
রেস্তোরাঁয় খাওয়া শেষে বিল দেওয়ার পর ফেরত আসা খুচরা টাকাটা অনেক সময়ই সার্ভ করে যাওয়া ওয়েটারকে দিয়ে দেই আমরা। যাকে বলা হয় টিপস। কোথাও কোনো সেবা গ্রহণের পর টিপস দেওয়া আমাদের স্বাভাবিক কার্যক্রমে পরিণত হয়েছে। অবশ্য এখন ‘সার্ভিস ফি’ হিসেবে বিলের কাগজেই একটি চার্জ যুক্ত করা থাকে। সেটির বাইরেও অনেকে টিপস দিয়ে থাকে আবার অনেক সময় বলা থাকে যে হাতে হাতে টিপস না দেওয়ার জন্য। কিন্তু মানুষকে টিপস দেওয়ার জায়গায় যখন রোবটকেও টিপস দেওয়ার বিষয়টি সামনে আসে তখন বিষয়টা একটু উদ্ভটই মনে হয় না কি!
আধুনিক প্রযুক্তিতে ভরপুর দুনিয়ায় এখন রোবট ব্যবহারে আগ্রহ বাড়ছে। বিভিন্ন হোটেল-রেস্তোরাঁয় ওয়েটার হিসেবে দেখা যাচ্ছে রোবট। মানুষের জায়গায় রোবটের থেকে সেবা নেওয়াটা আমাদের জন্য ধীরে ধীরে সহজ হয়ে আসলেও রোবটও টিপস চাচ্ছে বা রোবটকেও টিপস দিতে হবে বিষয়টা স্বাভাবিকভাবে নেওয়াটা হয়তো কঠিন। তবে মানুষের সেবা গ্রহণের মতো রোবটের সেবা গ্রহণও স্বাভাবিক বিষয় এটা বুঝাতেই হয়তো এই বিষয়টি গুরুত্ব পাচ্ছে।
বিবিসির কলাম লেখক থমাস জারমেইন তাঁর এক লেখায় রোবটকে টিপস দেওয়ার অভিজ্ঞতা তুলে ধরেন। লাস ভেগাসের ভেনেশিয়ান হোটেলে ‘দ্য টিপসি রোবট’ নামের এক বারে গিয়েছিলেন তিনি। সেখানে আছে স্বয়ংক্রিয়ভাবে ককটেল তৈরির দুটি রোবটিক বাহু।
জারমেইনের ভাষায়, “আমি একটি স্ক্রিনে ‘মার্গারিটা’ চাপতেই রোবটিক বাহু দুটি নড়েচড়ে উঠল। সেগুলো টাকিলা, লেবুর রস ও ট্রিপল সেক মিশিয়ে ককটেল তৈরি করল। বাড়তি আকর্ষণ তৈরি করতে অপ্রয়োজনীয়ভাবেও ঘুরল, এরপর গ্লাসটি পরিবেশন করার সময় মাথা নত করার ভঙ্গি করল। ২০ বছর আগে হয়তো এটি আমাকে বেশ রোমাঞ্চিত করত। এখন অবশ্য বিষয়টি প্রায় গতানুগতিক।’
তিনি আরও বলেন, “পানীয়টির দাম ছিল ১৭ ডলার, অর্থাৎ ১২ দশমিক ৫৫ পাউন্ড। তবে এর সঙ্গে অতিরিক্ত একটি খরচ দেখতে পেলাম, ১০ শতাংশ ‘সার্ভিস ফি’। টিপসি রোবট টিপসও চাইছিল। ”

জারমেইন বলেন, ‘এটাই প্রথম এমন অভিজ্ঞতা নয়। নিউইয়র্কের আর্টলি কফিতে একই ধরনের একটি রোবট বারিস্তা আমার কাছে টিপস চেয়েছিল। নিউইয়র্ক লিবার্টি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের একটি কিয়স্কে পানির বোতল কেনার সময় স্বয়ংক্রিয় চেকআউট মেশিনও আমার কাছে টিপস চেয়েছিল। অন্যদিকে দেশের এক প্রান্ত থেকে আরেক প্রান্তে, অরেগনের পোর্টল্যান্ডে টপ বার্মিজ নামের একটি রেস্তোরাঁয় একজন মানুষ আমার অর্ডার নিয়েছিলেন, কিন্তু খাবার টেবিলে পৌঁছে দিয়েছিল একটি রোবট সার্ভার।’
জারমেইন আরও বলেন, ‘মানুষ ওয়েটারকে আমি খুশিমনেই ২০ শতাংশ টিপস দিয়েছিলাম। কিন্তু অন্য ঘটনাগুলোতে আমি দ্বিধায় পড়েছিলাম। রোবট যখন ডিজিটাল হাত বাড়িয়ে টিপস চায়, তখন টিপস দেওয়ার প্রচলিত নিয়ম যেন আর কাজ করে না। আর টাকাটা শেষ পর্যন্ত কার কাছে যাচ্ছে, সেটিও প্রায়ই স্পষ্ট নয়।’
তবে এটিই কি স্বাভাবিক, না কি রোবট নিয়ে সাময়িক কোনো উন্মাদনা? এর উত্তর অনেকটাই নির্ভর করতে পারে আপনি আপনার মানিব্যাগ থেকে কীভাবে অর্থ খরচ করার সিদ্ধান্ত নিচ্ছেন, তার ওপর।
দ্য টিপসি রোবট ও আর্টলি কফির প্রতিনিধিরা জানান, তাঁদের মানব কর্মীরা সব টিপস নিজেদের মধ্যে ভাগ করে নেন এবং কোম্পানি এর কোনো অংশ পায় না।
জারমেইন জানান, তাঁর সেখানে যাওয়ার পর আর্টলি টিপস চাওয়ার ব্যবস্থাটিও বন্ধ করে দিয়েছে। তবে এ ধরনের ঘটনা ব্যতিক্রমও হতে পারে। কিছু বিশেষজ্ঞ বলছেন, রোবটকে টিপস দেওয়ার এই প্রবণতা কর্মী ও গ্রাহক—উভয়ের কাছ থেকেই আরও বেশি অর্থ আদায়ের বৃহত্তর প্রচেষ্টার অংশ হতে পারে।
যুক্তরাষ্ট্রের লিহাই ইউনিভার্সিটির রাষ্ট্রবিজ্ঞানের সহযোগী অধ্যাপক এবং গ্র্যাচুইটি বইয়ের সহলেখক হোলোনা ওকস বলেন, ‘বিশ্বাস করার যথেষ্ট কারণ রয়েছে যে কিছু অসাধু নিয়োগকর্তা রোবটের জন্য দেওয়া টিপস নিজেদের কাছে রেখে দিচ্ছেন।’
ওকস বলেন, ‘মূল প্রশ্ন হলো, এতে কে লাভবান হচ্ছে এবং মূল্যটাই বা কে দিচ্ছে।’
মহামারির পর এখন আগের যেকোনো সময়ের তুলনায় মানুষকে আরও বেশি জায়গায় টিপস দিতে বলা হচ্ছে। প্রায়ই ডিজিটাল পেমেন্ট ব্যবস্থার মাধ্যমেও এই অনুরোধ জানানো হয়। প্রস্তাবিত টিপসের হার ক্রমে বাড়তে থাকায় ভোক্তারা ‘আবেগগত ব্ল্যাকমেইলের’ অভিযোগও করছেন। আবার যুক্তরাষ্ট্রের ‘নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাওয়া’ টিপস সংস্কৃতি নিয়ে কেউ কেউ উপহাস করলেও এই প্রবণতা সারা বিশ্বেই ছড়িয়ে পড়ছে।
টিপস দেওয়ার পরিবর্তিত এই নিয়মকানুন যুক্তরাষ্ট্রে বিতর্কের কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে। কারণ, গ্র্যাচুইটির কারণে কোম্পানিগুলো কর্মীদের তুলনামূলক কম মূল বেতন দিতে পারে। যুক্তরাষ্ট্রে ন্যূনতম মজুরি ঘণ্টায় ৭ দশমিক ২৫ ডলার বা ৫ দশমিক ৩৫ পাউন্ড। তবে যেসব কর্মী টিপস পান, তাঁদের ক্ষেত্রে তা ঘণ্টায় মাত্র ২ দশমিক ১৩ ডলার বা ১ দশমিক ৫৭ পাউন্ডে নেমে আসে।
যুক্তরাষ্ট্রে কোনো কর্মীকে টিপস দিলে আইন অনুযায়ী কোম্পানি, মালিক বা তত্ত্বাবধায়কেরা সেই অর্থের কোনো অংশ নিতে পারেন না। কিন্তু টিপস যদি একটি যন্ত্রকে দেওয়া হয়, তাহলে সেখানে আইনের কোনো ফাঁক থেকে যেতে পারে।
অধ্যাপক ওকস বলেন, ‘রোবটের জন্য দেওয়া টিপসের মালিক কে, সে বিষয়ে কোনো আইনি মানদণ্ড এখনো প্রতিষ্ঠিত হয়নি।’
এদিকে ট্রাম্প প্রশাসন টিপস–সংক্রান্ত সমস্যায় কর্মীদের দাবি উত্থাপনের প্রক্রিয়াকে আরও কঠিন করে তুলেছে। বলা হচ্ছে কর্মীরাও তাঁদের অভিজ্ঞতার কথা গোপন রাখতে পারেন। ওকস বলেন, ‘তাই নিয়োগকর্তারা যদি রোবটকে দেওয়া টিপস নিজেদের কাছে রেখে দেন, তাহলে অন্তত এখন পর্যন্ত তা জানার তেমন কোনো উপায় আমাদের নেই।’
তিনি আরও বলেন, ‘অনেক সময় আপনি রান্নাঘরে বা বারের পেছনে মানুষকে কাজ করতে দেখতে পারেন। কিন্তু টিপসের অর্থ শেষ পর্যন্ত কোনো করপোরেশনের কাছেই চলে যেতে পারে। এ বিষয়ে কোনো নিয়ম নেই।’
তবে এর অর্থ এই নয় যে স্বয়ংক্রিয় যন্ত্র সব সময় সেবা খাতের কর্মীদের জন্য খারাপ। টিপসি রোবট ও আর্টলি কফির মতো জায়গাগুলোতে রোবটের নতুনত্বই মূল আকর্ষণ। তাই যন্ত্রের পাশাপাশি কাজ করা মানুষগুলোর চাকরি হয়তো অন্যথায় থাকতই না।
আর্টলি বলছে, টিপস চাওয়ার ব্যবস্থা বন্ধ করা এবং কর্মীদের বেতন বাড়ানোর সিদ্ধান্ত আংশিকভাবে টিপস নিয়ে গ্রাহকদের অভিযোগের প্রতিক্রিয়া ছিল। এখন কিছু স্থানে সরাসরি টিপস রাখার জার রাখা হয়েছে। তবে টিপসের ১০০ শতাংশই এখনো মানব কর্মীদের কাছে যায় বলে জানান আর্টলির কনটেন্ট পরিচালক অ্যাবিগেইল স্মাদার্স। তিনি বলেন, ‘মানুষের ক্ষতি করে খরচ কমানোর উদ্দেশ্যে আমরা স্বয়ংক্রিয় ব্যবস্থা চালু করার পক্ষপাতী নই।’
স্মাদার্সের মতে, সেবা খাতে শ্রমিকের সংকট রয়েছে। মানুষকে কাজ থেকে সরিয়ে না দিয়েও রোবট এ ক্ষেত্রে সহায়তা করতে পারে। তবে তিনি স্বীকার করেন, এমন কিছু ক্ষেত্রেও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ব্যবহার করা হচ্ছে, যেখানে এর ব্যবহার উপযুক্ত নয়।
তিনি বলেন, ‘শেষ পর্যন্ত সমস্যাটা সেখানেই। এই প্রযুক্তি নিজেই সহজাতভাবে খারাপ নয়। এর নৈতিকতা নির্ভর করে এর উদ্দেশ্য ও বাস্তবায়নের ওপর। আমরা সৎ উদ্দেশ্য নিয়ে প্রযুক্তি তৈরি, সততার সঙ্গে কাজ করা এবং এই প্রযুক্তির ভবিষ্যৎ যাতে অল্প কয়েকজনের নয়, বরং অনেক মানুষের উপকারে আসে, তা নিশ্চিত করার সর্বোচ্চ চেষ্টা করছি।’
আতিথেয়তার ক্ষেত্রে প্রযুক্তির ব্যবহার নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের ইউনিভার্সিটি অব মিসিসিপিতে গবেষণা হয়েছে। এ গবেষণার সহলেখক সহযোগী অধ্যাপক ক্যাটেরিনা বেরেজিনা। তিনি মনে করেন, এই শিল্পখাত আরও কিছুটা স্বীকৃতি পাওয়ার যোগ্য। তিনি বলেন, ‘এটাকে কেবল যেকোনো মূল্যে অর্থ উপার্জনের চেষ্টা হিসেবে ধরে নেওয়া ন্যায্য বলে আমি মনে করি না।’
বেরেজিনা আরও বলেন, ‘টিপস বা সার্ভিস ফি এমন একটি অর্থও হতে পারে, যা রোবট পরিচালনায় প্রয়োজনীয় শ্রম বা এর হালনাগাদের খরচ মেটাতে ব্যবহৃত হয়।’
তাঁর মতে, এই শিল্পে টিপস দেওয়া একটি প্রচলিত রীতি এবং কোম্পানিগুলো বাজারের সীমাবদ্ধতার মধ্যেই কাজ করে।
অন্যদিকে ‘ওয়ান ফেয়ার ওয়েজ’ নামের একটি অধিকারভিত্তিক সংগঠনসহ কেউ কেউ বলছে, রোবটের ব্যবহার মূলত কম মজুরি দেওয়ার ব্যবস্থাকে টিকিয়ে রাখারই একটি চেষ্টা। আর কম মজুরিই রেস্তোরাঁ খাতে শ্রমিক–সংকটের প্রকৃত কারণ।
বিভিন্ন বিষয় এখানে কীভাবে ভারসাম্য তৈরি করছে, তা যা–ই হোক না কেন, বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বর্তমানে যে পরীক্ষাগুলো দেখা যাচ্ছে, তার ভবিষ্যৎ নির্ভর করবে আপনি এবং অন্য গ্রাহকেরা কীভাবে প্রতিক্রিয়া জানান, তার ওপর।
যুক্তরাষ্ট্রের কর্নেল ইউনিভার্সিটির ইমেরিটাস অধ্যাপক এবং দ্য সাইকোলজি অব টিপিং বইয়ের লেখক মাইকেল লিন বলেন, ‘টিপস দেওয়ার প্রধান কারণগুলো নিয়ে ভাবুন। ভালো সেবার পুরস্কার হিসেবে অথবা কম মজুরির কিছুটা ঘাটতি পূরণে মানবিক কারণে আমরা প্রায়ই টিপস দিই। আর অবশ্যই রয়েছে সামাজিক মর্যাদা ও অন্যের অনুমোদনের প্রশ্ন।’
তিনি আরও বলেন, ‘আমি যদি টিপস না দিই, তাহলে তারা আমাকে অপছন্দ করবে। অন্যভাবে বলতে গেলে, আমরা একধরনের বাধ্যবাধকতা অনুভব করি। এর প্রায় কোনোটিই রোবটের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। তাই স্পষ্টতই টিপস দেওয়ার কোনো কারণ নেই।’
তবে মানুষ হয়তো তারপরও টিপস দিচ্ছেন। এক গবেষণায় অংশগ্রহণকারীদের মাত্র প্রায় ১১ শতাংশ বলেছেন, তাঁরা একটি রোবট বারটেন্ডারকে টিপস দেবেন। তবে গবেষণাটির সহলেখক বেরেজিনা বলেন, ‘যাঁরা রোবট বারটেন্ডারের থেকে সেবা নিয়েছিলেন, তাঁরা অন্যদের তুলনায় টিপস দিতে অনেক বেশি আগ্রহী ছিলেন।’
বেশির ভাগ মানুষই বলেছিলেন, তাঁরা রোবটকে টিপস দেবেন না। তবে টিপসের অর্থ যদি মানব কর্মীদের কাছে যায়, তাহলে তাঁদের প্রায় ৪২ শতাংশ মত বদলেছিলেন।
তারপরও লিনের যুক্তি, এটি অত্যন্ত অজনপ্রিয় একটি চর্চা এবং সম্ভবত তা এমনই থাকবে। ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানগুলো রোবটের জন্য টিপস দেওয়ার ব্যবস্থা চালু করছে, কারণ এতে বেশি অর্থ আয় করা সম্ভব। কিন্তু রোবটকে টিপস দেওয়ার কারণে গ্রাহকেরা যদি মুখ ফিরিয়ে নেন, তাহলে সেটিই হয়তো এ প্রথার অবসান ঘটাতে সহায়তা করবে।
লিন বলেন, ‘টিপস দিতে কেউ আপনাকে বাধ্য করতে পারে না। আর সামাজিক রীতিগুলো মানা নিজস্ব ব্যাপার। আমার মনে হয়, ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানগুলো শেষ পর্যন্ত বিষয়টি বুঝতে পারবে এবং এই ধরনের সম্প্রসারণ থেকে সরে আসবে।’

কুকুর-বিড়াল বা পোষা প্রাণী নিয়ে প্রতিযোগিতার বিষয়টি নতুন নয়। তবে এই প্রতিযোগিতাটি কিছুটা ব্যতিক্রমীই! এই প্রতিযোগিতায় বাছাই করা হয় বিশ্বের সবচেয়ে কুৎসিত দেখতে কুকুরটিকে। আর এ প্রতিযোগিতার ৫০তম আসরটি আয়োজিত হয়েছিল এ বছর।
৩ দিন আগে
অনলাইন বন্ধকি ঋণদাতা প্রতিষ্ঠান বেটার হোম অ্যান্ড ফাইন্যান্সের ভারতীয় বংশোদ্ভূত প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) বিশাল গর্গ ২০২১ সালের ডিসেম্বরে এক নির্মম জুম কলে প্রায় ৯০০ কর্মীকে ছাঁটাই করে ব্যাপক সমালোচনার মুখে পড়েছিলেন।
৪ দিন আগে
জাহাজের ফগহর্ন বাজিয়ে এক ঘুমন্ত মেরুভালুককে জাগানোর অপরাধে এক ব্যক্তিকে ৫০ হাজার নরওয়েজিয়ান ক্রোনার জরিমানা করা হয়েছে। যা বাংলাদেশি মুদ্রায় আনুমানিক ৬ লাখ ৫০ হাজার টাকা। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ঘটনাটি চলতি মাসের শুরুতে উত্তর মেরু থেকে প্রায় ৬২০ মাইল দূরে অবস্থিত নরওয়ের...
৪ দিন আগে
বেলজিয়ামের ১৮ বছর বয়সী শিক্ষার্থী কোবে। গ্রীষ্মকালীন ছুটিতে নির্মাণশ্রমিকের কাজ করতে গিয়ে আবিষ্কার করে ফেলেছেন বিশাল এক স্বর্ণভান্ডার। একটি নির্মাণ সাইটে খণ্ডকালীন কাজ করছিলেন তিনি। সেখানে একটি পয়োনিষ্কাশন ব্যবস্থার জন্য নর্দমা খুঁড়তে গিয়ে তিনি খুঁজে পান প্রায় ৯০ লাখ ইউরো...
৫ দিন আগে