ডেস্ক রিপোর্ট

মাত্র তিন বছর বয়সে সেলমা পক্ষাঘাতের কারণে পঙ্গু হয়ে যান। ফলে তাঁকে পড়ালেখা শিখতে হয় ঘরে বসে, গৃহশিক্ষকের কাছে। শারীরিকভাবে পঙ্গু হলেও মানসিকভাবে কখনোই ভেঙে পড়েননি তিনি। ১৯০৯ সালে সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার বিজয়ী প্রথম নারী সেলমা ওতিলিয়ানা লভিসিয়া লাগেরলফ। ১৯৯১ সালে সুইডিশ ব্যাংক নোটে চিত্রিত প্রথম নারী তিনি।
১৮৫৮ সালের ২০ নভেম্বর সুইডেনের মারবাকা অঞ্চলের ভার্মল্যান্ড শহরে জন্মেছিলেন সেলমা। তিনি ছিলেন সুইডিশ লেখক, শিশুসাহিত্যিক এবং শিক্ষক। তাঁর বাবা এরিক গুস্তাফ লাগেরলফ ছিলেন সেনাবাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আর মা ছিলেন এলিজাবেথ লভিসা ওয়ালওয়ার্প। ১৮৮২ সালে স্টকহোমের রয়্যাল উইমেন্স সুপিরিয়র ট্রেনিং একাডেমি থেকে শিক্ষকতা বিষয়ে প্রশিক্ষণ নেন সেলমা। লান্ডসক্রোনার একটি স্কুলে ১৮৮৫ থেকে ১৮৯৫ সাল পর্যন্ত শিক্ষকতা করেন।
‘ইডান’ নামের পত্রিকা আয়োজিত গল্প লেখা প্রতিযোগিতায় লিখেই লেখালেখি জীবনের সূচনা সেলমার। তাঁর লেখায় ফুটে ওঠে সুইডেনের অধিবাসীদের অতীত জীবন। ১৮৯১ সালে সেলমা লাগেরলফের প্রথম বই ‘দ্য স্টোরি অব গোস্টা বার্লিং’ প্রকাশিত হয়। এটি ভার্মল্যান্ডের লোককাহিনির দুই খণ্ডের একটি গীতিধর্মী বর্ণনাকেন্দ্রিক বই। ১৮৯৮ সালে বইটি ইংরেজি ভাষায় অনূদিত হয়। ১৮৯৫ সালে শিক্ষকতা ছেড়ে পুরোদমে লেখালেখি শুরু করেন সেলমা। একাডেমি সদস্যপদ এবং নোবেল সাহিত্য পুরস্কার উভয় ক্ষেত্রেই সেলমা প্রথম নারী ছিলেন।

মাত্র তিন বছর বয়সে সেলমা পক্ষাঘাতের কারণে পঙ্গু হয়ে যান। ফলে তাঁকে পড়ালেখা শিখতে হয় ঘরে বসে, গৃহশিক্ষকের কাছে। শারীরিকভাবে পঙ্গু হলেও মানসিকভাবে কখনোই ভেঙে পড়েননি তিনি। ১৯০৯ সালে সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার বিজয়ী প্রথম নারী সেলমা ওতিলিয়ানা লভিসিয়া লাগেরলফ। ১৯৯১ সালে সুইডিশ ব্যাংক নোটে চিত্রিত প্রথম নারী তিনি।
১৮৫৮ সালের ২০ নভেম্বর সুইডেনের মারবাকা অঞ্চলের ভার্মল্যান্ড শহরে জন্মেছিলেন সেলমা। তিনি ছিলেন সুইডিশ লেখক, শিশুসাহিত্যিক এবং শিক্ষক। তাঁর বাবা এরিক গুস্তাফ লাগেরলফ ছিলেন সেনাবাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আর মা ছিলেন এলিজাবেথ লভিসা ওয়ালওয়ার্প। ১৮৮২ সালে স্টকহোমের রয়্যাল উইমেন্স সুপিরিয়র ট্রেনিং একাডেমি থেকে শিক্ষকতা বিষয়ে প্রশিক্ষণ নেন সেলমা। লান্ডসক্রোনার একটি স্কুলে ১৮৮৫ থেকে ১৮৯৫ সাল পর্যন্ত শিক্ষকতা করেন।
‘ইডান’ নামের পত্রিকা আয়োজিত গল্প লেখা প্রতিযোগিতায় লিখেই লেখালেখি জীবনের সূচনা সেলমার। তাঁর লেখায় ফুটে ওঠে সুইডেনের অধিবাসীদের অতীত জীবন। ১৮৯১ সালে সেলমা লাগেরলফের প্রথম বই ‘দ্য স্টোরি অব গোস্টা বার্লিং’ প্রকাশিত হয়। এটি ভার্মল্যান্ডের লোককাহিনির দুই খণ্ডের একটি গীতিধর্মী বর্ণনাকেন্দ্রিক বই। ১৮৯৮ সালে বইটি ইংরেজি ভাষায় অনূদিত হয়। ১৮৯৫ সালে শিক্ষকতা ছেড়ে পুরোদমে লেখালেখি শুরু করেন সেলমা। একাডেমি সদস্যপদ এবং নোবেল সাহিত্য পুরস্কার উভয় ক্ষেত্রেই সেলমা প্রথম নারী ছিলেন।

সামাজিক প্ল্যাটফর্ম ‘মন জানালা’। ৪০ পেরোনো নারীর মন, শরীর আর ভবিষ্যৎ নিয়ে নতুন করে ভাবার আকাঙ্ক্ষাকে কেন্দ্র ‘থেমে যাওয়া নয়, সময় এখন এগিয়ে যাবার’ শিরোনামে বিশেষ সেশনের আয়োজন করে। ১৬ জানুয়ারি রাজধানীর বাংলামোটরে বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রে এই আয়োজন অনুষ্ঠিত হয়।
৩ দিন আগে
বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের শীর্ষ নেতাদের ইচ্ছা থাকলেও আর্থসামাজিক বাধা ও প্রেক্ষাপটের কারণে নির্বাচনে বেশিসংখ্যক নারী প্রার্থীকে মনোনয়ন দেওয়া যাচ্ছে না। রাজনীতির মাঠে, বিশেষ করে নির্বাচনে পেশিশক্তি ও অর্থনৈতিক সক্ষমতা—বড় নিয়ামক হয়ে দাঁড়ায়। নারীরা এ ক্ষেত্রে পিছিয়ে থাকেন।
৫ দিন আগে
লৈঙ্গিক সমতা শুধু একটি সামাজিক আদর্শ নয়, এটি একটি দেশের অর্থনৈতিক সক্ষমতা বৃদ্ধির অন্যতম প্রধান চাবিকাঠি। ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরাম ২০২৫ সালের সর্বশেষ প্রতিবেদন জানিয়েছে, বিশ্বজুড়ে লৈঙ্গিক বৈষম্য বর্তমানে ৬৮ দশমিক ৮ শতাংশ দূর হয়েছে। তবে বর্তমান অগ্রগতির গতি বজায় থাকলে পূর্ণ সমতা অর্জনে বিশ্বকে আরও ১২৩
৬ দিন আগে
বাংলাদেশের সংবিধান প্রণয়নের ইতিহাসে এক অনন্য নাম ড. রাজিয়া বানু। ১৯৭২ সালে স্বাধীন বাংলাদেশের সংবিধান রচনার জন্য যে ৩৪ সদস্যের খসড়া কমিটি গঠন করা হয়েছিল, তিনি ছিলেন সেই কমিটির একমাত্র নারী সদস্য। বাংলাদেশের সর্বোচ্চ আইন প্রণয়নে অবিস্মরণীয় অবদান রেখে গেছেন তিনি।
৬ দিন আগে