস অ্যাওয়ার্ড, বাইফা অ্যাওয়ার্ড এবং এই বছর ট্র্যাব অ্যাওয়ার্ড পেয়েছেন নুজহাত।
ভ্রমণপ্রেমী নুজহাত
ব্যবসার পাশাপাশি ভ্রমণ নুজহাতের অন্যতম প্রিয় শখ। এখন পর্যন্ত তিনি সৌদি আরব, ভারত, দুবাই, মালদ্বীপ, নেপাল, শ্রীলঙ্কা, মালয়েশিয়া, সিঙ্গাপুর, মিসর, জর্ডান ও ভুটান ভ্রমণ করেছেন। শুধু ঘোরাঘুরিই নয়, তাঁর রয়েছে হাইকিং ও স্কুবা ডাইভিংয়ের প্রতি গভীর আগ্রহ। তিনি হাইকিং করেছেন শ্রীলঙ্কার সিগিরিয়ায় রাবনের লঙ্কা হিসেবে পরিচিত লায়ন রক, জর্ডানের মাউন্ট হারুন এবং ভুটানের বিখ্যাত টাইগার্স নেস্টে। আর মালদ্বীপে সাগরের গভীরে স্কুবা ডাইভিং ছিল তাঁর জীবনের অন্যতম স্মরণীয় অভিজ্ঞতা।

বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের শীর্ষ নেতাদের ইচ্ছা থাকলেও আর্থসামাজিক বাধা ও প্রেক্ষাপটের কারণে নির্বাচনে বেশিসংখ্যক নারী প্রার্থীকে মনোনয়ন দেওয়া যাচ্ছে না। রাজনীতির মাঠে, বিশেষ করে নির্বাচনে পেশিশক্তি ও অর্থনৈতিক সক্ষমতা—বড় নিয়ামক হয়ে দাঁড়ায়। নারীরা এ ক্ষেত্রে পিছিয়ে থাকেন।
১ দিন আগে
লৈঙ্গিক সমতা শুধু একটি সামাজিক আদর্শ নয়, এটি একটি দেশের অর্থনৈতিক সক্ষমতা বৃদ্ধির অন্যতম প্রধান চাবিকাঠি। ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরাম ২০২৫ সালের সর্বশেষ প্রতিবেদন জানিয়েছে, বিশ্বজুড়ে লৈঙ্গিক বৈষম্য বর্তমানে ৬৮ দশমিক ৮ শতাংশ দূর হয়েছে। তবে বর্তমান অগ্রগতির গতি বজায় থাকলে পূর্ণ সমতা অর্জনে বিশ্বকে আরও ১২৩
২ দিন আগে
বাংলাদেশের সংবিধান প্রণয়নের ইতিহাসে এক অনন্য নাম ড. রাজিয়া বানু। ১৯৭২ সালে স্বাধীন বাংলাদেশের সংবিধান রচনার জন্য যে ৩৪ সদস্যের খসড়া কমিটি গঠন করা হয়েছিল, তিনি ছিলেন সেই কমিটির একমাত্র নারী সদস্য। বাংলাদেশের সর্বোচ্চ আইন প্রণয়নে অবিস্মরণীয় অবদান রেখে গেছেন তিনি।
২ দিন আগে
বাংলাদেশ হাইকোর্ট সম্প্রতি একটি গুরুত্বপূর্ণ রায় দিয়েছেন, যেটি মুসলিম পারিবারিক আইনসংক্রান্ত বহুবিবাহের প্রক্রিয়া। এই রায়ে হাইকোর্ট মুসলিম পারিবারিক আইন অধ্যাদেশ, ১৯৬১ অনুযায়ী একজন ব্যক্তির বিয়ে বহাল থাকা অবস্থায় দ্বিতীয় বিয়ে করতে হলে ‘সালিশি কাউন্সিলের লিখিত অনুমতি’ নিতে হবে, এমন বিধান
২ দিন আগে