ছাদের ওপর পাটি বিছিয়ে চিৎপটাং হয়ে শুয়ে আছি। বাদামি বিড়ালটা একটু দূরে বসে হাই তুলে যাচ্ছে। ও হাই তোলে কেন? ব্যাপারটা সংক্রামক বটে। পাশের কেউ হাই তুলছে দেখলে কেন যেন নিজেরও হাই তুলতে মন চায়। কোনো দ্বিধা না করে আমিও তুলে ফেললাম। কেবল আমি না, অন্য যে কেউ হলেও তুলবে। শুয়ে–বসে হাই তুলে যাচ্ছেন বলে কেউ আপনাকে অলস বা কুঁড়ে ভাববে, সেই ভয় পাবেন না। হাই তুলে নিজের ও অন্যের উপকরই করছেন। জানতে চান কীভাবে?
নির্দ্বিধায় হাই তুলুন
মানুষ ও অন্যান্য প্রাণীদের হাই তোলার কিছু কারণ রয়েছে। এর একটা হলো— যখন আমরা অবসাদগ্রস্ত বা ক্লান্ত থাকি, তখন আমাদের মস্তিষ্কে যথেষ্ট অক্সিজেন পৌঁছে না। এ সময় শ্বাস-প্রশ্বাসের গতি কম থাকে। তখন হাই তোলা শরীরের একটি স্বাভাবিক প্রক্রিয়া। এর মাধ্যমে রক্তে প্রচুর অক্সিজেন সরবরাহ হয় ও কার্বন–ডাই–অক্সাইড বেরিয়ে যায়। এভাবে আমাদের দেহের অক্সিজেন ও কার্বন–ডাই–অক্সাইডের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে থাকে। তাই হাই তোলার ইচ্ছেকে দমিয়ে না রেখে নির্দ্বিধায় হাই তুলুন।
হৃদস্বাস্থ্য ভালো রাখতে হাই তুলুন
মায়েরা প্রায়ই বলেন, শুয়ে-বসে হাই তোলা ছাড়া বুঝি আর কোনো কাজ নেই! মাকে এবার বলে দেবেন, হাই তোলা স্বাস্থ্যকর। হাই তোলার সময় আমাদের চোয়াল টান টান হয়। ফলে পেশি ও জয়েন্ট নমনীয় হয়, হৃৎপিণ্ডের গতি ঠিক থাকে এবং আমরা আরও বেশি সচেতন বোধ করি ও জাগ্রত হই।
হাই তোলার উপযোগী পরিবেশ
গবেষণায় দেখা গেছে, হাই তোলার ক্ষেত্রে আবহাওয়ার প্রভাব রয়েছে। পারিপার্শ্বিক আবহাওয়া ঠান্ডা থাকলে হাই বেশি ওঠে। বিশেষজ্ঞদের মতে, ঠান্ডা আবহাওয়ায় ৪৫ শতাংশ মানুষ হাই তোলেন। অন্যদিকে, গরমের সময় হাই তোলে মাত্র ২৪ শতাংশ মানুষ। ইঁদুরের ওপর করা একটি গবেষণায় দেখা যায়—তারাও গরম আবহাওয়ার তুলনায় ঠান্ডা আবহাওয়ায় বেশি হাই তোলে।
সংক্রামক
শুরুই করেছিলাম ওই কথা দিয়ে। হাই কিন্তু সংক্রামক! কাউকে হাই তুলতে দেখলে, একটু পর নিজেরও হাই তুলতে হয়। আবার হাই তোলার কথা বা এমন কোনো ঘটনা চিন্তা করলেও আপনা-আপনি হাই পাবে আপনার। হাই তোলা উপকারী বলে এভাবে একে অপরকে সহায়তা করে যাচ্ছি বৈকি!
এবার বলুন দেখি, লেখাটি পড়ার সময় ঠিক কয়বার হাই তুললেন!

নিউজিল্যান্ডের সাউথ আইল্যান্ডে সম্প্রতি ঘটে গেছে এক অভাবনীয় ঘটনা। দান করার উদ্দেশ্যে একটি চ্যারিটি শপে (দাতব্য দোকান) ভুলবশত মাদক ও বিপুল পরিমাণ নগদ টাকাভর্তি ব্যাগ ফেলে গেছে দুই কিশোর-কিশোরী। পরে সেই ব্যাগ উদ্ধারে মরিয়া হয়ে দোকানে ফিরে এলেও শেষরক্ষা হয়নি; পুলিশের হাতে ধরা পড়তে হয়েছে তাদের।
২ দিন আগে
প্রচলিত হওয়া সত্ত্বেও ‘কুভেড সিনড্রোম’ এখনো কোনো স্বীকৃত চিকিৎসা ব্যাধি হিসেবে তালিকাভুক্ত নয়। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা, আন্তর্জাতিক রোগ শ্রেণিবিন্যাস (আইসিডি) বা আমেরিকান ডায়াগনস্টিক অ্যান্ড স্ট্যাটিসটিক্যাল ম্যানুয়াল—কোথাও এর উল্লেখ নেই।
২ দিন আগে
নিখোঁজ স্বর্ণমুদ্রার অবস্থান জানাতে অস্বীকার করায় দীর্ঘ ১০ বছর কারাভোগের পর অবশেষে মুক্তি পেয়েছেন মার্কিন গুপ্তধন অনুসন্ধানকারী টমি থম্পসন। তবে আশ্চর্যের বিষয় হলো, কর্তৃপক্ষ এখনো জানতে পারেনি সেই অমূল্য সোনা আসলে কোথায় লুকানো আছে।
৩ দিন আগে
ভারতের উত্তর প্রদেশে অবিশ্বাস্য এক ঘটনা ঘটেছে। চিকিৎসকদের কাছে ‘ব্রেন ডেড’ ঘোষিত এক নারী অ্যাম্বুলেন্সের ধাক্কায় হঠাৎ আবার শ্বাস নিতে শুরু করেছেন। পরিবারের সদস্যরা এটিকে অলৌকিক ঘটনা বলে মনে করছেন।
৮ দিন আগে