
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ওপর কোনো অন্যায় সিদ্ধান্ত চাপিয়ে দেওয়া কিংবা ক্ষমতার দাপট দেখিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বাভাবিক গণতান্ত্রিক পরিবেশ বাধাগ্রস্ত করা গ্রহণযোগ্য নয় বলে মন্তব্য করেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম। বিশ্ববিদ্যালয়ের ঐতিহ্য ও মর্যাদা সমুন্নত রাখতে সবাইকে

জামায়াত নেতা বলেন, রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে বিরোধী দলের অংশগ্রহণ ছিল সরকারের কাঙ্ক্ষিত ‘সংস্কার প্রক্রিয়ার সীমাবদ্ধতার’ বিরুদ্ধে প্রতীকী প্রতিবাদ এবং গণতান্ত্রিক চর্চার নতুন উদ্যোগ। তাঁর ভাষায়, ‘নির্বাচনের ফল কী হবে, তা আমরা আগেই জানতাম। তবুও আমরা অংশ নিয়েছি জনগণের সামনে আমাদের অবস্থান স্পষ্ট করতে।

‘গণতন্ত্রের সংস্কৃতির সঙ্গে সংখ্যালঘু সংস্কৃতির যে পার্থক্য রয়েছে, রাষ্ট্রপ্রধান সেটি না বুঝলে যে খেসারত দিতে হয়, তা এখনো অনুভব করা যায়। দুর্ভাগ্য হচ্ছে, অন্যের তৈরি করা রাজনৈতিক এই নৈরাজ্য ও সমস্ত জঞ্জাল দূর করার দায়িত্ব বহন করতে হয়েছে শহীদ জিয়াউর রহমানকে। এখনো আমরা এটি বহন করছি।’

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, ‘আমরা ৭১ সালে যুদ্ধ করে দেশ স্বাধীন করেছি। পরবর্তী সময়ে যখনই গণতন্ত্র হুমকির মুখে পড়েছে, জনগণ রাজপথে নেমে এসেছে, আন্দোলন করেছে, বারবার গণতন্ত্রকে ফিরিয়ে নিয়ে এসেছে। এখন হচ্ছে আমাদের দেশ গঠন করার সময়। বাংলাদেশের ২০ কোটি মানুষকে সচেতন থাকতে হবে। সতর্ক থাকতে হবে।’