ইমরান খান

নিন্দুকের কথায় পাত্তা না দিয়ে কাক পর্যন্ত গলা ফাটিয়ে গাইছে; আর আপনি ভাবছেন, কে কী বলে। এটা কোনো কথা হলো? কণ্ঠ, সুর—এগুলো কি সবার সমান থাকে নাকি? থাকে না। বেসুরো বলে যে গান গাইবেন না, তা তো হয় না। আইনেও তো বাধা নেই। তবে?
গান যে আপনি গাইছেন না, তা কিন্তু না। বাথরুম সিঙ্গারের তালিকায় আপনার নামটা কিন্তু নিজেই দিয়েছেন। এবার বলুন, এই প্রতিভা দেয়ালের বাইরে আনতে না পারলে এত অধ্যবসায়ের দাম কী? কবি কাজী নজরুল ইসলামের, ‘থাকব নাকো বদ্ধ ঘরে’ দিয়েই–বা কী শিখলেন? দেখিয়ে দিন অদেখা আপনাকে, জনতাকে জানিয়ে দিন আপনিও পারেন।
কতজনই তো এই প্রতিভা দিয়েই করে খাচ্ছে। আপনিও হাঁটুন সে পথে। তাই বলে বাথরুমে গান গাওয়ার ঐতিহ্য কিন্তু হারাতে দেওয়া যাবে না। শুধু খেয়াল রাখবেন, গান থেকে নাচ এবং নাচের ক্লান্তিতে যাতে বাথরুমেই ঘুমিয়ে না পড়েন। কারণ, ঘরের বাকি সদস্যদেরও তো সুযোগ দিতে হবে!
সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ ‘একটি তুলসী গাছের কাহিনি’ গল্পে হাবিবুল্লাহকে বেসুরো হারমোনিয়ামে অবক্তব্য সংগীত-সমস্যার স্রষ্টা আখ্যা দিয়েছেন। প্রতিভা জানান দিলে এমন স্রষ্টার আখ্যা কিন্তু আপনিও পেতে পারেন। তাই বলে গান শুনে সবাই বিরক্ত হবে বলে চিন্তিত হবেন? ভাববেন না; সুন্দর করে একটি গভীর নিশ্বাস নিন। আবার গাইতে শুরু করুন। আর মনে মনে বলুন—‘জগতে কেউ পারফেক্ট নয়!’
সমস্যা বা মন খারাপের সময় মনকে শীতল করতে মন খুলে গাইতে পারেন। শুধু খেয়াল রাখবেন, গানটা যেন সমস্যার চেয়ে ভয়ানক না হয়ে যায়। এ সময় পুরোপুরি না জানা গান আওড়াতে শুরু করলেও আতঙ্কিত হবেন না। গানের কথা যাই হোক—গাইবেন, পারলে নিজের লেখা গান গলা ছেড়ে গাইবেন। হয়তো এভাবেই জানা যাবে—আপনি এক বিরাট পটেনশিয়াল গীতিকার।
প্রথমত বন্ধুদের আড্ডায় গেয়ে সংগীত ক্যারিয়ার শুরু করুন। দেখবেন, আপনার আগেই গানের পরের লাইন গাওয়া দু-একজন পেয়ে গেছেন। আর সবাই একসঙ্গে কোরাস ধরলে তো বেঁচেই গেলেন। এভাবে এগোতে থাকলে নিয়মিত উন্নয়নে জনসম্মুখে গাওয়ার সুযোগও আসবে। সুযোগ হাতছাড়া করবেন না। খুব সিরিয়াস মুডে গান শুরু করুন, চালিয়ে যান। আপনাকে দাবিয়ে রাখে—এমন সাধ্য কার?
মহাবিজ্ঞানী আলবার্ট আইনস্টাইন বলেছেন, ‘যারা আমাকে প্রত্যাখ্যান করেছে, তাঁদের প্রতি কৃতজ্ঞতা। কারণ, তাঁদের কারণে কাজটি আমি নিজেই করতে পেরেছি।’ তারপরও গাইবেন না! আইনস্টাইনের মতো জ্ঞানী লোকের কথায় অন্তত নিজের প্রতিভায় আপনার আস্থা ফেরা উচিত। এই শক্তিতে বলীয়ান হলে যেকোনো ধরনের অসহযোগিতা তুড়ি মেরে উড়িয়ে দিয়ে আপনিও হয়ে উঠবেন বিশিষ্ট গীতিকার, সুরকার ও শিল্পী। সে ক্ষেত্রে খুলে যেতে পারে আয়ের ভাগ্যও। ক্যারিয়ারে এমন বহু প্রস্তাব আসবে—ভাই/আপু, ‘গান থামাতে কত লাগবে?’ শুনবেন না, হতাশ হবেন না। একদম না।

নিন্দুকের কথায় পাত্তা না দিয়ে কাক পর্যন্ত গলা ফাটিয়ে গাইছে; আর আপনি ভাবছেন, কে কী বলে। এটা কোনো কথা হলো? কণ্ঠ, সুর—এগুলো কি সবার সমান থাকে নাকি? থাকে না। বেসুরো বলে যে গান গাইবেন না, তা তো হয় না। আইনেও তো বাধা নেই। তবে?
গান যে আপনি গাইছেন না, তা কিন্তু না। বাথরুম সিঙ্গারের তালিকায় আপনার নামটা কিন্তু নিজেই দিয়েছেন। এবার বলুন, এই প্রতিভা দেয়ালের বাইরে আনতে না পারলে এত অধ্যবসায়ের দাম কী? কবি কাজী নজরুল ইসলামের, ‘থাকব নাকো বদ্ধ ঘরে’ দিয়েই–বা কী শিখলেন? দেখিয়ে দিন অদেখা আপনাকে, জনতাকে জানিয়ে দিন আপনিও পারেন।
কতজনই তো এই প্রতিভা দিয়েই করে খাচ্ছে। আপনিও হাঁটুন সে পথে। তাই বলে বাথরুমে গান গাওয়ার ঐতিহ্য কিন্তু হারাতে দেওয়া যাবে না। শুধু খেয়াল রাখবেন, গান থেকে নাচ এবং নাচের ক্লান্তিতে যাতে বাথরুমেই ঘুমিয়ে না পড়েন। কারণ, ঘরের বাকি সদস্যদেরও তো সুযোগ দিতে হবে!
সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ ‘একটি তুলসী গাছের কাহিনি’ গল্পে হাবিবুল্লাহকে বেসুরো হারমোনিয়ামে অবক্তব্য সংগীত-সমস্যার স্রষ্টা আখ্যা দিয়েছেন। প্রতিভা জানান দিলে এমন স্রষ্টার আখ্যা কিন্তু আপনিও পেতে পারেন। তাই বলে গান শুনে সবাই বিরক্ত হবে বলে চিন্তিত হবেন? ভাববেন না; সুন্দর করে একটি গভীর নিশ্বাস নিন। আবার গাইতে শুরু করুন। আর মনে মনে বলুন—‘জগতে কেউ পারফেক্ট নয়!’
সমস্যা বা মন খারাপের সময় মনকে শীতল করতে মন খুলে গাইতে পারেন। শুধু খেয়াল রাখবেন, গানটা যেন সমস্যার চেয়ে ভয়ানক না হয়ে যায়। এ সময় পুরোপুরি না জানা গান আওড়াতে শুরু করলেও আতঙ্কিত হবেন না। গানের কথা যাই হোক—গাইবেন, পারলে নিজের লেখা গান গলা ছেড়ে গাইবেন। হয়তো এভাবেই জানা যাবে—আপনি এক বিরাট পটেনশিয়াল গীতিকার।
প্রথমত বন্ধুদের আড্ডায় গেয়ে সংগীত ক্যারিয়ার শুরু করুন। দেখবেন, আপনার আগেই গানের পরের লাইন গাওয়া দু-একজন পেয়ে গেছেন। আর সবাই একসঙ্গে কোরাস ধরলে তো বেঁচেই গেলেন। এভাবে এগোতে থাকলে নিয়মিত উন্নয়নে জনসম্মুখে গাওয়ার সুযোগও আসবে। সুযোগ হাতছাড়া করবেন না। খুব সিরিয়াস মুডে গান শুরু করুন, চালিয়ে যান। আপনাকে দাবিয়ে রাখে—এমন সাধ্য কার?
মহাবিজ্ঞানী আলবার্ট আইনস্টাইন বলেছেন, ‘যারা আমাকে প্রত্যাখ্যান করেছে, তাঁদের প্রতি কৃতজ্ঞতা। কারণ, তাঁদের কারণে কাজটি আমি নিজেই করতে পেরেছি।’ তারপরও গাইবেন না! আইনস্টাইনের মতো জ্ঞানী লোকের কথায় অন্তত নিজের প্রতিভায় আপনার আস্থা ফেরা উচিত। এই শক্তিতে বলীয়ান হলে যেকোনো ধরনের অসহযোগিতা তুড়ি মেরে উড়িয়ে দিয়ে আপনিও হয়ে উঠবেন বিশিষ্ট গীতিকার, সুরকার ও শিল্পী। সে ক্ষেত্রে খুলে যেতে পারে আয়ের ভাগ্যও। ক্যারিয়ারে এমন বহু প্রস্তাব আসবে—ভাই/আপু, ‘গান থামাতে কত লাগবে?’ শুনবেন না, হতাশ হবেন না। একদম না।

চীনা নববর্ষের আগে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক সাধারণ আহ্বান মুহূর্তেই রূপ নিয়েছিল বিশাল জনসমাগম ও গ্রামীণ উৎসবে। ঘটনাটি ঘটেছে দক্ষিণ-পশ্চিম চীনের চংকিংয়ের হেচুয়ান অঞ্চলের চিংফু গ্রামে। ২০ বছর বয়সী এক তরুণী দাইদাই চীনা টিকটকে সহায়তার আবেদন জানান। তিনি জানান, তাঁর বাবা বয়সের কারণে...
৪ দিন আগে
নয়াদিল্লির ইন্দিরা গান্ধী ইনডোর স্টেডিয়ামে চলমান ইন্ডিয়া ওপেন সুপার-৭৫০ ব্যাডমিন্টন টুর্নামেন্টে গতকাল বৃহস্পতিবার এক অস্বাভাবিক ও বিব্রতকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। পুরুষদের এককের দ্বিতীয় রাউন্ডে ভারতের এইচএস প্রণয় ও সিঙ্গাপুরের লো কিন ইউয়ের ম্যাচে কোর্টে পাখির বিষ্ঠা পড়ায় দুবার খেলা বন্ধ রাখতে
৪ দিন আগে
ভারতের পূর্বাঞ্চলীয় জঙ্গলে মানুষ ও বন্যপ্রাণীর সংঘাত নতুন করে উদ্বেগজনক রূপ নিয়েছে। দেশটির ঝাড়খণ্ড রাজ্যের সারান্ডা বনাঞ্চলে একটি দাঁতাল হাতির হামলায় মাত্র এক সপ্তাহে অন্তত ১৭ জনের মৃত্যু হয়েছে বলে জানিয়েছে স্থানীয় কর্তৃপক্ষ।
১০ দিন আগে
বলকান অঞ্চলের নস্ত্রাদামুস হিসেবে পরিচিত বুলগেরীয় ভবিষ্যদ্বক্তা বাবা ভাঙ্গা বিশ্বের নানা গুরুত্বপূর্ণ ঘটনার পূর্বাভাস দেওয়ার জন্য আলোচিত। এর আগে তিনি, ৯/১১ সন্ত্রাসী হামলা, প্রিন্সেস ডায়ানার মৃত্যু এবং চীনের উত্থানের মতো ঘটনাও তিনি আগেই ভবিষ্যদ্বাণী করেছিলেন বলে দাবি করা হয়।
১১ দিন আগে