
কুড়িগ্রামের রৌমারী উপজেলার ইজলামারী ভুন্দুরচর সীমান্তে ১৭ দিন শূন্যরেখায় অবস্থান করা তিন যুবককে আজ বুধবার সকাল থেকে আর দেখা যাচ্ছে না। বিএসএফের পুশ ইনের চেষ্টার শিকার হওয়া ওই যুবকদের পরিচয় এখনো নিশ্চিত করতে পারেনি বিজিবি।

মেহেরপুরের মুজিবনগর উপজেলার নাজিরাকোনা সীমান্ত দিয়ে সোমবার ভোরে ৭ জনকে পুশইনের চেষ্টা করেছে বিএসএফ বলে অভিযোগ উঠেছে। বিজিবি ও গ্রামবাসীর প্রতিরোধে সেই চেষ্টা ব্যর্থ হয় বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা ও নাজিরাকোনা বিজিবি ক্যাম্পের কমান্ডার।

বাংলাদেশ সীমান্তজুড়ে শকুনের মতো ওত পেতে বসে আছে ভারতীয় বিএসএফ। কিছুতেই থামছে না তাদের পুশ ইনের অপচেষ্টা। কিছুদিন ধরে দিনে ও রাতে মৌলভীবাজার জেলার বড়লেখা উপজেলার পাল্লাতল, নিউ পাল্লাতল, লাতু, গান্দাইল, বোবারতল ও উত্তর ষাইটঘর সীমান্ত দিয়ে ৩০-৪০ জনকে পুশ ইনের চেষ্টা চালিয়ে ব্যর্থ হয়েছে বিএসএফ।

কোনো ধরনের যাচাই-বাছাই ছাড়াই সীমান্তে কাউকে এনে পুশ ইন করিয়ে দেওয়া আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত বা যথাযথ প্রক্রিয়া নয়। ভারতের কাছে যদি অবৈধভাবে অবস্থানকারী বাংলাদেশি নাগরিকদের তালিকা থাকে, তাহলে তা কূটনৈতিক চ্যানেলে পাঠানো যেতে পারে। বাংলাদেশ সরকার জাতীয়তা যাচাই করে আইনি প্রক্রিয়ায় তাদের দেশে ফিরিয়ে নেবে