
গত শতাব্দীর আশির দশক থেকে গত দশক পর্যন্ত বিএনপির সম্মুখসারির মুখ ছিলেন ফরিদপুরের দুই কিংবদন্তি। তাঁদের একজন কে এম ওবায়দুর রহমান, অপরজন চৌধুরী কামাল ইবনে ইউসুফ। এই দুই নেতার প্রয়াণের পর ফরিদপুরে বিএনপির রাজনীতিতে শূন্যস্থান তৈরি হয়েছিল।

ফরিদপুরের সালথায় ভোট দেওয়া নিয়ে তর্কের জেরে গ্রামে দুই পক্ষের মধ্যে হামলা ও বাড়িঘরে ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে। এতে অন্তত ১১ জন আহত হয়েছেন। আহতদের মধ্যে কয়েকজনকে ফরিদপুর সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফরিদপুরে চারটি আসনের মধ্যে তিনটিতে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) ধানের শীষের প্রার্থী এবং একটি আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী নির্বাচিত হয়েছেন।

ফরিদপুর জেলার চারটি সংসদীয় আসনের প্রাপ্ত ফলাফলে দেখা গেছে—তিনটিতে বিএনপি প্রার্থীরা এগিয়ে রয়েছেন এবং একটি আসনে জামায়াতের প্রার্থী শীর্ষে অবস্থান করছেন। প্রাপ্ত কেন্দ্রগুলোর ফলাফল বিশ্লেষণে এ চিত্র পাওয়া গেছে।