
বর্তমান বিশ্বে বিভাজন ও অসহিষ্ণুতার নানা বাস্তবতার বিপরীতে সংস্কৃতিই হতে পারে শান্তি, সহমর্মিতা ও মানবিক সংযোগের সবচেয়ে শক্তিশালী মাধ্যম। বৈচিত্র্য কখনো বিভেদের কারণ নয়; বরং তা সৌন্দর্য, সৃজনশীলতা ও ঐক্যের এক অনন্য শক্তি। এ ধরনের আন্তর্জাতিক সাংস্কৃতিক আয়োজন দুই দেশের জনগণের মধ্যে পারস্পরিক বোঝাপড়া

১০ মে থেকে রাজধানীর শিল্পকলা একাডেমিতে শুরু হয়েছে জাতীয় সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য সংরক্ষণ ও মনীষীদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন অনুষ্ঠান। বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির আয়োজনে এবং সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের পৃষ্ঠপোষকতায় ১০ দিনব্যাপী এই আয়োজন শেষ হবে ২০ মে, স্মরণ করা হবে ৪৫ গুণীজনকে।

পিঠাপ্রেমীদের এক বছরের অপেক্ষায় রেখে শিল্পকলা একাডেমিতে শেষ হলো ১০ দিনব্যাপী ১৯তম জাতীয় পিঠা উৎসব। আলোচনা, সেরা পিঠা শিল্পীদের পুরস্কার প্রদান ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান দিয়ে সাজানো ছিল সমাপনী আসর।

সাংস্কৃতিক পরিবেশনা শেষে বের করা হয় ‘আনন্দ শোভাযাত্রা’। শোভাযাত্রাটি রাঙামাটি শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে রাঙামাটি শিল্পকলা একাডেমিতে এসে শেষ হয়। রং-বেরঙের ব্যানার, ফেস্টুন এবং ঐতিহ্যবাহী সাজে সজ্জিত হয়ে শত শত মানুষ এই মিছিলে যোগ দেন।