Ajker Patrika

অজুর গুরুত্বপূর্ণ ৪ ফজিলত

ফয়জুল্লাহ রিয়াদ
আপডেট : ১০ জুন ২০২৬, ০৮: ০০
অজুর গুরুত্বপূর্ণ ৪ ফজিলত
ফাইল ছবি

অজু মুমিনের আত্মিক পবিত্রতা, শারীরিক পরিচ্ছন্নতা এবং আল্লাহর নৈকট্য লাভের গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম। অজুর মাধ্যমে মুমিনের অন্তর পবিত্রতার আলোয় আলোকিত হয়ে ওঠে। তাই কোরআন ও হাদিসে অজুর গুরুত্ব ও ফজিলত সম্পর্কে বিশেষভাবে আলোচনা করা হয়েছে।

গুনাহ মাফের আমল

অজুর অন্যতম ফজিলত হলো এর মাধ্যমে গুনাহ মাফ হয়। নবীজি (সা.) বলেন, ‘যখন কোনো মুসলিম অথবা মুমিন অজু করে এবং মুখমণ্ডল ধৌত করে, তখন চোখ দ্বারা সংঘটিত গুনাহগুলো পানির সঙ্গে বের হয়ে যায়। যখন সে হাত ধৌত করে, তখন হাতের দ্বারা সংঘটিত গুনাহগুলো বের হয়ে যায়। আর যখন সে পা ধৌত করে, তখন পায়ের দ্বারা সংঘটিত গুনাহগুলো বের হয়ে যায়। অবশেষে সে গুনাহমুক্ত হয়ে যায়।’ (সহিহ মুসলিম: ২৪৪)

জান্নাত লাভের মাধ্যম

অজু জান্নাত লাভের গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম। রাসুলুল্লাহ (সা.) একদিন বেলাল (রা.)-কে জিজ্ঞেস করলেন, ‘তুমি এমন কী আমল করেছ, যার কারণে আমি জান্নাতে তোমার জুতার আওয়াজ শুনেছি?’ বেলাল (রা.) বললেন, ‘আমি যখনই অজু করেছি, তখনই সম্ভব হলে দুই রাকাত নফল নামাজ আদায় করেছি।’ (সহিহ বুখারি: ১১৪৯) এ ঘটনা অজুর মর্যাদা ও এর সঙ্গে সম্পৃক্ত নফল ইবাদতের গুরুত্ব স্পষ্ট করে দেয়।

আখিরাতে বিশেষ সম্মান

কিয়ামতের দিন অজু মুমিনদের জন্য বিশেষ সম্মান ও পরিচয়ের কারণ হবে। অজুর পানি যেসব অঙ্গে পৌঁছায়, সেসব অঙ্গ সেদিন নুরের মতো উজ্জ্বল হবে। নবীজি (সা.) বলেন, ‘কিয়ামতের দিন আমার উম্মত অজুর প্রভাবের কারণে উজ্জ্বল মুখমণ্ডল ও আলোকময় অঙ্গপ্রত্যঙ্গসহ সমবেত হবে।’ (সহিহ বুখারি: ১৩৬)

আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জন

অজু মানুষের মর্যাদা বৃদ্ধি করে এবং আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের পথ সুগম করে। রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেন, ‘আমি কি তোমাদের এমন বিষয় বলে দেব না, যার মাধ্যমে আল্লাহ গুনাহসমূহ মিটিয়ে দেন এবং মর্যাদা বৃদ্ধি করেন?’ সাহাবিগণ বললেন, ‘অবশ্যই বলুন।’ তিনি বললেন, ‘কষ্ট সত্ত্বেও পূর্ণাঙ্গভাবে অজু করা এবং মসজিদের দিকে অধিক পদচারণ করা।’ (সহিহুত তারগিব: ৩১১)

Google News Icon

সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিড ফলো করুন

পঠিত
সর্বশেষ
এলাকার খবর
খুঁজুন

পাঠকের আগ্রহ

সম্পর্কিত