অজু দৈনন্দিন জীবনে একাধিকবার ফিরে আসা এক পবিত্র চর্চা। যাঁরা অজুকে গুরুত্ব দেন, নিয়মিত অজু অবস্থায় থাকার চেষ্টা করেন, তাঁদের জন্য রয়েছে দুনিয়ায় শান্তি ও আখিরাতে মুক্তির প্রতিশ্রুতি। অজু নামাজের পূর্বশর্ত। এটি শুধু শরীর ধোয়ার একটি প্রক্রিয়া নয়, বরং আত্মিক ও শারীরিক পবিত্রতার সম্মিলিত একটি প্রতীক। অজুর মাধ্যমে একজন মুসলিম নামাজের জন্য শারীরিকভাবে প্রস্তুত হন এবং পাশাপাশি আল্লাহর কাছে দাঁড়ানোর মানসিক প্রশান্তিও লাভ করেন।
পবিত্র কোরআনে আল্লাহ তাআলা বলেন, ‘হে মুমিনগণ, তোমরা যখন নামাজের জন্য দাঁড়াতে চাও, তখন তোমাদের মুখমণ্ডল ও কনুই পর্যন্ত হাত ধুয়ে নাও, মাথায় মাসেহ করো এবং পায়ের টাখনু পর্যন্ত ধুয়ে নাও।’ (সুরা মায়িদা: ৬)। এ আয়াত থেকেই স্পষ্ট বোঝা যায়, অজু নামাজের পূর্বশর্ত। অজু ছাড়া নামাজ শুদ্ধ হয় না, যতক্ষণ না শরিয়তে অন্য কোনো বিকল্প (যেমন তায়াম্মুম) অনুমোদিত হয়।
শীতের দিনে অনেকেই সর্দি-কাশির সমস্যায় ভোগেন। অনেক সময় নাক বন্ধ হয়ে যায় এবং পরিষ্কার করতে গিয়ে দেখা যায়, জমাট বাঁধা রক্তের মতো কিছু বের হয়। এমন পরিস্থিতিতে স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন আসে—এই রক্ত বের হলে অজু নষ্ট হয়ে যায় কি না?
সর্দির কারণে নাক বন্ধ হয়ে থাকলে মাঝে মাঝে নাক ঝাড়ার সময় রক্তের মতো জমাট কিছু বের হতে পারে। ফিকহবিদগণের মতে, নাক ঝাড়ার সময় এ রকম জমাট রক্ত বের হলে অজু ভঙ্গ হয় না। কারণ, এটি শরীর থেকে এমনভাবে রক্ত নিঃসরণ নয়, যা অজুর শর্ত ভঙ্গ করে।
অজু ভেঙে যায় যে ৭ কারণে: ১. পায়খানা ও প্রস্রাবের রাস্তা দিয়ে কিছু বের হলে। ২. নামাজে উচ্চ স্বরে হাসলে। ৩. মুখ ভরে বমি করলে। ৪. থুতুর সঙ্গে রক্তের ভাগ সমান বা বেশি হলে। ৫. চিৎ বা কাত হয়ে হেলান দিয়ে ঘুমালে। ৬. কিছু সময়ের জন্য বেহুঁশ বা উন্মাদ হলে। ৭. শরীরের যেকোনো জায়গা থেকে রক্ত, পুঁজ বা পানি বের হয়ে গড়িয়ে পড়লে।

যুগ যুগ ধরে আফ্রিকা মহাদেশ থেকে পবিত্র মক্কার উদ্দেশে হজ পালনের জন্য ছুটে আসেন হজযাত্রীরা। হজের সফর যেন ত্যাগ, ধৈর্য ও অদম্য বিশ্বাসের এক জীবন্ত প্রতীক। দুর্গম পথ, প্রতিকূল আবহাওয়া আর সীমাহীন অনিশ্চয়তাকে সঙ্গী করে আফ্রিকান হাজিরা যেভাবে বছরের পর বছর বায়তুল্লাহর জিয়ারতে এসেছেন, তা বিশ্ব ইতিহাসের...
২ ঘণ্টা আগে
ইশরাক শব্দের অর্থ হলো আলোকিত হওয়া। সূর্য ওঠার পর জগৎ যখন আলোকিত হয়, তখন এই নামাজ আদায় করা হয় বলে একে সালাতুল ইশরাক বলা হয়। এটি নফল নামাজ এবং সুন্নতে গায়রে মুআক্কাদা, অর্থাৎ ঐচ্ছিক সুন্নত। মহানবী (সা.) নিজে এই নামাজ আদায় করতেন এবং সাহাবায়ে কেরামকেও উৎসাহিত করতেন।
৩ ঘণ্টা আগে
আরবি বর্ষপঞ্জির ১১তম মাস—জিলকদ। পবিত্র কোরআনে আল্লাহ তাআলা যে চারটি মাসকে ‘মর্যাদাপূর্ণ’ (আশহুরুল হুরুম) বলে ঘোষণা করেছেন, জিলকদ তার অন্যতম। জাহিলিয়াতের যুগেও আরবে এই মাসে যুদ্ধবিগ্রহ নিষিদ্ধ ছিল। বর্তমানে মুমিনদের জন্য এটি হজ ও কোরবানির প্রস্তুতির মাস।
৪ ঘণ্টা আগে
নতুন দিল্লির দক্ষিণাঞ্চলের মহরৌলিতে অবস্থিত কুতুব মিনার ভারতীয় উপমহাদেশে মুসলিম স্থাপত্যকলার অনন্য নিদর্শন। ৭২.৫ মিটার বা ২৩৯ ফুট উচ্চতার এই মিনারটি বিশ্বের সর্বোচ্চ ইটনির্মিত মিনার হিসেবে স্বীকৃত। ১৯৯৩ সালে ইউনেসকো এটিকে বিশ্বের ঐতিহ্যবাহী স্থান হিসেবে ঘোষণা করেছে। এই স্থাপত্যশিল্পটি ভারতীয়...
৪ ঘণ্টা আগে