
রাজধানী ঢাকার স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল তথা মিটফোর্ড হাসপাতালের সামনে হত্যাকাণ্ডের শিকার সোহাগকে হিন্দু বলে প্রচার করেছে ভারতীয় একাধিক গণমাধ্যম। এই বিষয়ে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং জানিয়েছে, হত্যাকাণ্ডের শিকার ভাঙারি ব্যবসায়ী সোহাগকে হিন্দু হিসেবে চিহ্নিত করে ভারতীয় সংবাদমাধ্যমগুলো মিথ্যা প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে। প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইংয়ের ফ্যাক্ট চেক ইউনিট সিএ প্রেস উইং ফ্যাক্টসের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে গতকাল রোববার এ তথ্য জানানো হয়।
প্রেস উইং জানিয়েছে, এনডিটিভি, ইন্ডিয়া টুডে এবং ইওনসহ ভারতের একাধিক সংবাদমাধ্যম রাজধানীর মিটফোর্ড হাসপাতাল এলাকায় (স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ) নিহত ব্যবসায়ী লাল চাঁদ ওরফে সোহাগ (৩৯) হিন্দু ধর্মাবলম্বী ছিলেন বলে মিথ্যা প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে।
সোহাগের বাবার নাম মো. আয়ুব আলী এবং মায়ের নাম আলেয়া বেগম। মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী লাকি বেগম, বোন ফাতেমা এবং একমাত্র ছেলে সোহানকে রেখে গেছেন।
গত ৯ জুলাই স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ৩ নম্বর গেটের সামনে সোহাগকে নির্মমভাবে পিটিয়ে হত্যা করে একদল সন্ত্রাসী। মৃত্যু নিশ্চিত হওয়ার পর তাঁর নিথর দেহেও বোল্ডার ছুড়ে মারা হয়। নৃশংস এই ঘটনার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে দেশজুড়ে ব্যাপক ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় এখন পর্যন্ত সাতজনকে পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়েছে।
গতকাল রোববার জানাজা শেষে সোহাগকে বরগুনা সদর উপজেলার ঢলুয়া ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের নিজ গ্রাম বন্দরগাছিয়ায় তাঁর মায়ের কবরের পাশে দাফন করা হয়েছে।
ভারতের যেসব সংবাদমাধ্যম সোহাগকে হিন্দু বলে উল্লেখ করেছে, তারা তাদের প্রতিবেদনে তার ধর্ম বা পারিবারিক পরিচয় সম্পর্কে কোনো স্পষ্ট তথ্য উপস্থাপন করেনি। বাংলাদেশে কথিত সংখ্যালঘু নির্যাতনের নামে ভারতের একাধিক সংবাদমাধ্যম নিয়মিত ভিত্তিহীন ও ভুল তথ্য প্রচার করে আসছে।

সম্প্রতি জামায়াতের নেতৃত্বাধীন বিরোধী জোট ১১ দলীয় ঐক্য ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম পর্যন্ত লংমার্চ করেছে। গতকাল শনিবার রাজধানীর মতিঝিলের শাপলা চত্বর থেকে শুরু হয়ে রাত ৮টায় চট্টগ্রামের লালদীঘি ময়দানে সমাবেশের মাধ্যমে লংমার্চটি শেষ হয়।
৮ ঘণ্টা আগে
‘হিজাব না পরার শাস্তি হিসেবে নারীদের আটকে রেখে তাদের চুল কেটে দেন ইমাম’—এমন দাবিতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি ভিডিও ছড়িয়ে পড়েছে। ‘Dr. Maalouf’ নামের একটি এক্স অ্যাকাউন্টে গতকাল ৫ সেপ্টেম্বর ভিডিওটি শেয়ার করা হয়। শেয়ার করা ভিডিওটি ইতিমধ্যে ৭৭ হাজারের বেশি বার দেখা হয়েছে।
১২ ঘণ্টা আগে
ফেসবুকে একটি ফটোকার্ড শেয়ার করে সেটিকে অলৌকিক ঘটনা বলে প্রচার করা হচ্ছে। দাবি করা হচ্ছে, দড়ি দিয়ে বাঁধা দুটি বিশাল পাথরের চাঁইয়ের একটি শূন্যে ঝুলছে। ১ হাজার ৪০০ বছর আগে ইসলামের নবী হজরত মুহাম্মদ (সা.)-এর মোজেজা এটি। তিনিই পাথর দুটিকে এভাবে বেঁধে রেখেছিলেন।
১ দিন আগে
নাটোরে আওয়ামী লীগের দুই নেত্রীকে ধর্ষণের পর গলা কেটে হত্যা করা হয়েছে—এমন দাবিতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি ছবি ছড়িয়ে পড়েছে। পোস্টটি শেয়ার করে একজন লিখেছেন, ‘পাকিস্তানপন্থী হলে বলবে ভারতের, আর ভারতপন্থী হলে বলবে পাকিস্তানের—এটাই হচ্ছে বাঙালির আসল চরিত্র।
২ দিন আগে