
চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলার জহুরপুরটেক সীমান্তে বিজিবির হাতে বাংলাদেশি নাগরিক রবিউল ইসলামের লাশ হস্তান্তর করেছে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ)। গতকাল সোমবার (৫ জানুয়ারি) রাত সোয়া ৯টার সময় দুই দেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনীর মধ্যে পতাকা বৈঠক শেষে লাশ হস্তান্তর করা হয়।
বিষয়টি নিশ্চিত করে চাঁপাইনবাবগঞ্জ ৫৩ বিজিবির অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল কাজী মুস্তাফিজুর রহমান জানান, লাশ হস্তান্তর কার্যক্রমের সময় দুই দেশের পুলিশ সদস্য ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।
বিজিবির অধিনায়ক বলেন, ‘মৃত রবিউল সদর উপজেলার নারায়ণপুর ইউনিয়নের সাতরশিয়া গ্রামের নিজাম উদ্দিনের ছেলে। বিএসএফের দাবি অনুযায়ী, রবিউল মৃগীরোগে আক্রান্ত ছিলেন। চোরাচালানের উদ্দেশ্যে সীমান্ত অতিক্রম করে ভারতে প্রবেশের পর তাঁকে আটক করা হয়। আটক অবস্থায় হঠাৎ খিঁচুনি উঠে অসুস্থ হলে তিনি মারা যান বলে দাবি করেছে বিএসএফ। এ বিষয়ে দুই দফা পতাকা বৈঠকে একই বক্তব্য তুলে ধরে তারা।’
তবে এই মৃত্যু প্রকৃতপক্ষেই অসুস্থতাজনিত নাকি অন্য কারণে হয়েছে, এমন প্রশ্নে ৫৩ বিজিবি অধিনায়ক বলেন, ‘ভারতীয় কর্তৃপক্ষের মরদেহ হস্তান্তরের সময় ময়নাতদন্তের কোনো রিপোর্ট না দেওয়ায় প্রকৃত কারণ বলা সম্ভব হচ্ছে না।’ বিজিবি কর্মকর্তা বলেন, বাংলাদেশ পুলিশ এ বিষয়ে ময়নাতদন্ত করবে। মরদেহ পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। সে ক্ষেত্রে ময়নাতদন্তের রিপোর্ট হাতে পেলে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা সম্ভব হবে এবং বিএসএফের পক্ষ থেকে যেটি বলা হচ্ছে অসুস্থতাজনিত কারণ, সেটিরও সত্য-মিথ্যা জানা সম্ভব হবে।
বিজিবি ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত শনিবার রাতে রবিউলসহ আরও কয়েকজন গোপনে সীমান্ত পেরিয়ে ভারতে যান। জহুরপুরটেক বিওপির দায়িত্বপূর্ণ সীমান্ত পিলার ১৯/৭ এস এলাকা দিয়ে গরু চোরাচালান করতে ভারতের মুর্শিদাবাদ জেলার নুরপুর এলাকায় প্রবেশ করেন তাঁরা। এ সময় রঘুনাথগঞ্জ থানা এলাকার বিএসএফের পাতলা টোলা সাবক্যাম্পের সদস্যদের ধাওয়ায় অন্য সঙ্গীরা পালাতে সক্ষম হলেও রবিউল ধরা পড়েন। রোববার ভোরে বিএসএফ তাঁকে আটক করে একটি ক্যাম্পে নিয়ে যায়। সেখানে শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে তাঁকে ভারতের একটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। চিকিৎসাধীন অবস্থায় সেখানেই তাঁর মৃত্যু হয়। পরে ময়নাতদন্ত ও আনুষ্ঠানিক প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে লাশটি বাংলাদেশে হস্তান্তর করা হয়। যদিও এই মৃত্যু নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দাদের ধারণা, বিএসএফের হাতে আটকের পর নিযার্তনেই মারা গেছেন রবিউল।

নাজমুলের বাড়ি লক্ষ্মীপুর জেলার রামগতি উপজেলার রঘুনাথপুর গ্রামে। রাজধানী উত্তরার উত্তরখান হেলাল মার্কেট এলাকায় নিজ বাড়িতে থাকতেন। পেশায় ব্যবসায়ী ছিলেন নাজমুল।
১ ঘণ্টা আগে
আজ সোমবার (২ মার্চ) সকালে গলায় প্যান্টের বেল্ট প্যাঁচানো অবস্থায় স্থানীয়রা ধানখেতে ওই শিশুর মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন। খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজের মর্গে পাঠায়। পুলিশ বলছে, এটি হত্যাকাণ্ড।
১ ঘণ্টা আগে
শনির আখড়ার জাপানি বাজার এলাকায় তাঁর মানিব্যাগের কারখানায় শাহ আলম কাজ করত। রাত আনুমানিক সাড়ে ১১টার দিকে জাপানি বাজারের সামনের সড়ক পার হচ্ছিল সে।
১ ঘণ্টা আগে
স্থানীয় ও ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা গেছে, সকালে মোটরসাইকেলে সাবেদ ও সামির ঢাকার দিকে যাচ্ছিলেন। উমপাড়া এলাকায় পৌঁছালে দ্রুতগতির মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কের পাশে থাকা লোহার রেলিংয়ে সজোরে ধাক্কা দেয়। এতে মোটরসাইকেলটি দুমড়েমুচড়ে যায় এবং ঘটনাস্থলেই সাবেদের মৃত্যু হয়।
১ ঘণ্টা আগে