
মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে শুরু হওয়া যুদ্ধ গোটা অঞ্চলকে অনিশ্চয়তার দিকে ঠেলে দিয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, এই সংঘাত এমন এক পরিস্থিতি তৈরি করেছে যা এই অঞ্চলের অধিকাংশ দেশই চায়নি। তবে ব্যতিক্রম শুধু ইসরায়েল।

ইরানের ইসলামি প্রজাতন্ত্রের ওপর মার্কিন ও ইসরায়েলি সামরিক হামলা শুরু হওয়ার আগে থেকেই তুরস্ক একটি ‘পোকার ফেস’ বা ভাবলেশহীন মুখাবয়ব বজায় রাখার চেষ্টা করেছিল। তারা বারবার উত্তেজনা হ্রাসের আহ্বান জানিয়েছিল এবং আঙ্কারার কোনো সামরিক পরিকল্পনা নেই বলে আসছিল।

দুই দশকেরও বেশি সময় আগে ইরাকে সাদ্দাম হুসেইনের পতন ঘটাতে গিয়ে ভয়াবহ পরিণামের মুখে পড়েছিল মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। ইরানেও তার পুনরাবৃত্তি ঘটতে পারে; এমনকি এটি আঞ্চলিক অস্থিরতার আরও ব্যাপক ঝুঁকি তৈরি করবে। যদি না এই সংঘাত কূটনৈতিকভাবে শেষ করার জন্য কোনো যৌক্তিক পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়। এমনটিই মনে করছেন

ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার চলমান যুদ্ধ কেবল তেহরান বা ওয়াশিংটনের ভাগ্য নির্ধারণ করছে না, বরং পারস্য উপসাগরীয় দেশগুলোর (জিসিসি) কয়েক দশকের নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক দর্শনকে এক নিমেষেই ওলট-পালট করে দিয়েছে। যুদ্ধ শুরুর ৪৮ ঘণ্টার মধ্যেই ইরান সংযুক্ত আরব আমিরাত (ইউএই), সৌদি আরব, ওমান, কাতারসহ পুরো উপসাগরী