মায়ের সেবা করে জান্নাতে বিশেষ মর্যাদা পেয়েছিলেন যিনি

এক গভীর রাতে মহানবী (সা.) স্বপ্নে দেখলেন অভাবনীয় দৃশ্য—তিনি জান্নাতে প্রবেশ করেছেন। জান্নাত, যা সব সৌন্দর্যের আধার—যেখানে নদীর পাশে বয়ে চলেছে মধু আর দুধের নহর। এমন এক মনোমুগ্ধকর স্থানে নবীজি (সা.) প্রবেশ করে শুনতে পেলেন পবিত্র কোরআনের সুমধুর তিলাওয়াত। সেই সুমধুর সুর তাঁর হৃদয়কে আরও বিমোহিত করে তুলল।
নবীজি (সা.) অবাক হয়ে ফেরেশতাদের জিজ্ঞেস করলেন, ‘কে এই সৌভাগ্যবান ব্যক্তি—যার কোরআন তিলাওয়াত জান্নাতে প্রবেশ করে আমার কানে ভেসে আসছে?’
ফেরেশতারা উত্তর দিলেন, ‘তিনি হলেন আপনার সাহাবি হারেসা বিন নুমান।’
হারেসা বিন নুমান! নামটি শুনে নবীজি (সা.)-এর হৃদয়ে এক গভীর আবেগ জেগে উঠল। তিনি জানতে চাইলেন, ‘কীভাবে সে এমন সম্মান লাভ করল?’
ফেরেশতারা বললেন, ‘তিনি তাঁর মায়ের প্রতি অত্যন্ত সদয় ও বিনয়ী ছিলেন। তিনি তাঁর মায়ের সেবা করতেন, তাঁকে ভালোবাসতেন এবং কোনো দিন তাঁর অবাধ্য হননি।’
নবীজি (সা.)-এর মুখ থেকে যেন আপনা-আপনিই বেরিয়ে এল, ‘এটাই হচ্ছে ইহসান। এটাই হচ্ছে ইহসান।’
একজন মানুষ তাঁর মায়ের প্রতি কতটুকু ভালোবাসা ও দায়িত্ববোধ দেখাতে পারে, তাঁর দৃষ্টান্ত হলেন হারেসা বিন নুমান (রা.)।
তথ্যসূত্র: মুসনাদে আহমাদ ২৫১৮২, সহিহ্ ইবনে হিব্বান: ৭০১৫











