
সম্প্রতি মিটফোর্ড হাসপাতাল এলাকায় একটা নির্মম হত্যাকাণ্ড ঘটেছে। এ ধরনের বর্বরোচিত লোমহর্ষ হত্যাকাণ্ড ইতিপূর্বে ঘটেছে কি না মনে পড়ে না। একজন ব্যবসায়ী লাল চাঁদ ওরফে মো. সোহাগকে আদিম যুগের আদলে পাথর দিয়ে আঘাত করে, তাঁর নিথর দেহের ওপর লাফিয়ে মৃত্যু নিশ্চিত করা হয়েছে।

ঢাকার মিটফোর্ড এলাকায় ব্যবসায়ী সোহাগ হত্যা মামলায় অভিযুক্ত পাথর নিক্ষেপকারীকে পটুয়াখালীর সদর উপজেলার ইটবাড়িয়া এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করেছে ডিবি পুলিশ। মঙ্গলবার দিবাগত (১৫ জুলাই) রাতে ঢাকার ডিবি পুলিশের একটি দল তাকে গ্রেপ্তার করে।

পুরান ঢাকার মিটফোর্ড হাসপাতালের পাশে ভাঙারি ব্যবসায়ী সোহাগকে হত্যার ঘটনায় জড়িত ব্যক্তিদের অবিলম্বে গ্রেপ্তারসহ ছয় দফা দাবি জানিয়ে আলটিমেটাম দিয়েছে মৌলভীবাজার ব্যবসায়ী সমিতি। আজ সোমবার দুপুরে পুরান ঢাকার মৌলভীবাজার ব্যবসা সমিতির কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে ছয় দফা দাবি জানানো হয়।

মিটফোর্ড এলাকায় একজন ব্যবসায়ীকে জনসম্মুখে পাথর দিয়ে থেঁতলে হত্যা করা হলো। ঘটনাটি যেমন নির্মম, তেমনই মর্মান্তিক। কিন্তু সবচেয়ে বেশি যেটি আঘাত করে, তা হলো—ঘটনার সময় আশপাশে থাকা মানুষের নীরবতা ও নিষ্ক্রিয় হয়ে দাঁড়িয়ে থাকা। কেউ বাধা দিল না, কেউ ‘থামো’ বলল না, কেউ ওই বিপন্ন মানুষটার জীবন রক্ষার শেষ