
মাদারীপুরের শিবচরে টানা বৃষ্টিতে পৌর এলাকা, পাঁচ্চর, মাদবরের চর ও দত্তপাড়াসহ বিভিন্ন স্থানে জলাবদ্ধতা দেখা দিয়েছে। খাল-পুকুর ভরাট, পানি প্রবাহের পথ বন্ধ এবং দুর্বল ড্রেনেজ ব্যবস্থার কারণে সহস্রাধিক পরিবার দুর্ভোগে পড়েছে বলে জানিয়েছে স্থানীয়রা।

ভোলার বিচ্ছিন্ন দ্বীপ উপজেলা মনপুরায় মেঘনা নদীর পানি বিপৎসীমার ১০০ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হওয়ায় বেড়িবাঁধের ভেতর ও বাইরের নিম্নাঞ্চল পাঁচ থেকে ছয় ফুট জোয়ারের পানিতে প্লাবিত হয়েছে। এতে হাজারো মানুষ পানিবন্দী হয়ে পড়েছে। একই সঙ্গে ঢাকায় যাতায়াতের অন্যতম রামনেওয়াজ লঞ্চঘাট জোয়ারের পানিতে তলিয়ে

কুড়িগ্রামে ব্রহ্মপুত্র, ধরলা ও দুধকুমারের পানি বাড়ছে। তিস্তার পানি কাউনিয়া পয়েন্টে বিপৎসীমার ১ সেন্টিমিটার নিচে স্থিতিশীল রয়েছে। পাউবোর পূর্বাভাস অনুযায়ী, আগামী ২৪ থেকে ৪৮ ঘণ্টায় জেলার তিস্তা, ধরলা ও দুধকুমারের নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হতে পারে।

টানা বর্ষণ, নদীর পানি বৃদ্ধি ও পাহাড় ধসের ঝুঁকির কারণে ১৫ জুলাই পর্যন্ত বন্ধ রাখা বান্দরবানের সব পর্যটনকেন্দ্র আগামী ১৬ জুলাই থেকে পুনরায় খুলে দেওয়া হবে। তবে আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে এবং নতুন করে বড় ধরনের দুর্যোগের আশঙ্কা না থাকলেই এ সিদ্ধান্ত কার্যকর হবে বলে জানিয়েছে জেলা প্রশাসন।