আজকের পত্রিকা ডেস্ক

পশ্চিমা দেশগুলোতে আইভিএফ পদ্ধতিতে গর্ভধারণ বেশ প্রচলিত। তাই স্পার্ম ডোনেশন বা শুক্রাণু দান করাও হয়ে উঠেছে সাধারণ ঘটনা। এবার বিশেষ এই পদ্ধতিতে সন্তান জন্মদানই কাল হলো ৬৭ পরিবারের। শুক্রাণু দাতার শরীরে বিরল জিনগত সমস্যার কারণে ক্যানসারের ঝুঁকিতে রয়েছে ৬৭ শিশু। এরই মধ্যে ১০ শিশুর শরীরে ক্যানসার ধরাও পড়েছে।
ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য গার্ডিয়ানের এক প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, ২০০৮ থেকে ২০২৫ সালের মধ্যে একই দাতার শুক্রাণু থেকে জন্ম হয়েছে ৬৭টি শিশুর। জিনগত ত্রুটির বিষয়ে জানা ছিল না ওই দাতার কিংবা সংশ্লিষ্ট ক্লিনিকের। কারণ, সাধারণ জেনেটিক স্ক্রিনিংয়ের মাধ্যমে এটি শনাক্ত করাও সম্ভব নয়। পরে, এই দাতার শুক্রাণু থেকে জন্ম নেওয়া দুই শিশুর জিনে টিপি ৫৩ নামের একটি মিউটেশন ধরা পড়ে। এই মিউটেশনের কারণে জীবনের কোনো এক সময় বিভিন্ন ধরনের ক্যানসারে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি বেড়ে যায়, যেমন—রক্তের ক্যানসার বা লিম্ফোমা।
পরে, ওই দুই পরিবার আইভিএফ ক্লিনিকের সঙ্গে যোগাযোগ করলে তারা বিষয়টি খতিয়ে দেখতে শুরু করে। তদন্তে বেরিয়ে আসে দাতার জিনগত সমস্যার বিষয়টি। পরে, ইউরোপীয় স্পার্ম ব্যাংক নিশ্চিত করেছে, ওই দাতার শুক্রাণু ব্যবহার করে অন্তত ৬৭টি শিশুর জন্ম হয়েছে। যদিও প্রতিষ্ঠানটির নীতি অনুযায়ী, দাতার শুক্রাণু থেকে সন্তান জন্মের তথ্য গোপন রাখা হয়। তবে, এই ঘটনায় তারা সেই নিয়ম কিছুটা শিথিল করেছে। যেসব ক্লিনিক এই দাতার শুক্রাণু গ্রহণ করেছিল, তাদের সবাইকে এ বিষয়ে সতর্ক করা হয়েছে বলেও জানিয়েছে তারা।
এরপর থেকেই সব শিশুকে নিবিড় পর্যবেক্ষণে রাখা শুরু হয়। ৬৭ শিশুর মধ্যে ২৩টি শিশুর শরীরে টিপি ৫৩ মিউটেশন পাওয়া গেছে। যেসব শিশুর দেহে এই জিন পাওয়া গেছে, তাদের নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা করা হচ্ছে—যেমন সারা শরীরের এমআরআই, মস্তিষ্ক, স্তন ও তলপেটের আলট্রাসাউন্ড। যদি তারা ক্যানসারে আক্রান্ত হয় তাহলে এসব পরীক্ষার মাধ্যমে আগেভাগে শনাক্ত হবে, এতে চিকিৎসাও দ্রুত শুরু করা যাবে।
ফ্রান্সের রোয়াঁ বিশ্ববিদ্যালয় হাসপাতালের জীববিজ্ঞানী ড. এডউইজ কাসপার বলেন, ‘একজন শুক্রাণুদাতার মাধ্যমে সর্বোচ্চ কতটি শিশুর জন্ম দেওয়া যাবে—ইউরোপজুড়ে তার সীমা নির্দিষ্ট করে দেওয়া দরকার। আমি বলছি না যে সব দাতার জিনোম পরীক্ষা করতে হবে। কিন্তু যদি কারও কোনো ত্রুটি থাকে তাহলে জিনগত রোগ ছড়িয়ে পড়ার অস্বাভাবিক উদাহরণ তৈরি হবে। তেমনই এক ঘটনার সাক্ষী হলাম আমরা। ইউরোপে প্রত্যেক পুরুষের তো ৭৫টি সন্তান থাকে না!’

পশ্চিমা দেশগুলোতে আইভিএফ পদ্ধতিতে গর্ভধারণ বেশ প্রচলিত। তাই স্পার্ম ডোনেশন বা শুক্রাণু দান করাও হয়ে উঠেছে সাধারণ ঘটনা। এবার বিশেষ এই পদ্ধতিতে সন্তান জন্মদানই কাল হলো ৬৭ পরিবারের। শুক্রাণু দাতার শরীরে বিরল জিনগত সমস্যার কারণে ক্যানসারের ঝুঁকিতে রয়েছে ৬৭ শিশু। এরই মধ্যে ১০ শিশুর শরীরে ক্যানসার ধরাও পড়েছে।
ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য গার্ডিয়ানের এক প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, ২০০৮ থেকে ২০২৫ সালের মধ্যে একই দাতার শুক্রাণু থেকে জন্ম হয়েছে ৬৭টি শিশুর। জিনগত ত্রুটির বিষয়ে জানা ছিল না ওই দাতার কিংবা সংশ্লিষ্ট ক্লিনিকের। কারণ, সাধারণ জেনেটিক স্ক্রিনিংয়ের মাধ্যমে এটি শনাক্ত করাও সম্ভব নয়। পরে, এই দাতার শুক্রাণু থেকে জন্ম নেওয়া দুই শিশুর জিনে টিপি ৫৩ নামের একটি মিউটেশন ধরা পড়ে। এই মিউটেশনের কারণে জীবনের কোনো এক সময় বিভিন্ন ধরনের ক্যানসারে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি বেড়ে যায়, যেমন—রক্তের ক্যানসার বা লিম্ফোমা।
পরে, ওই দুই পরিবার আইভিএফ ক্লিনিকের সঙ্গে যোগাযোগ করলে তারা বিষয়টি খতিয়ে দেখতে শুরু করে। তদন্তে বেরিয়ে আসে দাতার জিনগত সমস্যার বিষয়টি। পরে, ইউরোপীয় স্পার্ম ব্যাংক নিশ্চিত করেছে, ওই দাতার শুক্রাণু ব্যবহার করে অন্তত ৬৭টি শিশুর জন্ম হয়েছে। যদিও প্রতিষ্ঠানটির নীতি অনুযায়ী, দাতার শুক্রাণু থেকে সন্তান জন্মের তথ্য গোপন রাখা হয়। তবে, এই ঘটনায় তারা সেই নিয়ম কিছুটা শিথিল করেছে। যেসব ক্লিনিক এই দাতার শুক্রাণু গ্রহণ করেছিল, তাদের সবাইকে এ বিষয়ে সতর্ক করা হয়েছে বলেও জানিয়েছে তারা।
এরপর থেকেই সব শিশুকে নিবিড় পর্যবেক্ষণে রাখা শুরু হয়। ৬৭ শিশুর মধ্যে ২৩টি শিশুর শরীরে টিপি ৫৩ মিউটেশন পাওয়া গেছে। যেসব শিশুর দেহে এই জিন পাওয়া গেছে, তাদের নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা করা হচ্ছে—যেমন সারা শরীরের এমআরআই, মস্তিষ্ক, স্তন ও তলপেটের আলট্রাসাউন্ড। যদি তারা ক্যানসারে আক্রান্ত হয় তাহলে এসব পরীক্ষার মাধ্যমে আগেভাগে শনাক্ত হবে, এতে চিকিৎসাও দ্রুত শুরু করা যাবে।
ফ্রান্সের রোয়াঁ বিশ্ববিদ্যালয় হাসপাতালের জীববিজ্ঞানী ড. এডউইজ কাসপার বলেন, ‘একজন শুক্রাণুদাতার মাধ্যমে সর্বোচ্চ কতটি শিশুর জন্ম দেওয়া যাবে—ইউরোপজুড়ে তার সীমা নির্দিষ্ট করে দেওয়া দরকার। আমি বলছি না যে সব দাতার জিনোম পরীক্ষা করতে হবে। কিন্তু যদি কারও কোনো ত্রুটি থাকে তাহলে জিনগত রোগ ছড়িয়ে পড়ার অস্বাভাবিক উদাহরণ তৈরি হবে। তেমনই এক ঘটনার সাক্ষী হলাম আমরা। ইউরোপে প্রত্যেক পুরুষের তো ৭৫টি সন্তান থাকে না!’

ইরানের রাজধানীর তেহরানের বাসিন্দা ৩৫ বছর বয়সী পারিসা। গত শুক্রবার রাতে বিক্ষোভে যোগ দিয়ে স্লোগান দিচ্ছিলেন ‘স্বৈরাচার নিপাত যাক’। বিক্ষোভ শান্তিপূর্ণ ছিল। হঠাৎ এই বিক্ষোভে গুলি চালান নিরাপত্তা বাহিনীর চার সদস্য। এই বিক্ষোভে কিশোর ছেলেকে সঙ্গে নিয়ে যোগ দিয়েছিলেন এক বাবা। গুলিতে তিনি মারা যান।
৪ ঘণ্টা আগে
লস অ্যাঞ্জেলেসের আকাশে দীর্ঘ ৫১ বছর পর দেখা গেল মার্কিন সামরিক বাহিনীর সবচেয়ে সুরক্ষিত ও রহস্যময় বিমান বোয়িং ই-৪বি ‘নাইটওয়াচ’। গত বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) বিকেলে লস অ্যাঞ্জেলেস আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে বিমানটি অবতরণ করে। এরপর থেকেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পারমাণবিক ‘যুদ্ধ আসন্ন কি না’ তা নিয়ে শুরু হয়
৬ ঘণ্টা আগে
ইরানে দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির প্রতিবাদে শুরু হওয়া বিক্ষোভ এখন রক্তক্ষয়ী গণ-অভ্যুত্থানে রূপ নিয়েছে। গত দুই সপ্তাহের নজিরবিহীন এই অস্থিরতায় নিহতের সংখ্যা ৫০০ ছাড়িয়ে গেছে বলে দাবি করেছে মানবাধিকার সংস্থা এইচআরএএনএ। এমন পরিস্থিতিতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বিক্ষোভকারীদের পাশে দাঁড়ানোর ঘোষণা
৬ ঘণ্টা আগে
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানে চলমান সরকারবিরোধী বিক্ষোভের প্রেক্ষাপটে সম্ভাব্য সামরিক হস্তক্ষেপের নানা বিকল্প বিবেচনা করছেন। যুক্তরাষ্ট্রের দুই কর্মকর্তা সিএনএনকে জানিয়েছেন, ইরানি কর্তৃপক্ষ যদি বিক্ষোভকারীদের বিরুদ্ধে প্রাণঘাতী শক্তি প্রয়োগ অব্যাহত রাখে, সে ক্ষেত্রে তেহরানের বিরুদ্ধে...
৭ ঘণ্টা আগে