
প্রশ্ন: আমি একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে কর্মরত। পাঁচ বছর সংসার করার পর গত বছরের শেষের দিকে আমাদের ডিভোর্স হয়েছে। একা থাকার সিদ্ধান্ত নেওয়ার পর থেকে অনেকেই বলছেন, এই সমাজে একা নারীর নিরাপত্তা নেই। আমার বিদেশে চলে যাওয়া উচিত—এসব হাজারো কথা। এ ধরনের কথায় আমি মুষড়ে পড়ছি। একা পথ চলা কী খুব কঠিন? নাকি আমি শুধু শুধুই বেশি ভাবছি? বৃদ্ধ বয়সে একাকিত্বে ভুগতে হবে—এটা জেনেই সিদ্ধান্তটা নিয়েছি। উল্লেখ্য, নিজের অর্থনৈতিক দায়িত্ব নেওয়ার সক্ষমতা আমার আছে।
শামীমা সুলতানা, কুমিল্লা
আপনি একজন আত্মনির্ভরশীল, আর্থিকভাবে স্বাধীন নারী। আবেগে তাড়িত না হয়ে যুক্তিযুক্তভাবে আপনি সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বলে মনে করছি এবং এই সিদ্ধান্তকে আমি স্বাগত জানাই। এখন মানুষের ও সমাজের মানসিকতা বদলাচ্ছে। আমি অনেক একা নারীকে দেখেছি, তাঁরা আত্মসম্মান ও আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে পথ চলছেন, অন্যদেরও পথ দেখিয়েছেন। নিজেকে ভালোবাসুন। নিজের সাফল্য ও ভালো লাগার বিষয়কে প্রাধান্য দিন। নিজেকে নতুন করে আবিষ্কার করুন। পেশাগত দায়িত্বের পাশাপাশি নিজেকে সময় দিন। আপনার সঙ্গে মন-মানসিকতায় মেলে এমন মানুষের সঙ্গে যোগাযোগ রাখুন। ভবিষ্যতের অর্থনৈতিক সুরক্ষার ব্যবস্থা করুন।
প্রশ্ন: বিয়ের দুই বছরের মাথায় আমার স্বামী মারা যান। নিজের ভালোবাসার মানুষকে হারিয়ে ফেলি চোখের পলকে। তাঁর মৃত্যুর পর সবকিছু ঘোলাটে আর ঝাপসা হয়ে যায় মুহূর্তেই। যে স্বপ্ন দেখে সংসার শুরু করেছিলাম, সেই স্বপ্ন আজন্মের জন্য স্বপ্নই রয়ে গেল। স্বামীর মৃত্যুতে পুরোপুরি ভেঙে পড়ি। মনে হতো আত্মহত্যা করি। এই জগৎ-সংসার মিথ্যা মনে হয়। কীভাবে বাঁচব? কাকে নিয়ে বাঁচব? মাঝে মাঝে কিছুতেই মনকে শান্ত করতে পারি না। ডিপ্রেশন ঘিরে থাকে আমাকে। কী করব?
সেতু নাহার, সীতাকুণ্ড, চট্টগ্রাম
প্রিয়জনের মৃত্যু অত্যন্ত দুঃখজনক। আপনি যে মানসিক অবস্থায় আছেন তা উত্তরণের জন্য একজন মনোরোগ চিকিৎসকের সাহায্য প্রয়োজন। উপসর্গ পড়ে মনে হচ্ছে, আপনি বিষণ্নতায় ভুগছেন। মনোরোগ চিকিৎসকের পরামর্শের মাধ্যমে এই রোগ থেকে আরোগ্য লাভ করা যাবে। আপনি জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউটে যোগাযোগ করতে পারেন। আমরা আপনার পাশে আছি। আশা করি এই কষ্ট ও বিষণ্নতা থেকে আপনি সুস্থ হবেন। যদি সম্ভব হয় প্রশিক্ষণ নিয়ে কোনো পেশা কিংবা অনলাইন উদ্যোগের সঙ্গেও যুক্ত থাকতে পারেন। পাশাপাশি নিজের শরীর, মন, আবেগ-অনুভূতির যত্ন নিন।
পরামর্শ দিয়েছেন, ডা. ফারজানা রহমান, সহযোগী অধ্যাপক মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট

প্রশ্ন: আমি একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে কর্মরত। পাঁচ বছর সংসার করার পর গত বছরের শেষের দিকে আমাদের ডিভোর্স হয়েছে। একা থাকার সিদ্ধান্ত নেওয়ার পর থেকে অনেকেই বলছেন, এই সমাজে একা নারীর নিরাপত্তা নেই। আমার বিদেশে চলে যাওয়া উচিত—এসব হাজারো কথা। এ ধরনের কথায় আমি মুষড়ে পড়ছি। একা পথ চলা কী খুব কঠিন? নাকি আমি শুধু শুধুই বেশি ভাবছি? বৃদ্ধ বয়সে একাকিত্বে ভুগতে হবে—এটা জেনেই সিদ্ধান্তটা নিয়েছি। উল্লেখ্য, নিজের অর্থনৈতিক দায়িত্ব নেওয়ার সক্ষমতা আমার আছে।
শামীমা সুলতানা, কুমিল্লা
আপনি একজন আত্মনির্ভরশীল, আর্থিকভাবে স্বাধীন নারী। আবেগে তাড়িত না হয়ে যুক্তিযুক্তভাবে আপনি সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বলে মনে করছি এবং এই সিদ্ধান্তকে আমি স্বাগত জানাই। এখন মানুষের ও সমাজের মানসিকতা বদলাচ্ছে। আমি অনেক একা নারীকে দেখেছি, তাঁরা আত্মসম্মান ও আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে পথ চলছেন, অন্যদেরও পথ দেখিয়েছেন। নিজেকে ভালোবাসুন। নিজের সাফল্য ও ভালো লাগার বিষয়কে প্রাধান্য দিন। নিজেকে নতুন করে আবিষ্কার করুন। পেশাগত দায়িত্বের পাশাপাশি নিজেকে সময় দিন। আপনার সঙ্গে মন-মানসিকতায় মেলে এমন মানুষের সঙ্গে যোগাযোগ রাখুন। ভবিষ্যতের অর্থনৈতিক সুরক্ষার ব্যবস্থা করুন।
প্রশ্ন: বিয়ের দুই বছরের মাথায় আমার স্বামী মারা যান। নিজের ভালোবাসার মানুষকে হারিয়ে ফেলি চোখের পলকে। তাঁর মৃত্যুর পর সবকিছু ঘোলাটে আর ঝাপসা হয়ে যায় মুহূর্তেই। যে স্বপ্ন দেখে সংসার শুরু করেছিলাম, সেই স্বপ্ন আজন্মের জন্য স্বপ্নই রয়ে গেল। স্বামীর মৃত্যুতে পুরোপুরি ভেঙে পড়ি। মনে হতো আত্মহত্যা করি। এই জগৎ-সংসার মিথ্যা মনে হয়। কীভাবে বাঁচব? কাকে নিয়ে বাঁচব? মাঝে মাঝে কিছুতেই মনকে শান্ত করতে পারি না। ডিপ্রেশন ঘিরে থাকে আমাকে। কী করব?
সেতু নাহার, সীতাকুণ্ড, চট্টগ্রাম
প্রিয়জনের মৃত্যু অত্যন্ত দুঃখজনক। আপনি যে মানসিক অবস্থায় আছেন তা উত্তরণের জন্য একজন মনোরোগ চিকিৎসকের সাহায্য প্রয়োজন। উপসর্গ পড়ে মনে হচ্ছে, আপনি বিষণ্নতায় ভুগছেন। মনোরোগ চিকিৎসকের পরামর্শের মাধ্যমে এই রোগ থেকে আরোগ্য লাভ করা যাবে। আপনি জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউটে যোগাযোগ করতে পারেন। আমরা আপনার পাশে আছি। আশা করি এই কষ্ট ও বিষণ্নতা থেকে আপনি সুস্থ হবেন। যদি সম্ভব হয় প্রশিক্ষণ নিয়ে কোনো পেশা কিংবা অনলাইন উদ্যোগের সঙ্গেও যুক্ত থাকতে পারেন। পাশাপাশি নিজের শরীর, মন, আবেগ-অনুভূতির যত্ন নিন।
পরামর্শ দিয়েছেন, ডা. ফারজানা রহমান, সহযোগী অধ্যাপক মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট

আগামীকাল নতুন একটি বছর শুরু করতে যাচ্ছে পৃথিবী। ২০২৫ সালকে বিদায় জানিয়ে নতুন বছরে সবারই প্রত্যাশা থাকছে ইতিবাচক কিছুর। তবে পেছনে ফিরে তাকালে গত বছরটি নারী অধিকার এবং নিরাপত্তার প্রশ্নে রেখে গেছে এক মিশ্র অভিজ্ঞতা। ব্যক্তিগত, প্রাতিষ্ঠানিক এবং রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে দেখা গেছে পরিকল্পনা...
২ দিন আগে
বই মানুষের জীবন বদলে দিতে পারে— এই সত্য স্পষ্টভাবে ধরা পড়ে নূজহাত নাছিম দিয়ার জীবনে। ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগরের একটি শান্ত, বইপ্রেমী পরিবেশে বেড়ে উঠেছেন দিয়া। পরিবারে মা-বাবা ও দুই ভাই সব সময় তাঁকে পড়াশোনা এবং সাহিত্যচর্চায় উৎসাহ দিয়ে এসেছেন।
২ দিন আগে
ভোরের আলো ফোটার অপেক্ষায় থাকা নতুন বছরের সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়ে আমরা। যুগে যুগে বছরের সঙ্গে তাল মিলিয়ে পাল্টেছে ট্রেন্ড। কিন্তু আজও যখন আমরা আধুনিক প্রসাধনশিল্পের দিকে তাকাই, তখন একটি নাম ধ্রুবতারার মতো উজ্জ্বল হয়ে ওঠে—এলিজাবেথ আরডেন। ১৮৭৮ সালের ৩১ ডিসেম্বর কানাডার ওন্টারিওতে এক খামারে ফ্লোরেন্স...
২ দিন আগে
খ্রিষ্টধর্মাবলম্বীদের প্রধান উৎসব বড়দিনের কথা মনে হলে কিছু জনপ্রিয় গানের কথা সামনে আসে। জানেন কি, হিমেল হাওয়ার পরশ আর আলোকসজ্জার রোশনাইয়ের মধ্যে যে সুরগুলো আমাদের কানে বাজে, সেগুলো সৃষ্টির নেপথ্যে রয়েছে একদল নারী। তাঁদের লেখা, কণ্ঠ আর সুরের জাদুকরী মিশেলে বড়দিন পেয়েছে এক অনন্য রূপ।...
৮ দিন আগে