
ঋতু পরিবর্তনের কারণে দিনে তপ্ত রোদ, গরম। আবার রাতে মৃদু শীত। গরম-ঠান্ডার এমন আবহাওয়ায় চুয়াডাঙ্গায় জ্বর, সর্দি-কাশি, ডায়রিয়া ও নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত রোগী বেড়ে গেছে। ঘরে ঘরে অসুস্থ হয়ে পড়া এসব রোগীর চিকিৎসাসেবা দিতে হিমশিম খাচ্ছেন সদর হাসপাতালের চিকিৎসক ও নার্সরা।

জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে বাংলাদেশে ক্রমেই বায়ুর তাপমাত্রা বেড়ে চলেছে। এতে তীব্র গরমে মানুষের স্বাস্থ্যঝুঁকি যেমন বাড়ছে, তেমনি অর্থনীতির জন্যও তা মারাত্মক হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে। বিশ্বব্যাংকের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, ২০২৪ সালে তাপজনিত অসুস্থতায় প্রায় ২৫ কোটি কর্মদিবস নষ্ট হয়েছে।

প্রচণ্ড তাপপ্রবাহে পুড়ছে উত্তর ভারতের বড় একটি অংশ। কোথাও কোথাও তাপমাত্রার পারদ ৫০ ডিগ্রি সেলসিয়াস ছুঁই ছুঁই। ফলে ব্যাহত হচ্ছে স্বাভাবিক জীবনযাপন। গত বৃহস্পতিবারই উত্তর ভারতের বেশ কয়েকটি বড় শহরে তাপমাত্রা পৌঁছেছিল ৪৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসের ঘরে

‘তাপমাত্রা ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াসে পৌঁছালে খুব ঠান্ডা পানি পান করতে নিষেধ করেন চিকিৎসকগণ। কারণ এতে রক্তনালি সংকুচিত হয়ে হঠাৎ স্ট্রোক হতে পারে।’ ফেসবুক পেজের এই পোস্টে কোনো তথ্যসূত্র উল্লেখ করা হয়নি।