
রাজশাহীর দুর্গাপুরে প্রচণ্ড দাবদাহ ও ভ্যাপসা গরমে জ্বর, ডায়রিয়া ও পেটের পীড়ায় আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা বেড়ে গেছে। রোগীর চাপ বাড়ায় ৫০ শয্যার হাসপাতালের চিকিৎসক ও নার্সদের সেবা দিতে বেগ পেতে হচ্ছে।

বান্দরবানের রেমাক্রী ইউনিয়নে ডায়রিয়ার প্রাদুর্ভাব উদ্বেগজনকভাবে বাড়ছে। স্যালাইন ও প্রয়োজনীয় ওষুধের সংকটে স্থানীয় বাসিন্দারা পোহাচ্ছেন চরম দুর্ভোগ। ঈদের ছুটির কারণে চিকিৎসকদের অনুপস্থিতির ফলে পরিস্থিতি আরও জটিল হয়েছে।

সারা দেশে হামের আতঙ্ক বিরাজ করছে। হাজার হাজার শিশু আক্রান্ত হয়েছে আর মৃত্যুবরণ করেছে পাঁচ শতাধিক। এপ্রিলের শেষ দিকে বান্দরবানের থানচি উপজেলার রেমাক্রী ইউনিয়নেও হানা দিয়েছে এই সংক্রামক রোগ। হামের প্রাদুর্ভাবের পর এবার সেখানে হামলা করেছে ডায়রিয়ার জীবাণু। স্থানীয় ওষুধের দোকানগুলোতে পাওয়া যাচ্ছে না...

বান্দরবানের থানচি উপজেলার দুর্গম রেমাক্রী ইউনিয়নে হামের প্রাদুর্ভাবের পর এবার বেশ কয়েকটি পাহাড়ি গ্রামে ডায়রিয়ার প্রাদুর্ভাব দেখা দিয়েছে। তবে স্থানীয় ওষুধের দোকানগুলোয় স্যালাইন ও প্রয়োজনীয় ওষুধের সংকট থাকায় চিকিৎসাসেবা ব্যাহত হচ্ছে। এতে এলাকাবাসীর মধ্যে বাড়ছে আতঙ্ক ও উদ্বেগ।