অজু

অজু ছাড়া দরুদ পাঠ করা কি জায়েজ
দৈনন্দিন জীবনে চলতে-ফিরতে, কাজের ফাঁকে কিংবা মহানবী (সা.)-এর নাম শুনলে আমরা প্রায়ই দরুদ পাঠ করে থাকি। কিন্তু অনেক সময় অজু না থাকায় অনেকের মনে সংশয় জাগে, অজু ছাড়া কি দরুদ পড়া যাবে? দরুদ পাঠের জন্য অজু থাকা কি বাধ্যতামূলক?

গালি দিলে কি অজু ভেঙে যায়
পবিত্রতা অর্জন মুমিনের জীবনের এক অনুপম সৌন্দর্য। আত্মাকে স্নিগ্ধ রাখা এবং প্রভুর দরবারে সিজদানত হওয়ার প্রাথমিক চাবিকাঠি হলো অজু। কেবল নামাজ বা কোরআন তিলাওয়াতই নয়, সার্বক্ষণিক অজু অবস্থায় থাকার আত্মিক ও মানসিক ফজিলত অপরিসীম।

ঘুমের আগে যে কাজ করলে ফেরেশতারা দোয়া করে
আল্লাহ তাআলা মানুষকে পরিশ্রমনির্ভর করে সৃষ্টি করেছেন। তাই দিনের বেলায় নানা কাজ শেষে রাতে মানুষ বিশ্রাম নেয়। প্রশান্তিময় বিশ্রামের সর্বোত্তম উপায় হলো ঘুম। তবে শোয়ার আগে শরীর ও মনকে পবিত্র করে নেওয়া উচিত।

অজুর ফরজ কয়টি ও কী কী
অজুর মধ্যে এমন কিছু আবশ্যক কাজ রয়েছে, যার কোনো একটি বাদ পড়লে অজু সম্পূর্ণ হবে না এবং নামাজও শুদ্ধ হবে না। এগুলোকে ‘অজুর ফরজ’ বলা হয়। পবিত্র কোরআনের সুরা মায়িদার ৬ নম্বর আয়াত এবং হাদিসের সুনির্দিষ্ট বর্ণনা অনুযায়ী অজুর ফরজ মোট ৪টি।







