সৈয়দা জোহরা তাজউদ্দীনের জন্ম ১৯৩২ সালের ২৪ ডিসেম্বর। তাঁর পৈতৃক বাড়ি চাঁদপুর জেলার হাজীগঞ্জ উপজেলায়। ১৯৫৯ সালে তাজউদ্দীন আহমদের সঙ্গে তাঁর বিয়ে হয়। তিনি তিন মেয়ে ও এক ছেলের জননী। জোহরা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সমাজবিজ্ঞান বিষয়ে পড়াশোনা করেন। ১৯৫৮ সালের আইয়ুববিরোধী আন্দোলনের সক্রিয় কর্মী হিসেবে রাজনৈতিক অঙ্গনে প্রবেশ করেন।
১৯৬৮ সালে গঠিত রাজবন্দী সাহায্য কমিটির যুগ্ম আহ্বায়ক নির্বাচিত হন। ১৯৭১ সালে তিনি সংগঠক হিসেবে ভূমিকা পালন করেন। জোহরা তাজউদ্দীন ছিলেন একজন সচেতন সমাজকর্মী। বাংলাদেশ মহিলা পরিষদের সাবেক ভাইস প্রেসিডেন্ট ও আওয়ামী লীগের আহ্বায়ক।
১৯৭৭ সালের এপ্রিল মাসে এক ঘরোয়া বৈঠকে সর্বসম্মতিক্রমে জোহরা তাজউদ্দীনের ওপর অর্পিত হয় আওয়ামী লীগের নেতৃত্ব। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের মৃত্যুর পর এক কঠিন সময়ে আওয়ামী লীগের হাল ধরেছিলেন তিনি। ১৯৮১ সালে বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশে ফিরে দলে যোগ দিলে জোহরা তাজউদ্দীনকে সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য নির্বাচিত করা হয়। সেই থেকে মৃত্যুর আগপর্যন্ত তিনি এই দায়িত্ব পালন করেন।
২০১৩ সালের ২০ ডিসেম্বর সৈয়দা জোহরা তাজউদ্দীন মৃত্যুবরণ করেন।

শারমিন আক্তার। স্বামীর দ্বিতীয় বিয়ে, অমানবিক নির্যাতন—সব মেনে নিয়ে সন্তানদের মুখের দিকে তাকিয়ে স্বামী ফোরকান মোল্লার সঙ্গেই থাকতে চেয়েছিলেন। বাঁচাতে চেয়েছিলেন সংসার। কিন্তু সেই চাওয়ার মূল্য তাঁকে চুকাতে হয়েছে জীবন দিয়ে।
১৫ ঘণ্টা আগে
ঘড়িতে তখন ভোর ৫টা। চারপাশ যখন নিস্তব্ধ, তখন একজন গৃহবধূর দিন শুরু হয়। পরিবারের সবাই যখন গভীর ঘুমে আচ্ছন্ন, তিনি তখন রান্নাঘরে চুলার ছাই পরিষ্কার করছেন। পানি তোলা, নাশতা বানানো, সন্তানকে স্কুলের জন্য তৈরি করা থেকে শুরু করে গবাদিপশুর তদারকি—সবই তাঁর ভোরের রুটিন। বাংলাদেশের কোটি কোটি নারীর প্রতিদিনের..
৬ দিন আগে
২০২১ সালের আগস্ট মাসের আগেও আফগানিস্তানের গণমাধ্যম ছিল প্রাণবন্ত। টেলিভিশনের পর্দায় ভেসে উঠত সংবাদ পাঠিকাদের মুখ, রেডিওতে ভেসে আসত নারীদের কণ্ঠস্বর। শুধু তা-ই নয়, মাঠপর্যায়ে থাকা নারী সাংবাদিকেরা তুলে ধরতেন সাধারণ মানুষের সুখ-দুঃখের গল্প। কিন্তু সময় বদলে গেছে।
৬ দিন আগে
আমি চাকরি সূত্রে গাজীপুরে অফিস কোয়ার্টারে থাকি। আমার পরিবারের সবাই খুলনায় থাকে। এখানে রাত ৮টা বাজার আগেই গভীর রাতের নীরবতা নেমে আসে। অনেকটা সময় বিদ্যুৎ থাকে না। দোকানপাটও খুব একটা নেই। একমাত্র ছুটিতেই বাড়ি যেতে পারি।
৬ দিন আগে