
সাতক্ষীরার আশাশুনি ও শ্যামনগর উপজেলায় নদ-নদীর তীরবর্তী বেড়িবাঁধের বিভিন্ন স্থানে ভাঙন দেখা দিয়েছে। এসব স্থানে অনেক আগে থেকেই বিভিন্ন স্থাপনা ও ফসলি জমি বিলীন হয়ে গেছে নদ-নদীতে। বর্তমানে বেড়িবাঁধের অন্তত ৪০টি স্থান ঝুঁকিতে রয়েছে।

হাওরের পানি বাড়ছেই। এতে নিম্নাঞ্চলের পর এবার উঁচু এলাকার ফসলি জমিও তলিয়ে যাচ্ছে। ফলে কৃষকদের মধ্যে উৎকণ্ঠা আরও বাড়ছে। তা ছাড়া যেসব পাকা ধান এর মধ্যে তুলতে পেরেছিলেন কৃষক, রোদে না শুকাতে পারায় সেগুলোতে বীজ (অঙ্কুর) গজিয়েছে।

সকালে আকাশ কিছুটা মেঘলা থাকলেও গতকাল বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে হাওরে রোদের দেখা পেয়েছে কৃষক। স্বস্তির এই রোদে ধান কাটা, মাড়াই ও শুকানোর কাজে ব্যস্ত দিন কেটেছে তাঁদের। যদিও এই রোদের স্থায়িত্ব কম, তারপরও শেষ সম্বল ঘরে তুলতে বসে নেই চাষিরা।

কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারীতে দুধকুমার নদ থেকে বালু উত্তোলন করায় নির্মাণাধীন তীর রক্ষা বাঁধসহ বসতবাড়ি ও ফসলি জমি ঝুঁকিতে পড়েছে। প্রভাবশালী মহলের ছত্রচ্ছায়ায় উপজেলার ইসলামপুরের সামাদের ঘাট এলাকায় তিনটি খননযন্ত্র দিয়ে নদ থেকে বালু উত্তোলন করা হচ্ছে।