
ইরানে দেশব্যাপী বিক্ষোভ এবং বছরের পর বছর ধরে চলা বাহ্যিক চাপের পরও টিকে আছে বর্তমান শাসনব্যবস্থা। এখন পর্যন্ত ইসলামি প্রজাতন্ত্রের নিরাপত্তা বাহিনীর মধ্যে এমন কোনো ভাঙনের লক্ষণ দেখা যাচ্ছে না, যা বিশ্বের অন্যতম সবচেয়ে স্থিতিস্থাপক সরকারগুলোর একটির পতন ঘটাতে পারে।

ইরানিদের আন্দোলনকে যুক্তিসংগত বলেই মনে করেন যুক্তরাষ্ট্রের কলাম্বিয়া ইউনিভার্সিটির অধ্যাপক হামিদ দাবাসি। তবে উপনিবেশোত্তর তত্ত্বের অন্যতম এই তাত্ত্বিক মনে করেন, ইরানে চলমান আন্দোলনে যুক্তরাষ্ট্র এবং ইসরায়েলের হস্তক্ষেপ আছে। আর তাদের লক্ষ্য মূলত ইরানকে ভেঙে ছোট ছোট জাতি রাষ্ট্রের পরিণত করা এবং ইসরায়ে

ইরানে চলমান গণবিক্ষোভের মুখে প্রথমবারের মতো জনসমক্ষে মুখ খুলেছেন দেশটির সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনী। তবে বিক্ষুব্ধ জনগণের দাবি দাওয়ার চেয়ে তাঁর বক্তব্যে ফুটে উঠেছে এক কঠোর বিভাজনরেখা। তিনি ‘বৈধ’ দাবি এবং ‘বিদ্রোহের’ মধ্যে পার্থক্য টেনে বিক্ষোভকারীদের প্রতি হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেছেন।

‘উইল ফর পিস ২০২৬’ নামের এক সপ্তাহব্যাপী এই নৌ মহড়া শুরু হয়েছে গতকাল শনিবার। নেতৃত্ব দিচ্ছে চীন। দক্ষিণ আফ্রিকার সাইমনস টাউনে—যেখানে ভারত মহাসাগর ও আটলান্টিক মহাসাগরের মিলন, সেখান থেকেই পরিচালিত হচ্ছে মহড়াটি।