
মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধের প্রভাব ক্রমশ ছড়িয়ে পড়ছে দক্ষিণ এশিয়ায়। বিশেষ করে শ্রীলঙ্কা আবারও একটি সম্ভাব্য অর্থনৈতিক সংকটের মুখে পড়েছে। দেশটিতে বর্তমানে জ্বালানি সংকট, মূল্যস্ফীতি এবং সরবরাহ ব্যবস্থার ভেঙে পড়া—সব মিলিয়ে পরিস্থিতি অনেকটা ২০২২ সালের ভয়াবহ সংকটের স্মৃতি ফিরিয়ে আনছে।

শ্রীলঙ্কা ১৯৭০ সালে আরব রাষ্ট্রগুলোর চাপে ইসরায়েলের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক ছিন্ন করে। কিন্তু দেশটির নির্মম গৃহযুদ্ধ শুরুর প্রায় এক বছর পর, ১৯৮৪ সালে কলম্বোয় মার্কিন দূতাবাসে একটি ইসরায়েলি ‘ইন্টারেস্টস সেকশন’ (স্বার্থরক্ষা দপ্তর) খোলা হয়।

ইরান ও ইসরায়েল-যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে চলমান যুদ্ধের পরিপ্রেক্ষিতে সৃষ্ট জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় শ্রীলঙ্কা প্রতি বুধবার সরকারি ছুটি ঘোষণা করেছে। এর ফলে দেশটিতে আপাতত সাপ্তাহিক ছুটি দাঁড়াচ্ছে তিন দিন। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে এশিয়ার অন্যান্য দেশগুলো বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে।

সেবার দেশ থেকে ফিরছিলাম। চট্টগ্রাম বা দেশ ছেড়ে আসা মানেই কষ্ট, বুক ভারী হয়ে থাকা। ঢাকার এয়ারপোর্টে ইমিগ্রেশনে পাসপোর্ট দিয়ে হাসি হাসি মুখ করার চেষ্টা করে বলেছিলাম: হ্যালো। কোনো জবাব দিলেন না। একটু উঁচু কাউন্টারে বসা অফিসার ক্যাঙারু ছাপের পাসপোর্ট একবার এদিক, একবার ওদিক করতে করতে ঘন ঘন পাশের সিটে...