
গিনেস বুকে নাম তোলার জন্য মানুষ কত কীই না করে। ইতালীয় এই ভদ্রলোকের কথাই ধরুন, রীতিমতো তিনটি উড়োজাহাজ তিনি টেনে নিয়ে গেছেন। তা–ও হাতে ভর দিয়ে হাঁটতে হাঁটতে এ কাণ্ড করেন তিনি। অবশ্য কথায় আছে, কষ্ট করলে কেষ্ট মেলে। এর মাধ্যমে সত্যি পুরোনো গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ড ভেঙে দিয়েছেন তিনি।
ইতালির আসতির ক্যাস্তেলনুভো ডন বসকোদ নামের জায়গায় তিনটি হালকা উড়োজাহাজ টেনে নেওয়ার এ প্রচেষ্টায় সফল হন তিনি। তাঁর শরীরের সঙ্গে বাঁধা দড়ির আরেক প্রান্ত বাঁধা ছিল উড়োজাহাজের সঙ্গে। মাতেও পাভেনো নামের এই ব্যক্তি জানান কয়েকটি দুর্ঘটনা ও শরীরে আঘাতের কারণে রাগবি খেলা ছেড়ে দেওয়ার পর এ ধরনের অস্বাভাবিক কাজ বা রেকর্ড গড়ার দিকে মনোযোগ দেন।
‘এগুলোর মধ্যে সবচেয়ে দুর্ভাগ্যজনক বিষয় ছিল শরীরের পেছনে একটি ক্ষত,’ গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডস কর্তৃপক্ষকে বলেন পাভেনো, ‘চিকিৎসকেরা বলেছিলেন আমি আর কখনো কোনো ধরনের খেলায় অংশ নিতে পারবেন না। তবে তাঁরা ভুল করেছিলেন।’
রেকর্ড গড়ার এই চেষ্টার আগে যোগব্যায়াম, হার্ট ও শরীরের শক্তি বৃদ্ধি হয় এমন নানা ধরনের ব্যায়াম করেন। পাভেনা জানান নিজের রেকর্ডটি ভাঙার পরিকল্পনা করছেন এখন তিনি।
‘আমি এই রেকর্ড গড়ে গর্বিত,’ বলেন তিনি, ‘তবে চূড়ান্ত ফলাফল নিয়ে আমি খুব সন্তুষ্ট নই। আমি মনে করি চারটি কিংবা তার চেয়ে বেশি উড়োজাহাজ টেনে নেওয়া সম্ভব আমার পক্ষে। কাজেই আমি চেষ্টা চালিয়ে যাব।’

প্রায় ৪৪ বছর আগে ১০ বছর বয়সী এক কিশোরীর লেখা একটি চিঠি পাওয়া গেছে যুক্তরাজ্যের এসেক্সের হকলিতে। বাড়ির সিঁড়ির ভেতরের একটি ফাঁকা জায়গায় লুকিয়ে রাখা ছিল চিঠিটি। সম্প্রতি বাড়ির সংস্কারকাজের সময় এটি উদ্ধার করেন এক নির্মাণকর্মী।
২ দিন আগে
ক্যানসারে আক্রান্ত, তাই কেমোথেরাপিসহ নানান জটিল চিকিৎসা নিচ্ছিলেন এক তরুণী। কিন্তু ১১ বছর পর জানা গেল, ওই তরুণী কোনো দিন ক্যানসারেই আক্রান্ত ছিলেন না। তিনি যুক্তরাজ্যের ন্যাশনাল হেলথ সার্ভিসের (এনএইচএস) ভুল চিকিৎসার শিকার...
১০ দিন আগে
বারবার পুলিশকে ফাঁকি দিয়েছেন এক মাদক কারবারি। আর তাঁকে এতে সাহায্য করেছে প্রযুক্তি। শেষমেশ প্রযুক্তির বেড়াজালেই পুলিশের হাতে ধরা পড়লেন তিনি। যুক্তরাজ্যের সংবাদমাধ্যম দ্য মেট্রোর প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, এই মাদক কারবারি ধরা পড়েন একটি পাবলিক ওয়াই-ফাইতে তাঁর একটি ডিভাইস কানেক্টেড হয়ে যাওয়ায়।
১৪ দিন আগে
জলবায়ু পরিবর্তন নিয়ে অন্য যেকোনো বয়সী মানুষের তুলনায় বেশি উদ্বিগ্ন জেন জেড বা জেন–জি। কিন্তু মজার ব্যাপার হলো জলবায়ু পরিবর্তন নিয়ে অন্যদের তুলনায় উদ্বিগ্ন হলেও ১৮ থেকে ২৯ বছর বয়সী এই প্রজন্ম সবচেয়ে বেশি সময় ধরে গোসল করেন।
১৬ দিন আগে